ছোট রানী ছলচাতুরি করে বড় রানী থেকে সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিল। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, অসুস্থ বড় রানী মা কে ঠাকুরের ফুল নিয়ে দেখতে গেছে ফুলকি এবং রোহিত। বড় রানীর মাথায় ঠাকুরের ফুল ছুঁয়ে ফুল্কি রোহিতকে বলে সে তার এবং বড় রানের রক্তের একটা ডিএনএ টেস্ট করাতে চায়। এই শুনে রোহিত বেশ অবাক হয়ে যায়।
রোহিত বলে বড় রানী মার ব্যাপারে এবার একটু এবার বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। এরপর ফুলকি রোহিত কে সমস্ত কথাই যুক্তি দিয়ে বোঝায়। কুলকির মতে তার এবং বড় রাণীমার রক্তের গ্রুপ এক এমনকি তাদের মুখের আদলও এক। এছাড়াও বড় রাণীমার মেয়ে ছোটবেলাতেই হারিয়ে গেছে, তারই সাথে ফুলকিও একজন কারুর কুড়িয়ে পাওয়া মেয়ে। সবকিছুকে মাথায় রেখে ফুলকি ডিএনএ টেস্ট করাতে চায়।

রোহিত এই শুনে বলে ছোট রানী তার এই কথায় খুবই রাগ করবে। তবুও ফুল কি কোন বাধাই শুনতে নারাজ। অবশেষে হসপিটালে খোঁজ নিয়ে দেখে যে, এই হসপিটালের ডিএনএ টেস্ট হয় কিনা। খোঁজ নিয়ে জানতে পারে এই হসপিটালে ডিএনএ টেস্ট করাতে গেলে স্পেশাল অনুমতি নিতে হয়।
এদিকে, ডিএনএ টেস্ট করানোর খবর ছোটো রাণীমার লোক তাঁকে জানায়। হারহাইনেস এই কথা জানতে পেরে, মনে মনে ভাবি ফুলকি কেন হঠাৎ করে ডিএনএ টেস্ট করাতে চাইছে? তাহলে কিসে জানতে পেরে গেছে সেই বড় রানীর মেয়ে? এইসব ভাবতে ভাবতে ছোট রানী চটজলদি বাড়িতে বড় রানীকে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেন।
এদিকে, রুদ্র সাহায্যের মাধ্যমে অত্যাধুনিক টেকনোলজির ব্যবস্থা নিয়ে বড় রানীকে বোকা বানানোর ফন্দি আঁটে। এমন সময় বড় রানীকে বাড়ি এনে ছোট রানী তাকে নানান ধরনের ভালো কথা বলতে থাকে কিন্তু বড় রানী তা মন থেকে একদমই বিশ্বাস করতে চায় না। এরপর কথায় কথায় ছোট রানী বড় রানীকে বলে সেই যেন বাড়িতে এখন বিশ্রাম করে।
এরপর কাজের লোকদের বলে বড় রানীর ভালো করে খেয়াল রাখতে। এরপর বড় রানীকে খাটে শুইয়ে দিয়ে কাজের লোক ঘুম পাড়ানোর একটা স্প্রে করে ঘরে থেকে চলে যায়। ওইদিকে, আলাদা একটা ঘরে রুদ্র সমস্ত কণ্ঠস্বর বদলাবার সরঞ্জাম করে ফেলে। এরপর, রুদ্র বড় রানীর ঘুমন্ত অবস্থাতেই হাত এবং চোখ বেঁধে দেয়। এমন সময় অন্য ঘর থেকে ছোট রানী মনের মতন কথা বলে বড়রানীর সঙ্গে ফুলকির ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করে। কারণ ছোট রানী যেসব কথা বড় রানীকে বলছি তা সবই ফুলকির কণ্ঠস্বরে তার কানে গিয়ে পৌঁছাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ বড় রানীকে সুস্থ করাই ফুলকির একমাত্র লক্ষ্য! মাকে আগলে রাখার লড়াইয়ে সামিল ফুলকি!
তাই অতি সহজেই বড় রানী ফুলকির কথা শুনে অবাক হয়ে যায় এবং সে বলে আজকের দিনে কাউকেই সেই ভাবে বিশ্বাস করা যায় না। ছোট রানী ফুলকির কণ্ঠস্বরে বলতে থাকে সে এইসব কাজ কেবলমাত্র সম্পত্তির লোভেই করেছে। অবশেষে বড় রানী ফুল্কিকে সমস্ত সম্পত্তি লিখে দেয়। এদিকে আবার ফুলকি রোহিত বাড়িতে ফিরে সবাইকে জানাই এক্ষুনি তাদের চৌধুরী মহলে যেতে হবে।
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ‘আমিও ফুলকি দাস গুনে গুনে গোল দেবো আপনাকে। এবার তাহলে লড়াইটা সামনাসামনি শুরু করা যাক। ফুলকির মুখে এই কথা শুনে মজার ছলে হাঁটতে থাকে ছোট রানী।
