জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ডায়মন্ড দিদি জিন্দাবাদ (Diamond Didi Zindabad)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, হৃদানকে একজন ফুড ব্লগার (food blogger) হিসেবে দেখালেও আসলে সে একজন ফুড ব্লগার নয়। তার গোপন একটি পরিচয় আছে, সে একজন তদন্তকারী অফিসার।
দু’ষ্কৃতিদের ধরবার জন্য সে এই রকম ছদ্মবেশ নিয়ে থাকে। আর সে জানে দুষ্কৃতি’কারীদের কাছে সে পৌঁছতে পারবে ডায়মন্ডের চপের দোকানের মাধ্যমে। সেই কারণে ডায়মন্ডের সাথে সে বন্ধুত্ব করে আর ডায়মন্ডের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেয়। এরপর দুষ্কৃতিদের হাত থেকে ডায়মন্ডকে বাঁচাতে একদিন সে বাধ্য হয় গণবিবাহ মণ্ডপে গিয়ে ডায়মন্ডের সিঁথিতে সিঁদুর দিতে।
বিয়ের পরেও হৃদান ডায়মন্ডকে নিজের স্ত্রী হিসেবে মানতে পারেনা। তার অতীতের প্রেমিকার কথা তার প্রায়ই মনে পড়ে আর হৃদানের জীবনে যে কেউ আছে সেটা বুঝতে পারে ডায়মন্ডও। কিছুদিন আগে দেখা যায় যে, হৃদানের জন্মদিনে খুব সুন্দর করে বাড়ির সাজিয়ে বড় করে সেলিব্রেশন করে ডায়মন্ড।
কিন্তু হৃদান এইভাবে ঘর সাজানো এবং তার জন্মদিন নিয়ে এইভাবে সেলিব্রেশন দেখে রেগে যায় এবং সে অত্যন্ত রিয়্যাক্ট করে বসে তখন হৃদানের জন্য বানানো পায়েস খেয়ে নেয় ডায়মন্ড। কিন্তু হৃদানের জামাইবাবু সেই পায়েসে বি’ষ মিশিয়ে রেখেছিল সেটা কেউই জানতো না। তাই পায়েসটা খাওয়ার পরে পড়ে যায় হৃদান।
এইসময় ডায়মন্ড যখন হাসপাতালে ভর্তি ছিল তখন হৃদানের অনুভূতি ভালোমতো বুঝতে পারা যায়। সে একটু একটু করে ডায়মন্ডের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েছে সেটা বোঝা যায়। এরপর সম্প্রতি একটু নতুন প্রোমো (new promo) দিয়েছে। এই প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে যে, ঘুড়ির খেলা হচ্ছে যে খেলাতে ডায়মন্ড কে সাহায্য করতে গিয়ে কাছাকাছি এসেছে হৃদান আর ডায়মন্ড।
আরও পড়ুন: ফুলশয্যার পর দিনই ঘর ছেড়ে পালাল রোহিত! দক্ষ যোগ্য বাঁধলো ফুলকি!
এরপর ডায়মন্ডের শাশুড়ি মানে হৃদানের মা বলে,হৃদান তুই আজ ডায়মন্ডকে নিজের মনের কথা বলবি। আজ আমরা সকলেই শুনতে চাই ,আমাদের ডায়মন্ডকে তুই কতোটা ভালবাসিস এই সময় দেখা যায় হৃদানের গার্লফ্রেন্ড সেখানে চলে এসেছে, যেটা শুনে ঘুড়ির লাটাই পড়ে যায় ডায়মন্ডের হাত থেকে।
