জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ এখন জমে উঠেছে একেবারে টান টান উত্তেজনায়। গল্প যত এগোচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে একের পর এক চমক। টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে থাকা এই সিরিয়াল এখন দর্শকদের রীতিমতো স্ক্রিনে আটকে রেখেছে। আর এই সপ্তাহের এপিসোডগুলো তো যেন রহস্য, উত্তেজনা আর আবেগে ঠাসা!
সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে, রাজবাড়ীতে এসেছে ফুলকির পুরনো পরিচিতরা। একেবারে রাজকুমারী সাজে, নিজের নতুন রূপে তাদের সামনে হাজির হয় ফুলকি। শুরু হয় হইহুল্লোড়, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া। এই ফাঁকে ইন্দ্র চুপিসারে ফুলকির ফোনে একটা বিশেষ ডিভাইস বসিয়ে দেয়— যার মাধ্যমে ছোট রাণীরা ওদের সব কথোপকথন শুনতে পারবে।

সবাই যখন আনন্দে মেতে, তখন ফুলকি আর রোহিত নিজেদের মতো করে কথা বলছিল। আর সেই মুহূর্তেই ফোনের ডিভাইসের দৌলতে ওদের সব কথা শুনে ফেলে ছোট রাণী, রুদ্র আর ছোট রাজকুমার!
এই সময়েই বড় রাণীর কাছ থেকে ফোন আসে— বড় রাজা নিখোঁজ! খবরটা শুনেই ফুলকি, রোহিত আর ধানু শুরু করে খোঁজাখুঁজি। অবশেষে লাইব্রেরি রুমে তারা খুঁজে পায় বড় রাজাকে, যিনি বসে রয়েছেন রাজবাড়ীর পুরনো অ্যালবাম নিয়ে। ছবি দেখতে দেখতে তিনি একবার বলেন, “সনাতন…” এই সনাতন ছিল বড় রাজার সবচেয়ে বিশ্বাসী মানুষ।
আর এখানেই আসে বড় চমক— ছোট রাণীই মেরে ফেলেছিলেন সনাতনকে! কারণ, সনাতন জেনে গিয়েছিল ফুলকি আসলে বড় রাজারই মেয়ে, আর তাকে জন্মের পরই সরিয়ে দিয়েছিলেন ছোট রাণী।
বড় রাজা এসব বলতে বলতে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান। জ্ঞান ফেরার পরও তিনি কিছু বলেন না। রোহিত বুঝতে পারে, হয়তো রাজার স্মৃতি ধীরে ধীরে ফিরছে, তাই তাকে চাপ না দেওয়াই ভালো। কিন্তু ফুলকি থেমে যায় না। এবার তার লক্ষ্য— সনাতনের পরিবারকে খুঁজে বার করা।
আরও পড়ুনঃ সঠিক সময়ে কোর্টে হাজির সাক্ষী জগদ্ধাত্রী! দুর্গার হাত ধরেই সরাসরি বিচারকের সামনে হাজির হলো জ্যাস সান্যাল!
আর এখানেই আরও একটা বড় মোড়— শিল্পা আসলে সেই সনাতনেরই মেয়ে!
এই সত্যিটা জানেন শিল্পার মা, আর সেই কারণেই তিনি চান না শিল্পা রাজবাড়িতে যাক। তাই তো পরদিন লুকিয়ে রাজবাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু এক পুরনো কর্মচারী চিনে ফেলে তাঁকে।
এইদিকে ছোট রাণীও আঁচ পেয়ে গেছেন যে শিল্পার পরিচয়ে লুকিয়ে রয়েছে বড় বিপদ। তাই তিনিও মরিয়া— এই সনাতনের পরিবারকে খুঁজে বার করতেই হবে ফুলকির আগেই!
