Bangla Serial

‘ইচ্ছে পুতুলের’ অন্তিম পর্বে চমক! হাসপাতালের বেডে শুয়ে ময়ূরীর সঙ্গে দেখা করতে চাইল মেঘ! মেঘের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিল ময়ূরী

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Ichche Putul)। এই ধারাবাহিক বর্তমানে পৌছে গিয়েছে অন্তিম পর্বে। ধারাবাহিকের শেষ পর্ব সম্প্রচারিত হয়েছে জি বাংলার পর্দায়।ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছিল দুই বোন মেঘ ও ময়ূরীর গল্প অবলম্বনে। যাঁরা দুজন এক রক্তের টানে আবদ্ধ। ছোট থেকে মেঘ বড়ো হয়েছে ময়ূরীর হাতের ‘ইচ্ছে পুতুল’ হয়ে। ময়ুরীকে রক্ত দিয়ে বাঁচানোর জন্যই যেন মেঘ রয়ে গিয়েছে এই পৃথিবীতে।

তবে ময়ূরীর পাত্র নীলের সঙ্গে বিয়ে হওয়া ও সবার চোখের মণি হয়ে উঠতে মেঘের প্রতি প্রতিহিংসায় জ্বলে যায় ময়ূরী। যদিও মেঘ তার দিদিভাইকে সব সময় ভালোবেসে এসেছে। ময়ূরী তাঁর ছোট বোন মেঘের উপর নানান অত্যাচার করেছে। এমনকি মেঘকে গুলি করে মারতেও হাত কাঁপেনি ময়ূরীর। যদিও গুলি কাছ ঘেঁষে চলে যায় ও জেল হাজতে বন্দি হয় ময়ূরী।

জেলের ভিতর মারপিট করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ময়ূরী। সেদিন ছিল মেঘের বৌভাতের রাত। অসুস্থ ময়ূরীর কথা শুনে হাসপাতালে ছুটে আসে কর্তব্যপরায়ণ মেঘ। কিন্তু ব্লাড ডোনেট করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। একই হাসপাতালে ভর্তি হয় দুই বোন মেঘ ও ময়ূরী। মেঘ একটু সুস্থ হতেই ফের তাঁর দিদিভাইকে বাঁচাতে ছুটে আসে। দ্বিতীয়বার ব্লাড ডোনেট করে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে থাকে মেঘ।

তবে নীলের মা ডক্টর মীনাক্ষীর হাতের মিরাকেলে সুস্থ হয়ে ওঠে মেঘ। অন্যদিকে ময়ূরীও সবটা শুনে নিজের ভুল বুঝতে পারে। অপরাধবোধে দগ্ধ ময়ূরী ছুটে আসে ছোট বোন মেঘকে একবার স্বচক্ষে দেখার জন্য। কিন্তু কেউ তাঁকে বিশ্বাস করেনা। উল্টে মেঘের ঘরের সামনে থেকেই ফিরে যেতে হয় ময়ূরীকে। এদিকে মেঘ হাসপাতালে শুয়ে বুঝতে পারে যে তাঁর দিদিভাই দরজার কাছ থেকে ফিরে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পরম বন্ধু থেকে চরম শত্রু হয়ে শ্যামলীর জীবনে ফিরে এলো কিঞ্জল! ধারাবাহিকে নতুন মোড়!

মেঘ নীলের কাছে অনুরোধ করে, সে একবারটি তাঁর দিদিভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে চায়। মেঘের জেদের কাছে হেরে যায় নীল। ময়ূরীকে সে মেঘের ঘরে নিয়ে আসে। মুখোমুখি সাক্ষাত হয় দুই বোনের। ময়ূরী ক্ষমা চায় মেঘের কাছে। সে বলে, এখন থেকে মেঘ আর তাঁর হাতের ‘ইচ্ছে পুতুল’ নয়।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন