ময়ূরীর ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল টপকে কিছুটা থিতু হয়েছে মেঘ। নিজের জীবনকে আপাতত ধীরে ধীরে গড়ে তুলছে সে। নীলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব এখনও কমেনি। তবে অভিমানের বরফ গলছে ক্রমে। যদিও বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেনি মেঘ-নীল। আদালত তাঁদের ছয় মাসের সময় দিয়েছে। তারপরই তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। যদিও, দূরে থাকলেও মনে মনে নীলকে মিস করছে মেঘ। নীলও চাইছে মেঘ তাঁর কাছে ফিরে আসুক।
মেঘের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার অপরাধে হাজতবাস করছে রূপ। কিন্তু, ময়ূরী এখনও শাস্তি না পাওয়ায় খানিক অসন্তুষ্ট ‘ইচ্ছে পুতুল’ দর্শক। ময়ূরীর কাছ থেকেই মেঘ জানতে পারে নীল শহর ছেড়ে দূরে যাচ্ছে। আর জানার পরই অস্থির হয়ে ওঠে সে। মেঘ ছোটে দিল্লিগামী ট্রেনে নীলকে শহর ছাড়া থেকে আটকাতে। অন্যদিকে মেঘের মা চাইছে মেঘ এবার সংসার করুক। নীল না হোক অন্য কোনোও সুপাত্র আসুক মেঘের জন্য।
নীলের সঙ্গে মেঘের দূরত্বের অবকাশে জিষ্নুর সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হয় মেঘের। অনুরাগীদের মনে হয়েছিল হয়তো জিষ্নুই হবে মেঘের দ্বিতীয় নায়ক। কিন্তু সেই সম্ভাবনা নিতান্তই ক্ষীণ। কারণ মেঘ জিষ্নুকে বন্ধু ছাড়া প্রেমিকের চোখে দ্যাখে না। অন্যদিকে, রূপের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকে জিষ্নুর সঙ্গে বন্ধুত্ব গাঢ় হয়েছে গিনির।
এখন টলিপাড়ার কানাঘুষো, গিনির সঙ্গে জিষ্নুর সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে। অর্থাৎ খুব শীঘ্রই গিনি ও জিষ্নুর মধ্যে ভালোবাসা গড়ে উঠবে। রূপের সঙ্গে ভয়াবহ বৈবাহিক সম্পর্কের ভীতি কাটিয়ে জিষ্নুর সঙ্গে আবারও সম্পর্কে বাঁধা পড়বে গিনি। শুধুই গিনি নয়, মেঘ ও নীলের মিলও হতে চলেছে খুব শীঘ্রই। যাবতীয় মান অভিমান ভুলে এক হতে চলেছে মেঘনীল। বিচ্ছেদের আগেই ফের গাঁটছড়া বাঁধবে তাঁরা।
আরো পড়ুন: “তুই গোডাউনে আগুনটা কেন লাগালি?” রুদ্রমূর্তি ধারণ করে ইশাকে শা’য়েস্তা করলো পর্ণা!
জানা যাচ্ছে, ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Icche Putul) ধারাবাহিকে দেখানো হবে জোড়া বিয়ের মহাপর্ব। একদিকে যেমন গিনি ও জিষ্নুর চারহাত এক হবে, অন্যদিকে মেঘ ও নীল তাঁদের সম্পর্ককে নতুন পরিণতি দেবে। আর এভাবেই শেষ হবে ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকটি। দর্শকদের চাহিদা মতো মেঘনীলের সাত পাকে বাঁধা পড়া শীঘ্রই দেখাতে চলেছে জি বাংলা।
