জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল কোন গোপনে মন ভেসেছে ( Kon gopone mon veseche )। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় অহনার আসল রূপ দেখে অপরাজিতা বুঝতে পারে শ্যামলী অনিকেতের জন্য ঠিক ছিল অন্ততপক্ষে শ্যামলী অনিকেতের যত্ন নিত। কিন্তু সে সরাসরি শ্যামলীকে কিছু বলতে পারে না সে শুধু শ্যামলীকে বলে শ্যামলী যেন অনিকেতকে যত্ন করে খাবার পরিবেশন করে দেয় কারণ অনিকেত খিচুড়ি খেতে খুব ভালোবাসে।
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ২৬ সেপ্টেম্বর ( kon gopone mon veseche today full episode 26 September )
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায় ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা চলছে অনিকেত আর শ্যামলীর মধ্যে। এই প্রতিযোগিতাতে শ্যামলী জিতে যায় এরপর শ্যামলী একটা কেটে যাওয়া ঘুড়ি ধরতে গিয়ে আচমকা পা পিছলে পড়ে যেতে থাকে। তখন মন্দার আর অনিকেত দুজনেই ছুটে আসে কিন্তু মন্দার শ্যামলীকে অনিকেতের আগেই বাঁচিয়ে নেয়। এরপর মন্দার বলে শ্যামলী তোর কিছু হয়ে গেলে আর জোড়া বাড়িতে ফিরে গিয়ে আমি কী উত্তর দিতাম বলতো? অন্যদিকে অনিকেত ভাবতে থাকে সে সত্যি শ্যামলীর জীবন থেকে অনেক দূরে চলে গেছে।

এরপর দেখা যায় সারাদিন কাজের শেষে বাড়ি ফিরে এসেছে শ্যামলী আর মন্দার। তারা দুজনে বলে তারা সত্যি খুব ক্লান্ত কারণ আজ সারাদিন অনেক বেশি কাজ হয়েছে। সেইসময় দেখা যায় অপরাজিতা দুই গ্লাস জল নিয়ে এসেছে শ্যামলী আর মন্দারের জন্য যেটা দেখে তারা তো খুব অবাক হয়ে যায়। মন্দার বলে, কি ম্যাডাম আজকেই তো আমি আপনাকে ভিডিও করে দেখালাম যে অনিকেত স্যার খাচ্ছে আর আজকেই আপনি আমার জলের মধ্যে বিষ মিশিয়ে নিয়ে চলে এলেন! শ্যামলী মন্দারকে বলে, মন্দার থাম।
এরপর শ্যামলী জলটা খেয়ে নেয় সেটা দেখে মন্দারের বিশ্বাস হয় আর মন্দারও জলটা খেয়ে নেয়। এরপর অপরাজিতা বলে তোমাদের জন্য খাবার বেড়ে রাখা আছে এসো খাবে। রোহিনী মন্দারকে এসে বলে তোর কেটে রাখা মোচাটাই মা আজকে রান্না করেছে! এরপর শ্যামলী আর মন্দার খেয়ে উঠলে অপরাজিতা বলে বাসন-কোসন সব আমি গুছিয়ে রেখে দেব, তোমরা যাও ক্লান্ত আছো, গিয়ে বিশ্রাম নাও। অপরাজিতা বলে আজকে তোমরা আমার ছেলেকে যত্ন করে খাইয়েছো তাই আমিও তোমাদের যত্ন করে খাওয়ালাম।
আরও পড়ুনঃ পিয়ালকে বাঁচাতে বিরাট পদক্ষেপ নিল ফুলকি! প্রতিশোধ নিতে উঠে পড়ে লাগল হৈমন্তী!
শ্যামলী বলে ম্যাডাম আপনি তো চেয়েছিলেন আমি স্যারের জীবন থেকে সরে যায় এখন তো আমি তার জীবন নেই , স্যার এখন ভালো আছে। অপরাজিতা ভাবে ,কী যে ভালো আছে সেটা তো আমি নিজের চোখেই দেখেছি! অন্যদিকে অনিকেত বাড়ি ফিরে দেখে অহনা বাড়ি নেই তার জন্য নুডেলস বানানো আছে , সে যেন খেয়ে নেয়- অনিকেত বুঝতে পারে সে কত বড় ভুল করেছে কিন্তু শ্যামলীর কাছে ফেরার রাস্তাও যে বন্ধ সেটাও বুঝতে পারে! পরের দিন অমিতাভ বাবু শ্যামলীকে নিজস্ব ব্যবসা করার প্রস্তাব দিলে শ্যামলী বলে এখানে এসে কাজ করে না,এটা তার শ্বশুর মশাইয়ের ব্যবসা। এরপর তার বরের কথা উঠলে শ্যামলী বলে তার বর তার সাথে থাকে না, তখন অমিতাভবাবু বলে, আমি এই ছেলেকে চোখের সামনে পেলে উচিত শিক্ষা দিতাম। তখনই অনিকেত সেখানে চলে আসে। তাহলে কি মনে হয় আপনাদের শ্যামলী কি বলে দেবে অনিকেতই তার বর?
