জি বাংলার ‘ফুলকি’ এখন যেন প্রতিদিনের আবেগ! একটা পর্বও মিস করতে চাইছেন না দর্শকরা, আর হবে নাই বা কেন? একটার পর একটা টুইস্টে জমে উঠেছে গল্প—দর্শকদের চোখের পলক ফেলাই যেন দায় হয়ে উঠেছে। সিরিয়ালের সাম্প্রতিক এপিসোডগুলোতে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়েই এগোচ্ছে কাহিনি। ফুলকি যে এবার আর শুধু পরিবারের মেয়ে নয়—সে লড়াকু, সাহসী, এবং এখন রাজনীতির ময়দানের নতুন মুখ।
দেখানো হয়, ফুলকি নিজেই বিচারকের কাছে আবেদন করে সত্যিটা বলার। ২৪ বছর আগের সেই ভয়ংকর ঘটনা—যেখানে বড় রাজার ছেলেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, আর বিশ্বস্ত কর্মচারীকে খুন—তা কি অত সহজে ভুলে যাওয়ার মতো? ফুলকির কথায় বিচারক রীতিমতো নাড়া খান, তবে সঙ্গে সঙ্গে রায় না দিয়ে নেন বিরতি।

এদিকে কোর্টের বাইরেও ঘটছে চমকপ্রদ ঘটনা। এক ক্ষমতাবান লোককে কথায় কথায় কিছু শুনে ফেলে ফুলকি। সে বুঝতে পারে, এই কেসে এখনই সব ওলোটপালট হয়ে যেতে পারে। রোহিত তাকে আশ্বস্ত করে—সবটা পরিষ্কার হবে কোর্টে গিয়েই।
আবার শুরু হয় কোর্টের কার্যক্রম। ধানুর থেকে ফুলকি জানতে পারে একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি সাক্ষী দিতে আসছেন। বড় রাজার চিকিৎসকও আদালতে হাজির হন। তিনি জানান, কিছু কিছু স্মৃতি ফিরেছে রাজার—কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি নয়। বিচারক যদিও বাস্তব প্রমাণ চেয়ে তাঁর বয়ান খারিজ করে দেন।
এরপর আসে সেই প্রত্যাশিত মুহূর্ত—নিরপেক্ষ দলের সেই ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে ওঠেন। ছোট রানীর উকিল আপত্তি করলেও বিচারক অনুমতি দেন। তিনি জানান, সীতারামের সঙ্গে একসময় তাঁর বিজনেস ছিল এবং ২৪ বছর আগে ছোট রানীর প্ররোচনায় সীতারাম ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই সাক্ষী ভয়ে কানাডায় পালিয়ে গিয়েছিলেন।
তার কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ছোট রাণী। কিন্তু সীতারামের সঙ্গে তাঁর বিজনেস পার্টনারশিপ প্রমাণিত হয়। বিচারকের কাছে আর কোনো সন্দেহ থাকে না। সবদিক বিবেচনা করে ছোট রানীকে শেষমেশ দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর এখানেই পাল্টে যায় ফুলকির জীবনের গতিপথ।
আরও পড়ুনঃ রাজনাথ মুখার্জির প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে ম্যাগাজিন বের করবে দুর্গা! নিজের সিদ্ধান্তে শত্রুপক্ষের ফাঁদে পড়ে গেলো সে
একটা দীর্ঘ লড়াইয়ের শেষে এবার দায়িত্ব তার কাঁধে। প্রেস কনফারেন্সে সে জানায়—এবার থেকে সে নিজে দেখবে, রাজ্যের মানুষের যেন কোনও কষ্ট না হয়। তাদের নিরাপত্তা, তাদের প্রাপ্য—সবটা সে নিশ্চিত করবে। তবে গল্পটা এখানেই শেষ নয়! ঠিক তখনই প্রবেশ বিরোধী দলের নেত্রীর—শুভেচ্ছার নামে আসে অদ্ভুত বার্তা। শুভেচ্ছা? নাকি নতুন ঝড়ের পূর্বাভাস? এই উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতেই হবে পরবর্তী পর্বে!
