জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা-তে জমে উঠেছে উত্তেজনা। ইউনিভার্সিটিতে সেরা ছাত্র নির্বাচনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে রায়ান, পারুল ও শিরিন। এই লড়াইয়ে শিরিনের চক্রান্তে বিপাকে পড়ে পারুল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের মেধা ও আত্মবিশ্বাসে ঘুরে দাঁড়াল সে।
গত পর্বে দেখা যায়, পারুলের প্রস্তুত করা নাচ শিরিন মঞ্চে পরিবেশন করে দেয়। মল্লারের দাদু এই ষড়যন্ত্রের গন্ধ পেয়ে রায়ানকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। রায়ান স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সে এমন নীচ কাজ করতে পারে না এবং নিজেই শিরিনকে ডেকে এনে সত্য সামনে আনে। শিরিন জানায়, নাচের আইডিয়াটি সে পেয়েছে পিসিমণির সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেল থেকে, যা নেহাতই কাকতালীয় বলে দাবি করে সে।

অন্যদিকে, হতাশ পারুল খুঁজতে থাকে বিকল্প পথ। পিসিমণির সাহায্যে সে একটি মিশ্র গানের ট্র্যাকে নাচের পরিকল্পনা করে। মল্লারের সহায়তায় তৈরি হয় নতুন ট্র্যাক, এবং শেষ মুহূর্তে পিসিমণি শেখান কিছু স্টেপ। নাচের সময় পারুলের উপস্থিতি দেখে শিরিন ও রায়ানের মা হতবাক! কিন্তু তারা ভাবে, আহত পারুল কিছুই করতে পারবে না।
তবে রায়ান জানে, পারুল একবার পড়লেও আবার ফিনিক্স পাখির মতো উঠে দাঁড়াতে পারে। আর ঠিক তাই-ই হয়। মঞ্চ কাঁপানো পারফরম্যান্সে বিচারক ও দর্শকদের মন জয় করে পারুল। বিচারকদের প্রশংসা ও সবার ভালোবাসা কুড়িয়ে পরবর্তী রাউন্ডে জায়গা করে নেয় সে।
আরও পড়ুনঃ অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! নিজের পায়ে উঠে দাঁড়ালো জগদ্ধাত্রী! ফাঁস আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব
কিন্তু এখানেই চমক! পারুল শিরিনের ফোন ঘেঁটে দেখে, রায়ানের মা-ই গোপনে পারুলের নাচের ভিডিও পাঠিয়েছেন শিরিনকে। মুখোমুখি হয় সে রায়ানের মায়ের সঙ্গে। মহিলা স্বীকার করে নেন, রাগের বশে এমন কাজ করেছেন। পারুল স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এবার ক্ষমা করলেও ভবিষ্যতে আর ছাড় দেবে না।
শিরিন ও রায়ানের মায়ের চক্রান্তকে হারিয়ে পারুল আবার প্রমাণ করল – সাহস, আত্মবিশ্বাস আর সততার কাছে ষড়যন্ত্র কোনওদিন জয়ী হতে পারে না।
