সবটা সুন্দর করে গোছানোর জন্য অনেক সময় নতুন করে শুরু করার প্রয়োজন পড়ে। পুরনো ভুল বোঝাবুঝির মাঝে নতুন করে শুরু করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই আবার নতুন একটা জীবন শুরু করতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। শুরু থেকে অন্য ধারাবাহিকের কপি বলে বেশ কিছুদিন সমালোচিত হলেও বর্তমানে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই মেগা। ধারাবাহিকটি বর্তমানে দর্শকদের মধ্যমণি হয়ে উঠেছে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ডিভোর্সের পর অনেকগুলো দিন কেটে গিয়েছে। নীল আর মেঘ বর্তমানে একে অপরের থেকে অনেকটাই দূরে সরে গিয়েছে। তবে তারা মনের দিক থেকে অনেক কাছাকাছি এসেছে। এর আগে একসাথে থেকেও তাদের মনের মিল হয়নি আর এখন দূরে থেকেও তারা অনেক আছে। এর মাঝে মেঘের বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে মধুমিতা।
ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, মেঘের মা-বাবাকে ডেকে পাঠিয়েছে নীলের ঠাম্মি। কারণ সে ঠিক করেছে তার নীল দাদা আর মেঘ দিদির আবার বিয়ে দেবে। তাদের দুজনকে আরও একবার মিলিয়ে দেবে। নইলে তাদের জীবনটা এমন একা একাই কেটে যাবে। আর সেটার জন্য মেঘের মা বাবার সম্মতির প্রয়োজন। এসব জানতে পেরে প্রথমেই না করে দেয় অনিন্দ্য। কিন্তু ঠাম্মি অনেকভাবে তাকে বোঝায়।
সব শুনে মধুমিতা বলে, আগে দুজনকেই জানানো উচিত। তারা যদি রাজি থাকে তবেই এই নিয়ে এগোনো উচিত। তখন ঠাম্মি বলে, ওদের মধ্যে যে আত্মসম্মান এবং মান-অভিমান রয়েছে সেগুলোর জন্য ওরা কখনোই হ্যাঁ বলবে না। কিন্তু যদি পান পাতা সরিয়ে একবার মেঘ নীলের মুখ দেখে তাহলে ওদের থেকে বেশি খুশি আর কেউ হবে না। মধুমিতা বুঝতে পারে না এটা আদৌ ঠিক কিভাবে সম্ভব। আর অনিন্দ্য এই সবকিছুই মধুমিতার ওপর ছেড়ে দেয়, কারণ তার কথা সেখানে কেউ পাত্তা দিচ্ছিল না।
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অনেক রেগে গিয়েছে মধুমিতা। সে অনিন্দ্যর উপস্থিতিতেই মেঘের সামনে বলে, “নীল একটা খারাপ চরিত্রহীন লম্পট অসভ্য ছেলে।” এসব শুনে রীতিমতো রেগে যায় মেঘ। সে তার মাকে এসব বলতে বারণ করে আর চুপ করতে বলে। যে ছেলেটা এত কিছু করেছে এত ক্ষতি করেছে সেই নীলের জন্য এখন এত টান দেখে অবাক হয় মধুমিতা।
