জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা এখন একেবারে জমজমাট জায়গায় দাঁড়িয়ে। দর্শকেরা প্রতিদিন নতুন মোড় দেখতে পাচ্ছেন, তাই একটা এপিসোডও মিস করতে চাইছেন না কেউ। গল্পের টানটান উত্তেজনাই এই ধারাবাহিককে সবসময় টিআরপি তালিকায় উপরে রাখছে। আর গতকালের পর্বে যেন রহস্য আরও ঘনীভূত হল।
গল্পে দেখা গেল, পারুলরা ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে জানতে পারে একটি নতুন কোল্ড ড্রিংকস কোম্পানি বাজারে এসেছে। নাম ‘জিপসি’। কিন্তু শুরুতেই বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা। সমস্যার সমাধান খুঁজতে সাহায্য চাইছে কোম্পানি, আর যার পরামর্শ কাজে লাগবে, তাকে তিন লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এই টাকার কথা শুনে পারুলের মনে একটু ভরসা জাগে—এটাই তার বোনের বিয়ের খরচ জোগাড় করার সুযোগ।

কোম্পানি অংশগ্রহণকারীদের টিম ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে সার্ভে করার দায়িত্ব দেয়। পারুল আর মল্লার এক টিমে পড়ে যায়। তারা মাঠে নেমে দেখে, স্বাদে জিপসি আসলে বাবেল নামের জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের থেকেও ভালো। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, বাজারে বিক্রি একেবারেই নেই। তদন্তে গিয়ে তারা প্রথম দোকানদারের কাছ থেকে জানতে পারে, প্রথমদিনই ২০০ বোতল বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু এরপর আর একটিও বিক্রি হয়নি। দ্বিতীয় দোকানেও একই ঘটনা। সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে দেখা গেল—একই দুজন লোক আলাদা দোকান থেকে সব বোতল কিনে নিচ্ছে।
পুলিশকে ফুটেজ দেখালে জানা যায়, ওই দুজন আসলে এক বড় ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত, যাদের হাত অনেক দূর পর্যন্ত। এরপর পারুল-মল্লার সরাসরি গিয়ে প্রশ্ন তুলতেই ক্লাব কর্তারা তাদের চুপ করিয়ে দেয়। তখনই সন্দেহ আরও বাড়ে। পারুল বুঝে যায়, আসলে বাবেল কোম্পানি টের পেয়েছে জিপসি বাজারে এলেই তাদের অবস্থান নড়ে যাবে। তাই তারা লোক লাগিয়ে বাজার থেকে বোতল উধাও করেছে। শুধু তাই নয়, সার্ভে চলাকালীন খবর পেয়ে পারুল-মল্লারকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্তও রচনা করা হয়।
আরও পড়ুনঃ ঈশিতার প্রত্যাবর্তনে নতুন ঝড়! নিজের কবর নিজেই খুঁড়লো রুদ্র, ফুলকির জীবনে বাড়লো অশান্তি
ফলস্বরূপ, রাতে বাড়ি ফেরার পথে গুণ্ডাদের হাতে পড়তে যাচ্ছিল তারা। ঠিক সেই মুহূর্তে হাজির হয় রায়ান, এবং দুজনকে বাঁচায়। পরের দিন পারুল, মল্লার আর রায়ান একসঙ্গে বেরিয়ে পড়ে জিপসি কোম্পানির সমস্যার মূল সমাধান খুঁজতে। এখন দেখার বিষয়, সত্যিই কি তারা বাবেলের এই চক্রান্ত ফাঁস করতে পারবে? আগামী পর্বে মিলবে সেই জবাব।
