জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরিণীতা’ (Parineeta)-তে এখন টানটান উত্তেজনা। একদিকে ইউনিভার্সিটির সেরা স্টুডেন্ট হওয়ার লড়াই, আর অন্যদিকে পারুলের জীবনের কঠিন মুহূর্ত। রায়ান, শিরিন আর পারুল – এই তিনজন এখন মুখোমুখি প্রতিযোগিতায়। তবে শেষ হাসিটা আপাতত হাসল পারুলই।
গত পর্বে দেখা গেল, পারুল সাহস করে সরাসরি রায়ানের মাকে জিজ্ঞেস করল – তিনি কেন এমন করলেন? রায়ানের মা নির্লজ্জের মতো বলেও ফেলেন, পারুলের উপর রাগ থেকেই এমনটা করেছেন। তবে পারুল সাফ জানিয়ে দেয়, এইবার ক্ষমা করলেও, পরের বার আর কোনও ছাড় থাকবে না।

ঘরে ফিরে পারুল দেখে, পিসিমণি অপেক্ষা করছেন। পিসিমণি সব বুঝে ফেলায়, পারুল আর মিথ্যে বলতে পারে না। জানায়, রায়ানের মায়ের সম্মানের কথা ভেবেই সে বাড়ির কাউকে কিছু বলেনি। পিসিমণিও পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এদিকে রায়ানের মা আবার নতুন চাল চালছেন। সকালে গোপনে শিরিনের সঙ্গে দেখা করে ফেরত দেন ওর ফোনটা – যেটা দিয়ে পারুলের ভিডিও রেকর্ড হয়েছিল। রায়ানের মায়ের স্পষ্ট কথা, এবার যেভাবেই হোক পারুলকে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে ফেলতেই হবে।
অন্যদিকে, বাড়িতে এক মজার কাণ্ড! মৈনাকের স্ত্রী একা হাতে জলখাবার রান্না করছিলেন। সাহায্য করতে এলে মৈনাককে সে মানা করলেও, ও নাছোড়বান্দা জোর করেই আলুর দম রান্না শুরু করে। কিন্তু ঘটনা ঘটে গিয়ে! কাশ্মীরি লঙ্কার বদলে ও লাল লঙ্কার গুঁড়ো ঢেলে দেয় বেশি করে। ফল? দাদু লুচির সঙ্গে এক চামচ আলুর দম খেয়েই হাঁ করে জলে ছুটলেন!
তবে হ্যাঁ, সব কাণ্ড সামলে অবশেষে সবাই পৌঁছে যায় কম্পিটিশনের জায়গায়। সেখানে সবার জন্য চ্যালেঞ্জ “লঙ্কার গুঁড়ো” দিয়ে একটা ক্যাচি ট্যাগ লাইন বানাতে হবে। সবার চোখ তখন পারুলের দিকে – ও কী লিখবে? সেখানেই দাদুর উপদেশে বাজিমাত! অসাধারণ একটা ট্যাগলাইন দিয়ে পারুল সোজা পৌঁছে যায় সেরা চারে।
এখন প্রশ্ন পারুল কি পারবে সব বাধা পেরিয়ে সেরা হওয়ার লড়াইটা জিততে? রায়ান কি সত্যিই ওর পক্ষ নেবে? আর শিরিন? সে কি চুপ করে থাকবে?
উত্তর পেতে চোখ রাখুন জি বাংলার পরিণীতা-তে! সেরা চারে পারুল! দাদুর বুদ্ধিতেই বাজিমাত শেষ মুহূর্তে — ‘পরিণীতা’য় জমজমাট পর্ব
জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরিণীতা’-তে এখন একেবারে টানটান উত্তেজনা। ইউনিভার্সিটির সেরা স্টুডেন্ট হওয়ার লড়াইয়ে নাম লিখিয়েছে পারুল, রায়ান আর শিরিন। আর এই প্রতিযোগিতায় সবাইকে চমকে দিয়ে সোজা সেরা চারে পৌঁছে গেল আমাদের পারুল — আর সেটা সম্ভব হল দাদুর এক বুদ্ধিতেই।
গত পর্বে দেখা যায়, পারুল আর কোনও লুকোচুরি না করে সরাসরি রায়ানের মাকে গিয়ে প্রশ্ন করে বসে “আপনি এমন করলেন কেন?” রায়ানের মা খুব নির্লজ্জভাবে স্বীকারও করে নেন, পারুলের উপর রাগ থেকেই তিনি ভিডিও লিক করেছিলেন। তবে পারুল তাকে জানিয়ে দেয়, এবার ক্ষমা করলেও, আর একবার এমন হলে রেয়াত করা হবে না।
পারুল বাড়িতে ফিরতেই পিসিমণি তাকে ধরে ফেলে। পারুল লুকানোর চেষ্টা করলেও শেষমেশ সব খুলে বলে। সে চায় না, রায়ানের মায়ের সম্মানহানি হোক, তাই বিষয়টা বাড়ির কাউকে জানাতে নারাজ। পিসিমণিও পারুলের পাশে থাকার আশ্বাস দেয়।
এইদিকে রায়ানের মা কিন্তু থেমে নেই। সকাল সকাল বেরিয়ে পড়েন শিরিনের সঙ্গে দেখা করতে। ওকে ফোনটা ফেরত দিয়ে বলেন, ভিডিওটা আগে ডিলিট করে ফেললেই ভালো হতো। এখন যেভাবেই হোক পারুলকে প্রতিযোগিতা থেকে সরিয়ে দিতে হবে। রায়ানের মা ও শিরিনের মধ্যে এই গোপন চুক্তি অনেক কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ঘরের দিকেও এক মজার ঘটনা মৈনাকের স্ত্রী একা হাতে রান্নায় ব্যস্ত, তাকে সাহায্য করতে চায় মৈনাক। কিন্তু সে সাহায্য নিতে চায় না। তবু মৈনাক জোর করেই আলুর দম বানাতে বসে এবং বিপত্তি বাধে লঙ্কার গুঁড়ো নিয়ে! কাশ্মীরি লঙ্কার বদলে সে যে কী পরিমাণ সাধারণ লাল লঙ্কা মেশায়, দাদু এক চামচ মুখে দিতেই চোখ মুখ একেবারে ঝলসে ওঠে!
আরও পড়ুনঃ শিল্পা সনাতনের মেয়ে জানতে পেরে ছোট রাণীমার কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিল ফুলকি!
অবশেষে প্রতিযোগিতার দিন সবাই হাজির। এবার সবার সামনে টাস্ক: “লঙ্কার গুঁড়ো” নিয়ে একটা স্মার্ট ট্যাগ লাইন বানাতে হবে। পারুল প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে না পারলেও, দাদুর পরামর্শে তৈরি করে এক দুর্দান্ত লাইন। আর সেটা শুনেই বিচারকদের মন জয় করে নেয় সে পৌঁছে যায় সোজা পরবর্তী রাউন্ডে!
এখন প্রশ্ন পরের পর্বে কী হবে? পারুল কি পারবে এই লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে? শিরিনের ষড়যন্ত্র কি সফল হবে? রায়ান কোন পক্ষ নেবে? সব উত্তর মিলবে ‘পরিণীতা’-র পরবর্তী পর্বে। চোখ রাখুন স্ক্রিনে!
