স্টার জলসার (Star jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কথা’ (Kotha)। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে কথা আর অগ্নিভ ধীরে ধীরে একে অপরের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছে। তারা নিজেদের দুর্বলতার কথা একে অন্যকে প্রকাশ না করলেও অগ্নি যে কথাকে নিয়ে চিন্তা করে সেটা তার কথাবার্তা এবং কথার প্রতি যত্ন নেওয়া দেখেই বুঝতে পারা যায়। অন্যদিকে কথাও তার পাঁচক মশায়কে চোখে হারায় কিন্তু এইসবের মধ্যে দুজনে এখন গোপালের বাঁশি রহস্য নিয়ে মেতে আছে! গোপালের বাঁশি চুরি করেছিল তিলক আর তিলককে পাওয়ার পর তাকে ইনজেকশন দিয়ে কোমায় পাঠিয়ে দিয়েছে চিত্রা। অন্যদিকে সত্যি খুঁজে বার করবার চেষ্টা করছে কথা।
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায় অগ্নি আর কথা দুজনে মিলে নাচ গান করতে থাকে আর দুজনকে একসাথে এইভাবে মজা করতে দেখে খুব খুশি হয়ে যান কর্তা দাদু। কথার জন্য অগ্নি যে একটু একটু করে পরিবর্তন হচ্ছে সেটা সে নিজে না বুঝতে পারলেও কর্তা দাদু সেটা বুঝতে পারছে আর সেটা বুঝেই তিনি খুশি হয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে দেখতে পাওয়া যায় জুনি নাচ করতে করতে অঙ্কিতের কাছে চলে যায়। এরপর জুনি যখন বিষয়টা বুঝতে পারে তখন সে দূরে সরে চলে যায় কিন্তু চিত্রা জুনিকে বলে তোমাকে তো বলেছিলাম অঙ্কিতের কাছে তুমি ঘেঁষবে না!

জুনি তখন বলে, আমি তো কিছু করি নি মেজ মা। মেজ মা তখন বলে, তুমি কী করেছো সেটা আমি নিজের চোখে দেখেছি, আমাকে মিথ্যে বলার চেষ্টা করো না তখন কথা মেজো মা আর জুনির কথা শুনতে পেয়ে যায়। এরপর কথা ঘরে গিয়ে জুনিকে জিজ্ঞেস করে তাকে মেজোমা কী বলছিল কিন্তু জুনি কিছু বলে না। এরপর কথা জুনিকে একটা পেপার দেখায় যেখানে লেখা আছে ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখে যদি কেউ কিছু সেখানে পাঠায় আর সেই লেখাটা যদি সেরা হয় তাহলে তারা এক লক্ষ টাকা দেবে বিজেতাকে। ঋতু তখন বলে, তোর মত বোন যেন সবাই পায় কথা কি সুন্দর মেজো মার কথাটা ওর মাথা থেকে বার করে দিলি!
জুনি তখন বলে, আমি লিখতে পারব কথা? তখন বলে কেন পারবি না আমি তো আছি। ঋতু তখন বলে, আমি তো জানতাম কথা গাছেদের ইতিহাস লেখে এবার তুই মানুষের ও ইতিহাস লিখবি! ঋতু এরপর জুনিকে উৎসাহ দেয় এই বিষয়ে লিখবার জন্য। ওদিকে চিত্রা নিজের হাত থেকে আংটিটা খুলবার চেষ্টা করে এই আংটিটাই নার্সিংহোমে দেখে নিয়েছিল কথা যখন চিত্রা নার্সবেশে নার্সিংহোমে গিয়েছিল তিলকের খবর নিতে। কিন্তু বারবার চেষ্টা করেও লাভ হয় না কিছুতেই আংটিটা খোলা যায় না। তার মধ্যেই প্রান্তিক ফোন করে বলে আপনি তো আমাকে কিছু বললেন না? তাহলে কি আপনি এবার পাথরগুলো ঝেঁপে দেওয়ার প্ল্যান করছেন? আপনাকে আমার খুব একটা ভরসা হয় না।
প্রান্তিক বলে, আপনি সব সময় বোঝাবার চেষ্টা করেন যে আপনি আমাদের সাথে আছেন কিন্তু কাজ করেন গুহ বাড়ির জন্য! তখন চিত্রা বলে, কে বলেছে আমি গুহ বাড়ির জন্য কাজ করছি? সমস্যাটা হয়েছে কথার জন্য। কথা বুঝতে পেরে গেছে বাঁশির মধ্যে কিছু একটা আছে সেই কারণে বাঁশির ভেতরের পাথরগুলো কথা নিজের কাছে রেখে দিয়েছে। এরপর প্রান্তিক বলে, কথা রেখে দেয় নি, আপনি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন, আপনাকে আমি পরে দেখে নেব। ওদিকে মান্ডবী প্রান্তিককে বলে, এই আন্টিকে আমার একদম বিশ্বাস হয় না শুধু মুখেই বড় বড় কথা বলে। কাজের কাজ কিছুই পারে না। এরপর মান্ডবী আর প্রান্তিক মিলে কথার ক্ষতি করার চেষ্টায় হাত মেলায় একসাথে।
আরও পড়ুন: অবশেষে পূর্ণ হচ্ছে ফুলকির মনের ইচ্ছা! রোহিতের কান্ড দেখে খুশি হয়ে গেল ফুলকি!
অন্যদিকে রান্নাঘরে পিসিমণি আর নুপূর সবজি কাটছিল, তখন চিত্রা আসে আর মেজদার জন্য হালকা কিছু বানাতে বলে। এরপর কথা চিত্রার হাতের আঙুলের দিকে তাকিয়ে বুঝে ফেলে চিত্রার হাতের আংটিটা নেই এবং আঙুলের জায়গায় একটা ব্যান্ডেজ বাঁধা আছে, তখন চিত্রাকে জিজ্ঞেস করে তোমার হাতে একটা আংটি পরা ছিল না? আর ব্যান্ডেজ বেঁধেছো কেন? চিত্রা তখন বলে ব্যস হয়ে গেল! কথা সবটা ধরে ফেলেছে!
