Bangla Serial

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ময়ূরী এল মেঘের বাড়ি! মেঘের মেয়েকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ল ময়ূরী

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Ichche Putul)। এই ধারাবাহিক তার গল্পের টানে বর্তমানে টিআরপি তালিকার প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে। এখন ধারাবাহিকে চলছে টানটান পর্ব। দর্শকদের কথা রেখে শাস্তি হয়েছে ময়ূরীর। যদিও এর জন্য দায়ী সে নিজেই। বিয়ের আসরে বোন মেঘকে গুলি করে মেরে ফেলতে চেয়েছিল ময়ূরী। কিন্তু হাতেনাতে ধরা পড়তে শাস্তিস্বরূপ হাজতবাস জুটেছে তাঁর।

একদিকে যখন জেলে দিন কাটাচ্ছে ময়ূরী, মেঘ তখন নীলকে নিয়ে সুখে সংসার করছে। দ্বিতীয় বারের জন্য নীলের সঙ্গে সংসার পেতেছে সে। অন্যদিকে, জেলে বসে একটা একটা করে দিন গুনছে ময়ূরী। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মেঘের সর্বনাশ হবে তাঁর হাতেই।

জেলে লক্ষ্মী মেয়ে হয়ে থাকে ময়ূরী। ফলে তাঁর শাস্তি অর্ধেক হয়ে যায়। বছর পাঁচেক শাস্তি ভোগ করে জেল থেকে বের হয় মেঘের ‘দিদি’। এখন সে করবে কী? মেঘের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া বাকি রয়েছে তাঁর। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেই কাজ সারতে হবে। পরিকল্পনা মাফিক মেঘের শ্বশুরবাড়ি
হাজির হয় ময়ূরী। আর আসতেই থমকে যায় সে।

মেঘনীলের জীবন তখন এগিয়ে গিয়েছে পাঁচ বছর আরও। মেঘের কোলে এসেছে ছোট্ট ফুটফুটে এক সন্তান। যার মুখ যেন হুবহু ছোটবেলার ময়ূরী! মাসির মতো দেখতে হয়েছে মেঘের কন্যা। ছোট্ট বোনঝিকে দেখে চোখে জল চলে আসে ময়ূরীর।
ছোট্ট শিশুটিকে আঁকড়ে ধরে কাঁদতে থাকে সে।

মেঘের ছোট্ট মেয়ে ময়ূরীকে জিজ্ঞেস করে তুমি কে গো? তখন মেঘ পরিচয় করে দেয় এই হল তাঁর মাসি। ময়ূরী সবাইকে বোঝাতে থাকে যে একেবারে বদলে গিয়েছে সে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? শুধরে গিয়েছে ময়ূরী? নীল সাবধান করে এটা ময়ূরীর নতুন চাল। কিন্তু মেঘ বলে, তাঁর দিদি ভালো গিয়েছে। এখন ময়ূরী সত্যিই ভালো হয়েছে নাকি এটাও তাঁর ষড়যন্ত্র, সেটাই এখন দেখার।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন