এবার কোন ছাড় নেই নিজের হাতে ছোট রাণী ওরফে আশাভরী চৌধুরীকে পুলিশের হাতে তুলে দিল ফুলকি! জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি এখন একেবারে ক্লাইম্যাক্সে। গল্পে টানটান উত্তেজনা, রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা, আর প্রতিদিন নতুন মোড়। যত দিন যাচ্ছে, ততই জমে উঠছে ফুলকির লড়াই।
সাম্প্রতিক পর্বগুলোয় যেটা দেখা গেল, তা একেবারে সিনেমার চেয়ে কম নয়! রুদ্রর লোকজন যখন শিল্পা আর তার মাকে মারতে আসে, তখন ঠিক সময়ে হাজির হয় রোহিত আর ফুলকি। সেই গুন্ডাদের তাড়ায়, কিন্তু তারা পালিয়ে যায়। তারপর থেকেই শুরু হয় ফুলকির সন্দেহ—কেউ কি ওদের গতিবিধি নজরে রাখছে? রোহিতের ধারণাই ঠিক হয়—ফুলকির ফোনে আসলে ছিল ট্র্যাকিং ডিভাইস!

এই খবর পেয়েই ছোট রাণীকে সাবধান করে দেয় ফুলকি। কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
এরপর সনাতনের স্ত্রী শর্বানি ফুলকির হাতে তুলে দেয় এক মূল্যবান ডায়েরি—সনাতনের নিজের হাতে লেখা, যার পাতায় পাতায় লুকিয়ে আছে ভয়ানক সব সত্যি! জানা যায়, ছোট রাণীই আসলে বড় রাণীর সন্তানকে মেরে ফেলতে বলেছিল সনাতনকে! তবে সনাতন সেই কাজ করতে পারেনি। তাই নবাবগঞ্জ হাসপাতালে শিশুটিকে রেখে আসে। এই সত্যি জানায় সনাতনের মৃত্যুও ঘটে।
ফুলকি এবার আর চুপ করে না। সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে স্বাগতাকে, করে FIR, আর ঘটনাটির তদন্তের দায়িত্ব নেয় অংশুমান—মানে, ফুলকির প্রিয় দাদাভাই। বহুদিন পর ভাইকে ফিরে পেয়ে ফুলকি আর রোহিত দুজনেই আবেগে ভেসে যায়।
এরপর শুরু হয় চূড়ান্ত অভিযান। পুলিশ নিয়ে রাজমহলের দরজায় হাজির হয় ফুলকি, সঙ্গে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট। ছোট রাণী পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ফুলকি ওকে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। রাজমহলের গোপন সুড়ঙ্গেও রেহাই নেই—সেখানেই মুখোমুখি হয় তারা। শুরু হয় তুমুল লড়াই, আর শেষমেশ ফুলকির ঘুষিতে কুপোকাত ছোট রাণী!
আরও পড়ুনঃ প্রথমবার নিজের হাতে দুর্গাকে খাইয়ে দিল জগদ্ধাত্রী! মায়ের হাতের খাবারের স্বাদ প্রথমবার অনুভব করল দুর্গা!
ফুলকি এবার এক মুহূর্ত দেরি না করে আশাভরী চৌধুরীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এবার দেখার, এরপর গল্প কোন দিকে মোড় নেয়? বড় রাণী কী প্রতিক্রিয়া জানাবেন? আর ছোট রাণীর জেলে যাত্রা কি সত্যিই শুরু হলো? সব প্রশ্নের উত্তর দেবে ফুলকি–র পরবর্তী পর্ব। একটাও মিস করা চলবে না!
