জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা-তে এবার টুইস্টের পর টুইস্ট! গতকালের এপিসোডে যা ঘটেছে, তা দেখে দর্শকরা রীতিমতো শিউরে উঠেছে। রায়ান আর পারুলের মধ্যে যে ঠান্ডা লড়াই চলছে, সেটা এবার দাদুও টের পেয়ে গেলেন। কিন্তু কীভাবে তাদের ফের এক করা যায়—এই চিন্তায় অস্থির তিনি আর ঠাম্মি। শেষমেশ ঠাম্মি পারুলকে নিয়ে হাজির হন গুরুদেবের আশ্রমে, যাঁর ‘আশীর্বাদে’ নাকি জীবনের সব জট খুলে যায়। গুরুদেব তো একেবারে ভবিষ্যৎদ্রষ্টা!
পারুল সব ঘটনা খুলে বলেন গুরুদেবকে—রায়ানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, দূরত্ব, কষ্ট—সবকিছু। গুরুদেব পারুলের হাত দেখে চমকে ওঠেন। তিনি বলেন, পারুলের সামনে এক বিশাল সত্যি আসতে চলেছে, যা ওর গোটা জীবন বদলে দিতে পারে। এমনকি জীবন বিপন্ন হতে পারে বলেও সাবধান করে দেন। ঠাম্মি তো এসব শুনে আরও চিন্তায় পড়ে যান।
এরই মধ্যে, পথে যেতে যেতে পারুলের ইউনিভার্সিটি থেকে ফোন আসে। প্রজেক্ট জমা দেওয়ার ডেডলাইন মাথা থেকে বেরিয়ে গেছিল—তা শুনে সে গাড়ি থেকে নেমে যায় প্রজেক্টের জন্য জিনিস কিনতে। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। এক বেপরোয়া গাড়ি প্রায় ধাক্কা মারতে যাচ্ছিল পারুলকে। অল্পের জন্য বাঁচে সে, কিন্তু গাড়িটা গিয়ে সোজা ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা মারে। পারুল ছুটে যায় গাড়ির ভেতরটা দেখতে, আর দেখেই চমকে ওঠে—ওই গাড়িতেই রয়েছে শিরিনের বাবা! সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পারুল। রাস্তাতেই শিরিনকে ফোন করে জানায়।
হাসপাতালে পৌঁছে ডাক্তার জানায়, প্রচুর রক্ত ঝরেছে—এক্সিডেন্ট বেশ গুরুতর। রক্ত না পেলে প্রাণ সংশয়। পারুল নিজেই রক্তদাতা হয়ে এগিয়ে আসে। জানে না, যাকে রক্ত দিচ্ছে, তিনিই তার জন্মদাতা! দর্শকরা এখন একটাই প্রশ্ন করছে—কবে জানবে পারুল তার জীবনের এই চরম সত্যিটা? আর তখন তার জীবনে কী ঝড় আসবে?
আরও পড়ুনঃ ফুলকির ঘুষিতে কেঁপে উঠল প্রীতম কুমার, ফাঁস হল রুদ্রর ছদ্মবেশ!
আর একটা দারুণ সিন? শিরিনের অভদ্রতামি সহ্য না করে পারুল মাটিতে পড়ে থাকা খাবার তুলে সোজা ওর মুখে গুঁজে দেয়! বলাই বাহুল্য, সেই দৃশ্য দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই পড়ে গেছে। এই পর্বে যেমন ইমোশন ছিল, তেমনই ছিল ধামাকাদার রিভেঞ্জ মোড। একদিকে পারুলের মানবিক রূপ, অন্যদিকে তার সাহসী প্রতিবাদ—সব মিলিয়ে পরিণীতা এখন পুরোদস্তুর হাই ভোল্টেজ ড্রামা!
