বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় এখন রাজত্ব করছে ধারাবাহিকের নাম কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kache Koi Moner Kotha) । দর্শকরা মন দিয়ে এখন এই ধারাবাহিকটি দেখে চলেছেন। আসলে বাস্তব থেকে গল্প তুলে এনে এই ধারাবাহিকের গল্প বলা হচ্ছে। আর সেই কারণেই এই মুহূর্তে এই ধারাবাহিকটির এতটা জনপ্রিয়তা। বাস্তব সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে। যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
এই ধারাবাহিকের ডায়লগ থেকে শুরু করে গল্প সবকিছুই ভীষণভাবে বাস্তবধর্মী। আবার একই রকম ভাবে এই ধারাবাহিকে তুলে ধরা বিভিন্ন ঘটনাও বাস্তব থেকেই উঠে এসেছে। এই ধারাবাহিকে এমন কিছু কিছু চরিত্রকে তুলে ধরা হয়েছে যে চরিত্রগুলি আমাদের সমাজে রয়েছে। ননদ, দেওর সব কটি চরিত্র।
বলাই বাহুল্য পরাগ, পলাশ, মধুবালা, প্রতীক্ষা, প্রিয়াঙ্কা প্রত্যেকটি চরিত্রই সমাজ থেকেই আহরণ করা হয়েছে। দর্শকরা এই সমস্ত চরিত্রের সঙ্গে নিজেদের বাস্তব জীবনের মিল খুঁজে পেয়েছেন। যে কারণে এই তুমুল জনপ্রিয়তা। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকে একটি নতুন চরিত্রের আবির্ভাব হয়েছে। প্রিয়াঙ্কা। পরাগের কাছে অঙ্ক শিখতে এসেছে সে। যদিও পড়াশোনা চুলোয় দিয়ে এখন সে পরাগের জীবন থেকে তার স্ত্রীকে বিদায় দিয়ে দিয়ে সেই জায়গা দখল করতে চায়।
আসলে প্রিয়াঙ্কার বাবা উঠে পড়ে লেগেছে মেয়ের বিয়ের জন্য। কিন্তু পাত্র আর জোটে না। আর তাই প্রতীক্ষা প্রিয়াঙ্কাকে পরাগদের বাড়িতে পাঠিয়েছে। শিমুল আর পরাগের খারাপ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে প্রিয়াঙ্কা শিমুলকে দূরে করে পরাগের মনে যাতে জায়গা করে নিতে পারে। প্রিয়াঙ্কার মাথায় চলছে পরাগ সরকারি চাকরি করে একবার গলায় ঝুলে যেতে পারলে নিশ্চিন্ত! আর তাই শিমুলকে দূরে করার ষড়যন্ত্র করছে সে।
শিমুলকে শতদ্রুর সঙ্গে রেস্তোরাঁয় দেখে ছবি তুলে রাখে প্রিয়াঙ্কা। যাতে শিমুলের ঘর ভাঙতে তার সুবিধা হয়। সেই খবরও সে পরাগের কানে তুলে দিয়েছে। আর এবার পরাগ, পলাশ, প্রিয়াঙ্কা মিলে ষড়যন্ত্র করেছে শিমুলকে অসম্মানিত করার। তাকে অসম্মানে বিঁধে এই বাড়ি থেকে দূর করার। আগামী পর্বে দেখা যাবে, সেই জন্য তারা শিমুলের সঙ্গে প্রথমে ভালো ব্যবহার করে শতদ্রুকে নিমন্ত্রণ করবে পলাশের বিয়েতে। হাসিমুখে পলাশকে বলতে শোনা যায়, শতদ্রু তো আমাদের পরম আত্মীয়! ওকে নিমন্ত্রণ করতেই হবে! আর তারপরই শিমুল আর শতদ্রুকে গয়না চুরির অভিযোগ দিয়ে তাদেরকে বাড়ি ছাড়া করার পরিকল্পনা করেছে তারা। দেখতে ভুলবেন না কার কাছে কই মনের কথা।
