দর্শকদের মাঝে বাংলার জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হল জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই রমরমিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। শুরুর প্রথম দিন থেকেই নিজের এই জায়গা তৈরি করে রেখেছিল ধারাবাহিকটি। সেই জায়গা আজও ধরে রেখেছে জগদ্ধাত্রী। কখনো নিজের জায়গা ছাড়েনি।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, দুর্গাকে জগদ্ধাত্রী বারবার সাবধানে থাকতে বলে। কারণ উৎসবদের সে ভালো মতন চেনে তাই উৎসবরা কি কি করতে পারে তার ধারণা আছে। আজ কৌশিকী না থাকলে হয়তো তারা দুর্গার সাথে কি কি করত। তারপর কৌশিকী এলে তাকে অনেকবার ধন্যবাদ জানায় জগদ্ধাত্রী। এদিকে ঋষভ ফোন করে দুর্গাকে মনের কথা জানিয়ে দেয়। ঋষভ যে এত তাড়াতাড়ি দুর্গাকে তার মনের কথা জানাবে সেটা ভাবতেই পারেনি দুর্গা। ঋষভের কাছ থেকে আই লাভ ইউ শুনে একেবারে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়।
কৌশিকী, জগদ্ধাত্রী সকলের সামনে একেবারে লাফাতে থাকে আনন্দে। সবাই মিলে এবার দুর্গার বিয়ের আয়োজন শুরু করে দেয়। পৃথাও দুর্গা ঋষভের খবর জানতে পেরে ভীষণ খুশি হয়। বাড়িতে একেবারে হৈচৈ কান্ড শুরু হয়ে যায়। এবারে দুর্গার বিয়ের আয়োজন শুরু করতে হবে। সেটা ভেবেই সকলের আনন্দের পাশাপাশি চোখে জলও আসে।
ওদিকে জগদ্ধাত্রীর কাছে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। সঞ্জিত ব্যানার্জি ফোন করে দুর্গা ঋষভের বিয়ের ব্যাপারে আলোচনা করতে চায়। তারা একসঙ্গে বসে দুই পরিবার মিলে দুর্গার ঋষভের বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করবে বলে জানায়। জগদ্ধাত্রী এর প্রস্তাবে বেশ খুশি মনে তাদের কথায় রাজি হয়ে যায়। কিন্তু ফোনের ওপারে জগদ্ধাত্রীর ওই লোকটি গলাটা খুব চেনা লাগে। কিন্তু ভদ্রলোক নিজের নাম পরিচয় কিছুই জানায় না। ওদিকে সনজিৎ ব্যানার্জি দুর্গার আসল পরিচয় জানায় ঋষভের মা বাবাকে। দুর্গা যে মুখার্জি পরিবারের মেয়ে সে কথাও বলে, এ কথা শুনে তো ঋষভের মা-বাবা একেবারে অবাক হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ শাসক দলের ভয়কে বুড়ো আঙুল! ফুলকির ডাকে ভোটে ভোট দিতে হাজির রাজ্যবাসী,পরাস্ত ছোট রাজাবাবু
এদিকে জগদ্ধাত্রী সঞ্জিত ব্যানার্জির আগের পুরনো বাড়িতে তল্লাশি করতে যায়। সেখানে যদি কোন রকম ক্লু পাওয়া যায় সঞ্জীব ব্যানার্জির আত্মীয় স্বজন সম্পর্কে। যার কাছে সনজিৎ ব্যানার্জি গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু কুড়ি একুশ বছর ধরে ওই জায়গাটা বন্ধ হয়ে পড়ে আছে চারিদিকে ধুলো মাকড়সার জাল এসবের মধ্যে কোন প্রমাণ পাওয়া সত্যি অসম্ভব। তবে জগদ্ধাত্রী থাকতে যে কোন অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে। তাই জন্য জগদ্ধাত্রী মিস্টার বটব্যাল-এর সাহায্য নেয় এবং তাকে জানায় একটা রহস্যের সমাধানের জন্য সাহায্য লাগবে। তার মিস্টার বটব্যাল জগদ্ধাত্রীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।
