ফুলকির ডি এন এ টেস্টের রিপোর্ট ছোট রানীমার হাতে আসা মাত্রই তাকে মারার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকির গত পর্বে দেখা গেছে, ফোন করে স্বাগতা দিদির সঙ্গে বড় রাজা বাবুর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়ে কথা বলছে ফুলকি। এমন সময় ছোট রানী মা ঘরে ঢুকে বড় রাজাবাবুর মৃত্যু নিয়ে আলোচনা করতে শুনতে পেলে তিনি মনে মনে ভাবে ২৪ বছর পর ফুলকি আবার কেন এইসব নিয়ে তদন্ত করতে চাইছে?
এরপর খুব স্বাভাবিকভাবেই আশাবরী চৌধুরী ফুল খিদের এই তদন্ত কাণ্ডে বাধা দিলে ফুলকি বলে, বড় রানী মা নিজে থেকে চায় বড় রাজা কিভাবে মারা গিয়েছে তার সমস্ত ঘটনা জানতে। এরপর, বড় রানী মার ঘরে চলে আসে আদিত্য, ধানু এবং ইন্দ্র। এরা এসে বড় মাকে বলে আজ ফুলকির জন্য তাদের মাকে সকলের সামনে অপমানিত হতে হয়েছে।

এরপর, হারহাইনেস বাড়ির বড় রানীর ব্যবহার দেখে চমকে যায় এবং সেভাবে এতটা সাহস-বিশ্বাসের সঙ্গে বড় রানী কি করে কথা বলছে? এমন সময় বড় রানী নিজে থেকেই আদিত্যকে বলে তার মাকে ঘরে নিয়ে যেতে যাতে সেই বিশ্রাম করতে পারে। এরপর, জামাইষষ্ঠীর ভুরিভোজ এর আয়োজন করেছে রোহিতের জন্য।
এরপর বড় রানীমা একাধিক খাবার সাজিয়ে রোহিতকে খাওয়ায়। এমন সময়, অন্যদিকে দেখা যায় ছোট রানীমার হাতে এসে পৌঁছেছে ফুলকির ডিএনএ রিপোর্ট। এই পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে বড় রানীর সঙ্গে ফুলকির ৯৮% মিল রয়েছে। এই দেখে, ছোটো রাণী ফোন করে রুদ্ররূপ সান্যালকে আর বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফুলকিকে এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে হবে। ছোটো রাণী বলে তাঁর এবং রুদ্র শত্রু একই। তাই, ফুলকিকে সরিয়ে ফেলতে পারলে তাদেরই ভালো হয়।
এমন সময়, ধারাবাহিকের দর্শকদের উদ্দেশ্যে রুদ্ররূপ বলে নিশ্চয়ই আপনারা ভাবছেন রুদ্ররূপকে এই সবে জেলে ধরে নিয়ে গেল আবার সে কিভাবে ছাড়া পেয়ে গেল? এই বলে, রুদ্র নিজে থেকেই বলে জেলে যে রুদ্র রয়েছে সে আরেকজন মুখোশধারী রুদ্র, আসল নয়।
এরপর অন্যদিকে দেখা যায় ২৪ বছর আগেকার বড় রাজার পোস্ট মোটামুটি রিপোর্ট নিয়ে হাজির হয়েছে এক ব্যক্তির বাড়িতে যেখানে শনাক্ত করতে পারবে আদতে কিভাবে বড় রাজা মারা গিয়েছিল? এমন সময় সমস্ত রিপোর্ট দেখে ফুলকিদের সেই ব্যক্তি জানায় বড় রাজাবাবু কে খুব বেশি হলে জলের তলায় তিন থেকে চার দিন রাখা হয়েছিল। এই রিপোর্টের সঙ্গে রাজাবাবুর মারা যাওয়ার সময় এর ব্যবধানের মিল নেই।
এই কথা শুনে ফুল কি মনে মনে ভাবে তাহলে এও হতে পারে যে রাজাবাবু মারা যায়নি। এরপর সুযোগ বুঝে স্বাগতা ফুলকিকে বলে, তাহলে রাজাবাবু কি সেই সময় যে শ্মশানে পোড়ানো হয়েছিল সেই শ্মশানে গিয়ে খোঁজ নিলে আরো ভালোভাবে জানা যাবে আসল ঘটনা। এরপর বেশি দেরি না করে ফুলকিরা রওনা দিয়ে ফেলি সেই শ্মশানের দিকে। অবশেষে সেই শ্মশানে গিয়ে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির থেকে জানতে পারে ২৪ বছর আগে যে রাজাবাবু কে পোড়ানো হয়েছিল সে আসলে রাজাবাবু ছিল না।
আর পড়ুনঃ ঝোপের আড়াল থেকে ফুলকি রোহিতের ওপর আক্রমণ! কোনদিকে মোড় নিতে চলেছে ফুলকি ধারাবাহিকের গল্প?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ২৪ বছর আগে যাকে পোড়ানো হয়েছে সে নাকি বড় রাজাবাবু ছিল না জানতে পারলো রোহিতরা। এই শুনে অবাক হয়ে যায় ফুলকি আর তখনই তাদেরকে আঘাত করার জন্য আড়াল থেকে কেউ একটা তীর ছুঁড়ে মারে।
