কথায় আছে, পাপ বাপকেও ছাড়ে না’, তাই ২৪ বছর আগের কর্মের ফল ভোগ করতে চলেছে হারহাইনেস। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা গেছে, মোহন সিং এর বাড়িতে পৌঁছে রোহিতরা অনেক খোঁজার পর অবশেষে মোহন কে ধরে ফেলে। এরপর কয়েকটা ঘুসি পড়তেই ২৪ বছর আগের ঘটা সমস্ত সত্যি বলে দেয় ফুলকিদের।
এরপর ঝাউ থানার পুলিশেরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। এমন সময় অন্যদিকে দেখা যায় ছোট রানী মা বারংবার রুদ্রোর বলা কথাগুলো নিয়ে ভাবছে। আর সেই সময় মনের সংশয় দূর করার জন্য তিনি এসেছে নৃসিংহ দেবের মন্দিরে। এরপর, নৃসিংহ দেবের পায়ের কাছে রাখা তিনটি মাদুলির কৌটোতে দেখছে মাদুলি গুলো ঠিক জায়গায় আছে কিনা।

খুব স্বাভাবিকভাবেই ছোট রানী বার দুই ছেলের মাদুলি দুটি কৌটে রয়েছে এবং বড় তরফের সন্তানের কোন মাদুলি নেই। কারণ বড় তরফে সন্তানকে ছোট রানী মা অঙ্কুর থাকাকালীনই রাজমহলের কর্মচারীকে দিয়ে মেরে ফেলেছে। আবার, ছোট রাণীমা এবং মনে করছেন তবে কি সনাতন সেই বাচ্চাটাকে মারতে পারেনি? এমন ধরনের আরো নানা প্রশ্ন মনের মধ্যে ভিড় করে আসছে।
এরপর ছোট রানী মা নৃসিংহ দেবের পূজা করার সময় তিনি আগামী দিনে কি করতে পারেন তা বলতে বলতে পূজো করছেন। এমন সময় ছোট রানী মার ডাকে হাজির হয় তার সেক্রেটারী আর তাঁকে নির্দেশ দেয় ছোট কুমার কে যেন অন্য কোন সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ছোট রানী মা আরো বলেন আজ রাতেই নবাবগঞ্জের সংশোধনাগারে আগুন লাগবে।
এরপর, হঠাৎই নবাবগঞ্জের সংশোধনাগারে লাগুন লাগে। আর, সেই সময় সব কয়েদিদের অন্য জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎই কেউ একজন রুদ্র হাত টেনে তাকে বের করে নিয়ে যায়। এরপর, দেখা যায় ফুলকিরা বাড়ি ফেরা মাত্রই লাবু এসে তাদেরকে বলে রুদ্র যে সংশোধনাগারে রয়েছে সেখানে আগুন লেগেছে।
লাবুর মুখে এমন কথা শুনে ফুলকিরা তৎক্ষণাৎ পৌঁছে যায় সংশোধনাগারে এবং দেখে সেখানকার অফিসার সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। এরপর, লাবু তাঁকে আলাদা টিকিট বারংবার রুদ্রর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে থাকে। এদিকে অফিসারও তাকে বলে সবাই ঠিক আছে, কারোর কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু, তাও ফুলকি চোখের দেখা একবার হলেও রুদ্রকে দেখতে চায়।
অন্যদিকে আবার দেখা যায়, স্বাগতা ম্যাডাম পৌছে গেছে অ্যারেস্ট করতে সীতারাম চৌবের ডেরায়। সেখানে গিয়ে তাঁকে সেই চব্বিশ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য এবং কাঠ চেরাই চালানোর কর্মকাণ্ডে অ্যারেস্ট করে। আর, সীতারামকে এরেস্ট করা মাত্রই স্বাগতা সমস্ত কথা ফুলকিতে জানিয়ে দেয়। তবে যতই সীতারাম চলবে কিংবা মোহন সিং কে এরেস্ট করা হোক না কেন এদের পিছনে কোনো এক বড়ো মাথা কাজ করছে, অনুমান করছে ফুলকি দাস।
আরও পড়ুনঃ রুদ্রকে জেল থেকে বার করতে ফাঁদ পাতলো ছোট রাণী! এই ষ’ড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁ’স করতে পারবে তো ফুলকি?
এরপর সংশোধনাগারে আগুন লাগানো থেকে শুরু করে সিতারাম চৌবের সব খবরই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নিবারণ বাবু এসে জানায় হারহাইনেসকে। এদিকে কুলকিরাও বাড়ি ফিরে আসে। এমন সময়, রোহিতের মা তাদের ঘরে এসে সবাইকে বলে, একটু কিছু খেয়ে নিতে। আর কথায় কথায় লাবণ্য ফুলকিকে বলে ভানুর শ্বশুরবাড়ির কোন ব্যাপারে সে যেন এই মুহূর্তে আর কোন কথা না বলে।
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে, রায় চৌধুরী বাড়ির সবাই মিলে চললো চৌধুরী মহলে ধানুদের অষ্টমঙ্গলায় নিমন্ত্রণ করার জন্য। কিন্তু, ওদিকে ধানু বলে এই অষ্টমঙ্গলার প্ল্যানটা যদি বাতিল করা যেতো তাহলে ভালো হত। এই শুনে ফুলকি তাঁকে আশ্বাস দেয় সব ঠিক হয়ে যাবে।
