জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ আবারও নতুন মোড়ে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মন জয় করে চলা এই সিরিয়াল এবার ঢুকেছে উত্তেজনার চরম পর্বে। রোহিত ও ফুলকির রসায়ন যেমন দর্শকদের পছন্দের, তেমনই এখন সকলের নজর বড় রাজার ভাগ্যে।
সম্প্রতি পর্বগুলোতে দেখানো হয়েছে, রুদ্র ভুলবশত ধরে নিয়েছিল যে বড় রাজা বাড়িতে রয়েছেন, আর সেই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে গোটা বাড়িতে কেরোসিন ছড়িয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুন দেখে পরিবারের সকলে বেরিয়ে এলেও, ফুলকি কান্নায় ভেঙে পড়ে বড় রাজার জন্য।

রুদ্র ফিরে এসে দেখে ছোট রানী আগেই রাজমহলে উপস্থিত। এরপর রুদ্র তাকে আগুন লাগানোর সময় ধারণ করা ভিডিওটি দেখায় এবং দু’জনেই ধরে নেয় বড় রাজা মারা গেছেন।
পরদিন শুরু হয় মামলার শুনানি। সবাই কোর্টে হাজির থাকলেও বড় রাজার অনুপস্থিতি সন্দেহ তৈরি করে। ছোট রানী মনে মনে খুশি হয়ে ওঠে, কারণ তার পরিকল্পনা বুঝি সফল হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবেন, কারণ বাদীপক্ষের উকিল যুক্তি দেন যে, যিনি মামলার মূল ব্যক্তি, তিনি উপস্থিতই নন।
এই সময় থানার বড় বাবু এসে জানিয়ে দেন, আগুন লাগার ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। সেই শুনে মামলাটি বন্ধের দিকে এগোয়। কিন্তু ঠিক তখনই নাটকীয়ভাবে কোর্টে প্রবেশ করে ফুলকি, আর তার সঙ্গে জীবিত বড় রাজাও হাজির হন।
বড় রাজাকে দেখে অবাক ও হতচকিত ছোট রানী বুঝে যায়, তার ফাঁদে এবারও পড়েনি ফুলকি। আসলে ফুলকি আগেই বুঝেছিল, কিছু একটা চক্রান্ত হতে চলেছে। তাই বড় রাজাকে সরিয়ে তার জায়গায় কৌশলে একটি পুতুল রেখে দেয় সে।
আরও পড়ুনঃ রায়চৌধুরী বাড়িতে আ’গুন! বাবাকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়ল রোহিত-ফুলকি! হেরে গেলো ছোট রানী!
এবার বড় রাজার পরিচয় চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করতে ডিএনএ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফুলকি। তবে ছোট রানী সহজে হার মানবে না, সে চেষ্টা করবে এই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে। এই নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে ফুলকির লড়াই এখন আরও চরমে।
