বাবাকে ফেরানোর শপথ নিয়ে একেবারে মাঠে নেমে পড়েছে ফুলকি। কিন্তু এবার কাহিনি আরও জটিল— বড় রাজাকে অপহরণ করে ছোট রাণীর দল যেন খেলার মোড়টাই ঘুরিয়ে দিতে চাইছে।
জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি বরাবরই দর্শকদের চমকে দেয়। এই ক’দিনের পর্বে উত্তেজনা যেন তুঙ্গে। ছোট রাণীর দলের এক মন্ত্রী মঞ্চে দাঁড়িয়ে চাকরি, সাইকেল, বাইকের পাহাড়সম প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন। ফুলকি মঞ্চে উঠে সোজা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়— এতদিন চোরাকারবার আর নিষিদ্ধ ব্যবসা থেকে যে টাকা উঠেছে, সেটা সাধারণ মানুষের জন্য কেন খরচ হয়নি?
মন্ত্রী অবশ্য সব অস্বীকার করে বললেন, এসব নাকি ছোট রাণীর ব্যক্তিগত কাজ। কিন্তু রোহিত কাগজপত্র দেখিয়ে প্রমাণ করে দিল— মন্ত্রীর কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভিড়ের লোকজন মন্ত্রীকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয়, এমনকি স্বাধীনতা দিবসে পতাকা তোলার সুযোগও দেয়নি। সেই দায়িত্ব যায় ফুলকির হাতে।
এদিকে ছোট রাণীর দল বুঝে যায়, ফুলকিকে হারাতে হলে বড় কিছু করতে হবে। ঠিক হয়, যেভাবেই হোক ফুলকিকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া যাবে না। আর ঠিক তখনই, সকালে হাঁটতে বেরিয়ে বড় রাজা রহস্যজনকভাবে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
ফুলকি দৌড়ে থানায় যায় অংশুর কাছে। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে অপহরণের মুহূর্ত। তারই মধ্যে বাড়িতে আসে একটি বড় উপহারের বাক্স। রোহিত সন্দেহে সেটি না খুললেও, ফুলকি বুঝে যায় এখানে বোমা নয়, বরং কোনও বার্তা লুকোনো আছে। সত্যিই, বাক্সের ভিতরে পাওয়া যায় একটি চিঠি— মনোনয়নপত্র জমা না করলে তবেই বড় রাজা ফিরবেন। কিন্তু চিঠিটা প্রমাণ হিসেবে রাখার আগেই রহস্যজনকভাবে পুড়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ঋষভকে প্রেমের ফাঁদে ফেলার আগে হবু শাশুড়ি মাকে পটিয়ে নিল দুর্গা! প্রেমের ফাঁদেই রয়েছে দুর্গার ম’রণফাঁদ
প্রেস কনফারেন্সে ফুলকি সবার সামনে ঘোষণা করে— বাবাকে যেভাবেই হোক খুঁজে বের করবে, আর ভোটের জন্য মনোনয়নও জমা দেবে। এখন দেখার, এই লড়াইয়ে কে জেতে— ফুলকি নাকি ষড়যন্ত্রের খেলোয়াড়েরা।
