Bangla Serial

রায়ানের সাহায্যে দুষ্টচক্রের পর্দাফাঁস, গুন্ডাদের হাত থেকে রক্ষা পেল পারুল-মল্লার

বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা (Parineeta) প্রতিদিনই দর্শকদের নতুন চমক দিচ্ছে। শুরুতে নানা সমালোচনার মুখে পড়লেও এখন ধারাবাহিকটি দর্শকের তালিকায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। টিআরপি-র ফলাফলই তার প্রমাণ। গতকালের পর্বেও গল্পে দেখা গেল টানটান উত্তেজনা, যেখানে পারুলকে আবারও সমস্যায় পড়তে হয়।

গল্পে দেখানো হয়েছে, বাবেল কোম্পানির মালিক বুঝতে পারে বাজারে জিপসি কোম্পানি এলে তাদের ব্যবসা আর টিকবে না। তাই সে গুন্ডাদের কাজে লাগিয়ে পারুল এবং মল্লারকে সরিয়ে দিতে চায়। বাড়ি ফেরার পথে তাদের উপর হামলাও হয়। ঠিক সেই সময়ে রায়ান এসে পারুলদের বাঁচিয়ে দেয়। এরপর পারুল সব ঘটনা খুলে বলে রায়ানকে। রায়ানও আশ্বাস দেয়, এবার সে তাদের পাশে থাকবে। শিরিন যেখানে কাজের নামে ফাঁকি দিচ্ছে, সেখানে রায়ানই আসল দায়িত্ব নিচ্ছে—এমনটাই বোঝানো হয়েছে।

এরপর বাড়িতে ফেরার পর পারুলকে নতুন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। রায়ানের মা তাকে সব গৃহকর্ম করতে বাধ্য করেন। জামাকাপড় ধোওয়ার সময় সোপ পাউডারের কুপন থেকে পারুলের মাথায় আসে এক বুদ্ধি। সেই কুপনকে টোপ বানিয়ে রায়ান, পারুল ও মল্লার একসাথে কোল্ড ড্রিংকস কোম্পানির সমস্যার সমাধান করার পরিকল্পনা করে। তারা ঘোষণা দেয়, নির্দিষ্ট বোতলে থাকা কোড মেলাতে পারলেই পাওয়া যাবে পাঁচ লক্ষ টাকা। এই লোভে পড়েই ক্লাবের দুই দোষী ধরা পড়ে যায়। পুলিশ এসে তাদের গ্রেফতার করে এবং পুরো রহস্য ফাঁস হয়ে যায়।

পরদিন কলেজে সবার প্রশংসা কুড়োয় পারুল ও মল্লার। তবে পারুল সবার সামনে স্বীকার করে, রায়ানের সাহায্য ছাড়া এ কাজ সম্ভব হত না। শেষে তিনজনকেই এক লক্ষ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়। কিন্তু বোনের বিয়ের বাইক কেনার জন্য এই টাকা যথেষ্ট নয়। তখন মল্লার আর রায়ান মিলে নিজেদের ভাগের টাকাটাও পারুলকে দিয়ে দেয়। প্রথমে নিতে না চাইলেও, তাদের জোরাজুরিতে শেষমেশ রাজি হয় পারুল।

আরও পড়ুনঃ শত্রুপক্ষের কড়া শাস্তি! ফুলকিকে অপমানের জবাব! রুদ্র ঈশিতার বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দিল ফুলকি

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বাইক কেনার পথে আবারও রায়ানের সঙ্গে পারুলের মনোমালিন্য তৈরি হয়। ঠিক কী নতুন ঝড় আসছে তাদের জীবনে, সেটাই দেখা যাবে আগামী পর্বে। দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এই মোড়।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন