জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরিণীতা’ এই মুহূর্তে জমে উঠেছে একেবারে অন্য লেভেলে। প্রতিযোগিতা, চ্যালেঞ্জ, প্ল্যানিং—সবকিছু মিলিয়ে একেবারে টানটান উত্তেজনা! আর এই উত্তেজনার কেন্দ্রে এখন পারুল, রায়ান আর শিরিন।
গতকালের পর্বে তো পারুল একেবারে বাজিমাত! শিরিনের পেছনে থাকা দুই ফ্যানকে লক্ষ্য করে সে বুঝে ফেলে, খেলায় শিরিনের চালাকি কোথায়। আর সেখানেই মাথা খাটিয়ে—বলাই ভালো, ফিজিক্স কাজে লাগিয়ে—সে শিরিনকে দ্বিতীয় রাউন্ডেই হারিয়ে দেয়! শিরিন তো হতবাক, কিভাবে হঠাৎ করে এতটা ভালো খেলছে পারুল, কিছুতেই মাথায় ঢোকাতে পারছে না।

ঘুরে দাঁড়ানো পারুলকে দেখে খুশি গোটা পরিবার। মৈনাক, পিসি, এমনকি শিরিনের বাবাও পারুলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। পারুল যেন এক নতুন উদ্যমে ভরপুর! কিন্তু এই প্রশংসা একেবারেই ভালোভাবে নিতে পারছে না শিরিন। দূর থেকে সে কান খাড়া করে শুনে ফেলে কিভাবে পারুল তাকে হারিয়েছে। এবার তো সে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না—খেলা শুরুর আগেই ফ্যান সরিয়ে দিতে বলে, পারুলকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দেয়।
পারুলও যেন তৈরি ছিল, চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করে নেমে পড়ে মাঠে। তবে দুর্ভাগ্যবশত মাঝপথেই পা হড়কে পড়ে যায় সে। আগেই পায়ের সমস্যা ছিল, তার ওপর এই চোট—খেলাটা তার কাছে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর সেই মুহূর্তে শিরিন আর তার বন্ধুরা শুরু করে হাসাহাসি। কিন্তু রায়ান এসে তাদের চুপ করায়—বলেই ফেলে, এতটুকু মানবিকতা কি নেই ওদের?
প্রফেসররাও জানতে চান, পারুল খেলতে পারবে তো? কিন্তু না, পারুল থামার মেয়ে নয়। শেষ পর্যন্ত নিজের বুদ্ধি আর সাহসে আবার মাঠে নামে এবং শিরিনের নিজের কৌশলেই তাকে হারিয়ে দেয়। পৌঁছে যায় ফাইনালে! এমনকী শিরিনের বাবাও পারুলের খেলা দেখে মুগ্ধ হয়ে যান।
তবে শিরিন এত সহজে হার মেনে নেওয়ার মেয়ে না। সে ভিতরে ভিতরে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। আর এরপরই ঘোষণা—পরের রাউন্ডে মুখোমুখি পারুল আর রায়ান!
আরও পড়ুনঃ ছোট রাণীকে বাঁচাতে জাঁদরেল উকিল ঠিক করল রুদ্র! তবে কী শেষমেষ হেরে যাবে ফুলকি?
পারুল জানিয়ে দিয়েছে, রায়ানকে এক ইঞ্চিও ছেড়ে কথা বলবে না। কে জিতবে এবার চ্যাম্পিয়নের মুকুট—রোমাঞ্চকর সেই উত্তর মিলবে আগামী পর্বেই। এখন শুধু অপেক্ষা, কে এগিয়ে যাবে এবার—পারুল না রায়ান?
