আপনজনদের বাঁচাতে যতদূর যাওয়া যায় ঠিক ততদূর পর্যন্ত যেতে পারে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। সে কখনো তার নিজের দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসেনি আর এবারেও আসবে না। যখনই তার পরিবারের মানুষদের ওপর বিপদ আঁচড়ে পড়েছে সবার প্রথমে ছুটে গিয়েছে সে। তার উপর কে কি খারাপ করেছে সে সবকিছু সেই মুহূর্তের জন্য ভুলে গিয়ে তাদেরকে বাঁচানোর উপায় খুঁজে বের করেছে নায়িকা। আর এটা করতে গিয়েই ধারাবাহিকের গল্প এতটা আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে যে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজন পিকলু সহ প্রত্যেকে পৌঁছে যায় দীননাথের বাড়ি। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা কিছুই খুঁজে পায় না উল্টে দেখতে পায় দীননাথকে কেউ গুলি করে মেরে ফেলেছে। এটা দেখার পরেই সমস্ত আশা মন থেকে মুছে যায় সবার। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি হাল ছাড়ার পাত্রী পর্ণা নয়। সে মনে মনে ভাবে নতুন একটা রাস্তা খুঁজে বার করতেই হবে। ঠিক তখনই তার মনে পড়ে যায় এই লোকটার একটা শরবত এর দোকান ছিল। সবাই মিলে সেখানে চলে যায় এবং তল্লাশি শুরু করে। একটা সিন্দুক পায় কিন্তু তার চাবি কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।
এরপর বিষম লেগে প্রচন্ড কাসি হতে থাকে পর্ণার। এরপর তাকে জল দেওয়া হয় আর সেই জল খেতে খেতেই একটা জিনিস লক্ষ্য করে সে। ওই দোকানে বেশ কিছু বোতল রয়েছে প্রত্যেকটাকেতে অর্ধেক জল ভরা শুধুমাত্র একটাতে পুরো বোতলটাই ভরা। সন্দেহ হওয়ায় বোতলটা ভেঙে দেয় সে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসে সিন্দুকের চাবি। বিষয়টা দেখে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে পুলিশ।
সে সিন্দুক থেকে বেশ কিছু রশিদ পাওয়া যায় এবং আরো কিছু ছোটখাটো জিনিসপত্র পাওয়া যায় যেখানে দেখা যায় কয়েক লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এরপর সমস্ত কিছু নিয়ে থানায় চলে যায় সবাই আর সেখানে গিয়েই আরও তদন্ত চালাতে থাকে। তদন্ত করে তারা জানতে পারে বিহারে একজন বড়সড় মাফিয়া রয়েছে যার নাম বিনায়ক সিং। ইনি সবকিছুর মাথা আর ইনি হলেন ওস্তাদজি। এই ব্যক্তি একাধিক জায়গা থেকে ভিখারী কিনে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে ভিক্ষা করায় আর তাদের টাকা লুটে নেয়। অন্যদিকে দেখা যায় সেই বিনায়ক সিংকে। তার হাতে একজন গুপ্তচর পুলিশ ধরা পড়ে এবং সে নৃশংসভাবে সেই পুলিশকে হত্যা করে। সমস্যাটা খুলে বলতে এই সৃজন প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়। এদের হাতে বর্ষা দাদা-বৌদি সবাই পড়েছে এটা ভেবেই কেমন যেন শিউরে ওঠে সে।
আরো পড়ুন: ছিটকে গেল ‘অনুরাগের ছোঁয়া’! টিআরপি তালিকায় গীতা, ফুলকির কামাল! সবাইকে হারিয়ে এক নম্বরে বেঙ্গল টপার কে?
অন্যদিকে বাড়ির প্রত্যেকে বারবার পর্ণা সৃজন চয়ন সবাইকে ফোন করতে থাকে কিন্তু কেউ ফোন ধরে না। কৃষ্ণা তখন বলে, ওরা নির্ঘাত কাউকে খুঁজে পায়নি তাই এখন ফোনটা ধরছেনা। পর্ণা একটা ধরি বাজ মেয়ে ও থাকতে তাদের সংসারের কখনো ভালো হয়নি আর হবেও না। এদিকে পর্ণা ঠিক করে সে বর্ষাকে বাঁচাবেই। পুলিশ তখন বলে স্বয়ং পুলিশরাই ভয় পায় ওই বিনায়ক সিংকে। তখন পর্ণা বলে, সে এবার ওই মাফিয়াকে বুঝিয়ে দেবে অসহায় মানুষদের ব্যবহার করলে ঠিকই শাস্তি পেতে হয়। ওই লোকটার হাতেই ভিক্ষার থালা ধরিয়ে দেবে সে এমনটাই প্রতিজ্ঞা করে পর্ণা।
