একা হাতে ফুলকি শত্রুদের হাত থেকে প্রিয় জনদের রক্ষা করবে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকি স্বাগতা দিদিকে ফোন করে পিন্টুর খোঁজ করছে। এমন সময়, ফোনের ওপার থেকে স্বাগতা বলে সে এখনো পিন্টুর কোন খোঁজ পায়নি। এরপর, ফুলকি আর রোহিত বড় রাজাবাবু মারা যাওয়ার পর থেকে পরপর ঘটনাগুলো সাজাতে থাকে আর সেই সময়েই তাঁরা কোন এক ক্ষমতাশালী ব্যক্তি কে সন্দেহ করতে থাকে যে এখনো প্রতিটা অন্যায় নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করে করে যাচ্ছে।
এমন সময় চলে আসে তমাল। তোমার আশা মাত্রই ফুলকি তাকে পরীক্ষায় পাঠানোর ওষুধের কথা জিজ্ঞাসা করতে থাকেন। তমাল বলে তার এক পরিচিত বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল এবং সেখানে সে জানতে পেরেছে ওই ওষুধগুলো মানুষকে দিনে দিনে আরও নিস্তেজ করে দেয়। এই শুনে ফুলকির মন খুব খারাপ হতে থাকে আর রোহিত তমালদের জিজ্ঞাসা করে তাদের কি কখনো বড় মাকে দেখে খুব অসুস্থ বলে মনে হয়? এরপর ফুলকির ছোট রাণীমার প্রতি সন্দেহ আরো বেড়ে যায়।

এমন সময় ফুলকি হঠকারিতা সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই সময়তেই রানী মাকে প্রশ্ন করতে চায় কিন্তু তাতে বাধা দেয় রোহিত আর বলে, যতই হোক এটা ভানুর শশুর বাড়ি আর তার ওপরে বিনা প্রমাণে কাউকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করা যাবে না। অন্যদিকে দেখা যায়, ঘরবন্দি রুদ্র বসে বসে আপেল খাচ্ছে। এমন সময় ঘরে এসে পড়ে রাণী মা। ঘরে হারাইনেস আসা মাত্রই নানান ধরনের আবার চাহিদা করতে থাকে রোহিত।
কথায় কথায় রোহিত ছোট রাণী মা কে জানায় সুযোগ পেলেই সে ফুলকিকে খুন করে দেবে। এতদিনে ফুলকি তার অনেক ক্ষতি করেছে তাই সে প্রতিশোধ নেবে। কিন্তু এদিকে ছোট রানী মা বলে রাজমহলে কোন খুন হোক তিনি চায় না।
এরপর রাজমহলে দান ধ্যানের দিন চৌধুরী মহলে গ্রামের সবাই এসে ছোট মা রানীমার নামে ধন্য ধন্য করতে থাকে। এমন সময় চলে আসে ফুলকিরা। আর, এত বড় আয়োজন দেখে অবাক হয়ে যায় লাবুরা।
এমন সময় দেখা যায় আদিত্য ঘরে এসে চুপিসারে বিশ্রাম নিচ্ছে। আর সেই সময়তেই ঘরে চলে আসে ধানসিঁড়ি আর কথায় কথায় তার কাছে আবদার করে বসে তাকে যেন একটু মাথা টিপে দেয়। এরপর, ভানু জানায় পিয়ালের হাত কেটে গেছে বলে সে ঘরে ওষুধ নিতে এসেছে। এই শুনে আদিত্য বেজায় রেগে যায় এবং খোঁজ নিতে চলে যায় পিয়ালের। এই সময় হঠাৎ করেই অবাক হয়ে যায় ধানু আর মনে মনে ভাবে, একই শরীরে আদিত্যর দুটো রূপ, এটা কি করে সম্ভব? এটা নিয়ে ফুল্কি সঙ্গে কথা বলতে হবে।
অন্যদিকে আবার ফুলকি ফাঁক পেলেই চলে যায় বড়মার ঘরে। বড় রানী মার ঘরে গিয়ে দেখে সে ঘুমে ঢুলছে। এমন সময় ফুল্কি তাকে ঘুম থেকে জাগানোর জন্য ইচ্ছা করেই নানান ধরনের কথা বলতে থাকে আর তাকে বলে বাথরুমে গিয়ে চোখে মুখে জল দিলে একটু শরীরটা ঠিক লাগবে। এরপর রানী বাণী যে হেঁটেই যায় বাথরুমের দিকে। এই সুযোগে সদ্ব্যবহার করে ফুলকি তার ওষুধের বাক্স থেকে সমস্ত ওষুধ বের করে হজমি গুলি ভরে দেয়। যাতে, রানী মাকে আর কোন কড়া ওষুধ খেতে না হয়।
আরও পড়ুনঃ বড় রানীর ওষুধেই লুকিয়ে রাজমৃ’ত্যুর রহস্য! এবার ডিএনএ রিপোর্টে ফাঁস ফুলকি-রানীমার সম্পর্ক!
এই সিরিয়ালের আগামী পর্ব দেখা যাবে, বড়ো রাণীমার ঘরে এসে হারহাইনেস বলছে, ‘নিয়মের একটু বেশীই নড়চড় হচ্ছে’। এই শুনে বড়মা বলে, সে ওষুধ খেয়েছে। আর, এই পুরো ঘটনাতাই আড়াল থেকে শুনতে পায় ফুলকি আর মনে মনে মজা পায়।
