বর্তমান সময় জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম সেরা ধারাবাহিক (Bengali Serial) যদি কোনটা হয়ে থাকে তাহলে সেটি হল জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। তিন বছরের কাছাকাছি ধারাবাহিকটি চলছে জি বাংলার পর্দায়। কিন্তু এখনো ধারাবাহিকটি একইভাবে নিজেদের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ধারাবাহিকের মূল নায়িকা অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিক (Ankita Mallick)। অভিনেত্রীকে বর্তমানে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। আর উল্টোদিকে স্বয়ম্বু চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা সৌম্যদীপ মুখার্জি (Soumyadeep Mukherjee)।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, মেহেন্দি ঠিক করে জগদ্ধাত্রীকে পরীক্ষা করার জন্য তাকে দিয়ে পোলাও মাংস রান্না করাবে। আর উৎসবের সেই রান্না ভীষণ প্রিয়। তাই যদি হুবহু একই স্বাদের রান্না করতে পারে জগদ্ধাত্রী তাহলেই সমস্ত কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে। কারণ মেহেন্দির মনে ওই সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ এর ঘটনাটাকে নিয়ে এখনো সন্দেহ রয়েছে।

বাড়িতে এসেই বৈদেহি এবং মেহেন্দির মুখোমুখি হয় জগদ্ধাত্রী রূপী দুর্গা। সবাই মিলে তাকে পোলাও মাংস রান্না করার জন্য বলে। বাড়িতে তো প্রায় কেউই জানে না দুর্গা আসলে জগদ্ধাত্রী সেজে রয়েছে। শুধুমাত্র কৌশিকী এবং তার স্বামী জানে। আর কিছুদিন আগে কাঁকন জানতে পেরেছে। আর বাড়ির সকলে জানে তাদের সামনে জগদ্ধাত্রী রয়েছে। মেহেন্দি তার মনের সন্দেহ দূর করার জন্য এই সমস্ত প্ল্যান করছে। অন্যদিকে কৌশিকী ফোন করে দুর্গাকে জানিয়ে দেয় সেই সমস্ত রেসিপি রেকর্ড করে পাঠিয়ে দিয়েছে সে। সেটা শুনে শুনে হুবহু রান্না করতে পারলেই কেউ আর কোন সন্দেহ করবে না।
এরপরে দুর্গা রান্নাঘরে যায় রান্না করার জন্য। অনাথ আশ্রমে থাকতে কিছু রান্না বান্না করেছে তাই কিছুটা হলেও তার জ্ঞান রয়েছে। আর বাকিটা তার মায়ের রেসিপি। কৌশিকী তো রয়েছে তাকে সাহায্য করার জন্য। এদিকে হঠাৎ করেই রান্নার মাঝখানে দুর্গার ফোনে ফোন আসে কৌশিকীর। স্বাভাবিকভাবে সকলেই তাকে প্রশ্ন করে কার ফোন এসেছে। তখন দুর্গা জানায় জগদ্ধাত্রী হত্যা মামলার তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রথম কোন অফিসার নিজের কেসের তদন্ত নিজে করছে।
আরও পড়ুনঃ পারুলের নাচ চুরি করেও শেষরক্ষা হল না শিরিনের! স্টেজে বাজিমাত করল পারুল – শিরিন ধরা পড়ল ফাঁদ পেতে!
অন্যদিকে স্বয়ম্ভু এবং কৌশিকী মিলে জগদ্ধাত্রীকে ওই একই নার্সিংহোমে একই ডাক্তার নার্সদের মাঝে নিয়ে যায়। যাতে চেনা মুখ অপারেশন থিয়েটার এসব দেখে জগদ্ধাত্রী রিঅ্যাক্ট করে, কথা বলে। সেই জন্য সমস্ত আয়োজন করে রেখেছে তারা। কথামতো তাকে অপারেশন থিয়েটারের সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ডক্টর শ্রীমতি সেন আসেন, নার্স, ওয়ার্ড বয় সকলেই আসে। তাদের দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়ে জগদ্ধাত্রী। তার স্মৃতিতে ভেসে ওঠে কয়েক বছর আগের সেই সমস্ত ছবি। কিন্তু হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় জগদ্ধাত্রী। ওদিকে দিব্যা সেন খবর পেয়েছে স্বয়ম্ভু এবং কৌশিকীর সাথে হাসপাতালে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী। জগদ্ধাত্রী হয়তো কোন প্রমাণ খুঁজতে সেখানে গিয়েছে। কিন্তু বাড়িতে আবার উৎসব বৈদেহি সকলে মিলেই জগদ্ধাত্রীর পেছনে যেভাবে তদন্ত করছে তাতে রেগে গিয়ে দুর্গা উৎসবকে সাবধান করে দেয়। জেল থেকে যেমন সে বার করে এনেছে আবার সেই জেলের ভেতরেই চিরজীবনের মতো পাঠিয়ে দেবে। সেখানেই উৎসব সারাটা জীবন কাটাবে, সেখানেই তার মৃত্যু হবে, সেখানেই তার শ্রাদ্ধ হবে। এবার দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।
