জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুলকে মিথ্যে খুনের দায়ে ফাঁসানোর জন্য শম্ভুকে খুন করে সমীরণ। শিরিনের মা এই প্ল্যান করে ফাঁসিয়েছে পারুলকে। কিন্তু পারুল তো আসলে খুন করেনি। সেটাই কোর্টে দাঁড়িয়ে এবার প্রমাণ করবে নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে। রায়ানও পারুলকে নির্দেশ প্রমাণ করতে পারুলকে সব রকম ভাবে সাহায্য করেছে। এরপর পারুল বিচারকে বলে একজন মানুষকে খুন করার জন্য যেই শক্তি এবং যেই চাপ প্রয়োগ করতে হয় ছুরির মাধ্যমে সেই প্রেসার পরীক্ষা করে দেখলে সেখানে পারুলের হাতের প্রেসার পাওয়া যাবে না।
গোটাটাই ফিজিক্সের খেলা। এরপর পারুল বলে সে যখন শম্ভুদের ঘরে গিয়েছিল তার আগে সে কোন কিছু স্পর্শ করেনি। শুধুমাত্র শম্ভুদের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকেছে। আর সেই সময় দরজার হাতল হাত দিয়েছে। যে আসলে খুন করেছে সে ওই হাতলটা থেকে পারুলের হাতে চাপ পেয়েছে। যে আসল খুনি সে শুধুমাত্র ছুরির ফলা দিয়ে শম্ভুকে খুন করে ছুরির হাতলটা দরজার সাথে সেট করে দিয়েছিল। আর যখন পারুল সেই হাতলে হাত লাগায় ঠিক তখনই কায়দা করে ওই হাতল ছুরির ফালায় লাগিয়ে দেয়। যার ফলে ফরেন্সি টেস্টে ওই হাতলে পারুলের হাতের ছাপ পাওয়া যায়।
এরপরে পারুল বলে যে আসল খুনি সে শুধুমাত্র ছুরির ফলা দিয়ে খুন করেছে সুতরাং খুন করার সময় তার হাতে নিশ্চয়ই ছুরিতে হাত কেটে গিয়েছে। তাই খুনির হাতে ছুরির কাঁটা দাগ থাকবে। আর খুনি এখানেই উপস্থিত রয়েছে। পারুল সন্দেহ করে আঙ্গুল তুলে ধরে সমীরনের দিকে। বিপদ বুঝে সমীরণ যেই পালাবার চেষ্টা করে তখনই তাকে ধরে ফেলে রায়ান। পারুল ভালো মতো জানত সমীরণ পালাবে। এরপরে সমীরণকে কাঠগড়ায় ডেকে পারুল প্রমাণ করে দেয় সমীরণই হলো আসল খুনি। কারণ তার হাতেই সেই ছুরির কাটা দাগ রয়েছে। নিজের বুদ্ধি দিয়ে পারুল ঠিক কয়েক ঘন্টার মধ্যে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলো। কিন্তু পারুলের নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার পেছনে রায়ানের হাত রয়েছে। রায়ান সাহায্য করেছে তাই ওই হাতল সম্পর্কে জানতে পেরেছে পারুল।
আরও পড়ুনঃ ফুলকির কাণ্ডে হইচই! ছোট রানীর ফাঁদেই আটকালেন রুদ্র, আদালতে মোক্ষম চাল চালালো ফুলকি!
কিন্তু দাদু তো শর্ত দিয়েছিল রায়ান পারুলের ডিভোর্স করার জন্য তারা একে অপরকে সাহায্য করতে পারবে না। আর তারা তাদের শর্ত ভেঙেছে। কিন্তু রায়ান জানিয়ে দেয় সে পারুলকে সাহায্য করেছে মানে এই নয় সে পারুলকে ভালোবেসে করেছে, শুধুমাত্র বন্ধুত্বের খাতিরে সাহায্য করেছে রায়ান। কিন্তু পারুল তো রায়হানকে মনে মনে ভালোবেসে ফেলেছে, সেটা জানতে পারে রায়ান। ওদিকে তূর্য আবার ফিরে এসেছে রায়ান পারুলের জীবনে নতুন করে ক্ষতি করার জন্য।
