যখন মানুষের মনে মাথায় শয়তান বাসা বাঁধে তখন সে সব কিছু করতে পারে। বর্তমানে ঠিক তেমনটাই করছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান খলনায়ক রুদ্ররূপ সান্যাল। ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি তাকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও পুলিশের আওতায় আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু সেই জাল কেটে বেরিয়ে যায় রুদ্র। এখন এর প্রতিশোধ স্বরূপ ফুলকির জীবনে কোন অন্ধকার নেমে আসে সেটাই দেখার বিষয়। গত সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থানে ছিল এই মেগা।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রুদ্র একজন অত্যন্ত চালাক একটা লোক। বাঁচানোর জন্য অন্য কাউকে মেরে ফেলা তার বাঁ হাতের খেলা। এমনই কিছু একটা পরিকল্পনা করে ফেলেছে। অন্য একটা লোককে নকল রাজাবাবু সাজিয়ে তাকে এনকাউন্টারে মেরে ফেলে রুদ্র। যার ফলস্বরূপ পুলিশের হাতে আর কোনো প্রমাণ থাকে না। একপ্রকার বাধ্য হয়ে তাকে ছেড়ে দিতে হয় তাদের। ঘটনা জানতে পেরে ফুলকি বুঝতে পারে সবটাই জামাইবাবুর পরিকল্পনা।

ফুলকি আজকের পর্ব ১৬ জুন (Phulki Today Episode 16 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রুদ্র বাড়িতে প্রত্যেককে বলে দেয় ফুলকির জন্যই তাকে এত অপমানের শিকার হতে হলো। ফুলকি বলেছিল এই সব কিছুর পিছনে রুদ্র দায়ী। সবটা শুনে শুনে ভীষন রেগে যায় হৈমন্তী। সে ফুলকিকে চড় মারতে যায়। কিন্তু তাকে আটকে দেয় রোহিত। রোহিত বলে, সন্দেহ করাটা দোষের নয়। হৈমন্তীও তার ছেলের মৃত্যুর জন্য রোহিতকে সন্দেহ করে। কিন্তু সে নির্দোষ। ঠিক তেমনি ফুলকিও একটা সন্দেহ করেছে মাত্র। রোহিতের কথা শুনে আর কিছু বলতে পারে না হৈমন্তী।
সবার সামনে রুদ্রকে রাজাবাবু বললো ফুলকি
এরপর জেঠুর কথা মত বাড়িতে একটা খাওয়া দাওয়ার অনুষ্ঠান করা হয়। সবাই মিলে হইহুল্লোড় করে খাওয়া দাওয়া করতে থাকে। কিন্তু ফুলকি কিছুতেই শান্তি পায় না। সে পান্ডেজিদের জন্য একটুখানি খাবার আলাদা করে গুছিয়ে রাখে। এরপর সে একটা ছোট্ট পরীক্ষা করে রুদ্রর ওপর। সবার সামনে রাজাবাবু বলে ডেকে ওঠে সে। যেটা শুনে বিষম খায় রুদ্র। তারপর রাগারাগি করতে করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। ফুলকির সন্দেহ যে ভুল নয় সেটা এখান থেকে প্রমাণিত হয়।
আরও পড়ুনঃ তিন বছর এগিয়ে গেলো গল্প! পূর্ণতার সাথে সুন্দর সমাপ্তি পেলো জল থই থই ভালোবাসা! শেষ হলো কোজাগরীর গল্প
এরপর ফুলকি আর রোহিত বেরিয়ে পড়ে পুলিশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে। সেখানে গিয়ে তারা পান্ডেজির সঙ্গে দেখা করে। তিনি বলেন, রুদ্রর ওপর তাদেরও সন্দেহ হচ্ছে কিন্তু তাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই। এরপর ফুলকি তাদেরকে জানায়, রুদ্রকে যখন জেরা করার জন্য তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন রুদ্র ঈশিতাকে ফোন করে আর তারপর ঈশিতা বেরিয়ে যায় বাড়ি থেকে। তার কিছুক্ষণ পরেই সেই নকল রাজাবাবু এনকাউন্টারে মারা যায়। রুদ্র জেরা চলাকালীন ফোন করেছে জানতে পেরে অবাক হয়ে যায় পান্ডে। সে আবারও রুদ্রর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার কথা দেয় ফুলকিকে।
