স্টার জলসার (Star Jalsha) ‘নিম ফুলের মধু’র (Neem Phooler Madhu) সাম্প্রতিক পর্বে চলছে টানটান উত্তেজনা। পর্বের শুরুতে দেখায়, প্রোমোটার এসে দত্তবাড়ি ফাঁকা করার নির্দেশ দেয়। জানায় এ বাড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। কিন্তু বাড়ির কেউ বুঝতে পারে না হঠাৎ এ বাড়ি বিক্রি কেন করা হবে? আর কেইবা বিক্রি করবে বসতবাড়ি? আর বাড়ি বিক্রির টাকাই বা কে নিয়েছে?তখন প্রোমোটার জানায়, কৃষ্ণা আর মৌমিতা গিয়ে টাকা নিয়ে আসে। আর পেপারে সই রয়েছে কৃষ্ণার।
আরো পড়ুন:’ইচ্ছে পুতুল’ ধারাবাহিকে নাটকীয় মোড়! মেঘ-নীলের অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাতিল হল ডিভোর্স! আদালতই মিলিয়ে দেবে দুই পরিবারকে?
কৃষ্ণা বাড়ির সকলকে জানায় সে সৃজনের প্রয়োজনে বাড়ি বন্ধক রেখে টাকা এনেছিল। কিন্তু এত চড়া সুদে সে টাকা নিতে চায়নি। মৌমিতা আর ঈশা জোড় করে তাকে এই টাকা নেওয়া করিয়েছে। মৌমিতা রে রে করে ওঠে। এভাবে কেন বলছে কৃষ্ণা। টাকার দরকার তার ছিলই। পর্ণাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে অন্ধ হয়ে গিয়েছিল কৃষ্ণা। তাই কোনো চেষ্টাই ব্যতীত রাখেনি।
কৃষ্ণা বলে সে ভেবেছিল শাড়ির ব্যবসা করে যাবতীয় যা টাকা আছে তা শোধ করে দেবে। কিন্তু এখনতো ব্যবসা লাটে উঠেছে। আর গুদাম ঘরও পুড়ে ছাই। তবে কি করা যায়? এদিকে পর্ণার শ্বশুরমশাই কৃষ্ণাকেই দুষতে থাকে বাড়ির এহেন পরিস্থিতির জন্য। বলে, পর্ণাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে কিনা করেনি কৃষ্ণা। এখনই ডিভোর্স দিয়ে দিতে চায় তাকে।
এদিকে, ঠাম্মি এসে বলে এটা একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়ি করার সময় নয়। সকলের ভাবা উচিত পাহাড় প্রমাণ সুদের টাকা কোথা থেকে জোগাড় হবে। জ্যাঠামশাইও এদিকে বলতে থাকে সবটা সৃজনের দোষ। ছেলেকে সবাই দোষারোপ করছে দেখে কেঁদে ফেলে কৃষ্ণা।
View this post on Instagram
এদিকে নিজের সংসারটা বাঁচানোর জন্য উতলা হয়ে ওঠে সে। পর্ণাকে বলতে থাকে সে যেন শ্বশুরমশাইকে বোঝায়। তার সঙ্গে যেন বিয়েটা অন্তত বেঁচে যায়। পর্ণা বলে এবার আর কৃষ্ণাকে ক্ষমা করা যাবে না। কৃষ্ণার বদমাইশির জন্য আজ গোটা পরিবার পথে। কৃষ্ণার শাস্তি প্রাপ্য।
