জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো জগদ্ধাত্রী (Jagatdhaatri)। দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলা এই ধারাবাহিক কিছুদিন আগেই নিজেদের হাজার পর্ব পূর্ণ করেছে। ধুমধাম করে সেলিব্রেট হয়েছে সেই বিশেষ দিনটি। কিন্তু হাজার পর্ব পেরিয়ে গেলেও ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তায় কিন্তু এতটুকু ভাটা পড়েনি। প্রথম দিনের মতো আজও সেই একই জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে ধারাবাহিকটি (Bengali Serial)। বর্তমানে প্রতিটি পর্বই বেশ উত্তেজনাপূর্ণ হচ্ছে। আগামী দিনের জগদ্ধাত্রী কত তাড়াতাড়ি সুস্থ হবে আদৌ সুস্থ হয়ে কোর্টে যেতে পারবে কিনা সেটাই দেখানো হচ্ছে ধারাবাহিকে।
ধারাবাহিকের শেষ পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, জগদ্ধাত্রী এখন শুধুমাত্র দু’চারটা শব্দ ছাড়া আর কিছু বলতে পারছে না। কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে কোর্টে কিছুই প্রমাণ হবে না। দিব্যা সেন প্রমাণ করে দেবে পুরোটাই চিকিৎসার গাফিলতি। আর দোষীরা শাস্তি পাবে না। দুর্গা মায়ের কাছে গিয়ে বারবার তাকে কথা বলার জন্য অনুরোধ করে উঠে দাঁড়াতে বলে কিন্তু জগদ্ধাত্রী কোন কিছুতেই সারাতে দিচ্ছে না। স্বয়ম্বু দুবেলা এসে জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে কথা বলছে কিন্তু শুধুমাত্র সেই কথা বলে চলেছে। জগদ্ধাত্রী ওই দু’চারটে শব্দ ছাড়া আর কিছুই বলছে না।

তখনই কৌশিকী স্বয়ম্ভু এবং দুর্গাকে একটা ভালো বুদ্ধি দেয়। ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করে যদি একটা নকল দৃশ্য জগযাত্রীর সামনে ফুটিয়ে তোলা হয় ওই একই নার্সিংহোমে জগদ্ধাত্রীর সামনে কুড়ি বছর আগের ঘটনা জগদ্ধাত্রীকে দেখানো হয় তবে এ জগদ্ধাত্রীকে কথা বলবে? তাহলে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যেতে পারে তার থেকে। যদি ওই একই কেবিনের সামনে একটি বাচ্চার কে নিয়ে দুর্গার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা আবার ফুটিয়ে তোলা হয় তাহলে কেমন হয়?
ডক্টর শ্রীমতি সেন জানান সব রকম উপায় তো তারা চেষ্টা করে দেখে নিয়েছে তাই এই উপায়টা করে দেখা যেতেই পারে। এটা বেশ অন্যরকম হবে। তাতে যদি জগদ্ধাত্রী পুরনো কথা মনে করে উত্তেজনার বসে কথা বলে। তার জন্য একটা নকল কেবিন তৈরি করতে হবে, কয়েকজন ডাক্তার, ওয়ার্ড বয় এবং একটি ছোট বাচ্চা জোগাড় করতে হবে। দুর্গা এবং স্বয়ম্ভু দুজনেই কৌশিকীর এই প্ল্যানে তার সাথে থাকবে জানায়।
আরও পড়ুনঃ নাচের প্রতিযোগিতায় পারুলের পরিকল্পনা নষ্ট করল শিরিন! পাল্টা চাল দিয়ে চমক পারুলের, আসছে জমজমাট পর্ব ‘পরিণীতা’-তে!
অন্যদিকে আসলেই জগদ্ধাত্রী সুস্থ আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করার জন্য মেহেন্দি আবারো নতুন ফাঁদ পাতে। বৈদেহিকে বাড়িতে গিয়ে রান্না করতে বারণ করে মেহেন্দি। আজ মেহেন্দি জগদ্ধাত্রীকে দিয়ে পোলাও এবং মাটন কষা রান্না করাবে। কারণ জগদ্ধাত্রী বিশেষ পোলাও এবং মাটন কষা রান্না করতে জানত। সেই স্বাদ আর অন্য কারোর রান্নায় পায়নি মেহেন্দি। আর উৎসবের সেই রান্না ভীষণ প্রিয়। তাই যদি হুবহু একই স্বাদের রান্না করতে পারে জগদ্ধাত্রী তাহলেই সমস্ত কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে। কারণ মেহেন্দির মনে ওই সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ এর ঘটনাটাকে নিয়ে এখনো সন্দেহ রয়েছে। এদিকে বাড়িতে এসে বৈদেহি এবং মেহেন্দির মুখোমুখি হয় জগদ্ধাত্রী রূপী দুর্গা। জানায় জগদ্ধাত্রী হত্যা মামলার তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রথম কোন অফিসার নিজের কেসের তদন্ত নিজে করছে।
