Bangla Serial

ফুলকির হাতে মার খেলো আদিত্য! মহা বিপদে ধানু? কী হতে চলেছে ফুলকি ধারাবাহিকে?

বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই স্বামীর হাতে মার খেলো ধানসিঁড়ি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, কোট চত্বরে এসে হাজির হয়েছে ফুলকিরা। রোহিতদের সঙ্গে ধানু ইন্দ্রর কেস নিয়ে কথা বলার সময় এসে উপস্থিত হয় চৌধুরী মহলের সদস্যরা।

আদিত্যরা এসে পড়া মাত্রই সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে হারহাইনেসকে এবং ইন্দ্রর এই ঘটনার ব্যাপারে নানা ধরনের প্রশ্ন করতে থাকে। এমন সময় ছোট রানী মা নিজে থেকেই বলেন তার পুত্রবধূ অর্থাৎ ধান সিঁড়ি আজ সকলের সামনে প্রমাণ করিয়ে দেবে ইন্দ্র নির্দোষ এইসব কাণ্ড ঘটানো হয়েছে কেবলই তার রাজনৈতিক কেরিয়ারে প্রভাব ফেলার জন্য।

Tollywood,Zee Bangla, serial Phulki, entertainment, Dibyani Mondal, Abhishek Bose, অভিষেক বোস, টলিউড, জি বাংলা,সিরিয়াল, ধারাবাহিক, ফুলকি, বিনোদন, দিব্যানী মন্ডল

ছোট রানী মার এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় ধানু আর মনে মনে ভাবে তাঁর থেকে অনুমতি না নিয়েই হারহাইনেস কেন বক্তব্য রাখলেন সবার সামনে? এরপর, ধানু তাঁর শাশুড়ি মায়ের কাছে গিয়ে স্পষ্ট ভাবে জানায়, ইন্দ্রর এই কেসটি সে নিতে পারবে না। এমন সময় আদিত্য ধানুকে এক ফোনে নিয়ে গিয়ে নানান ভাবে বোঝাতে থাকে যাতে সে ইন্দ্রকে নির্দোষ প্রমাণ করে।

এরপর, কোর্টে নিয়ে আসা হয় ইন্দ্রকে। তারপর, শুরু হয় মামলা। মামলার শেষে জজ সাহেব ঘোষনা করে ইন্দ্রই দোষী এবং পুলিশি হেফাজতেই থাকতে হবে। এমন সময়, ফুলকিরা আবার ভাবে ধানুর জীবনে এক কঠিন লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াইয়ে তাদেরকে ধানুর পাশে থাকতেই হবে। প্রথম দিনের কেস মিটিয়ে আদিত্যরা যখন বাড়ি ফিরে আসে তখন হারহাইনেস ধানুকে বলে, এবার বাপের বাড়ির কথা ভাবা ছেড়ে একটু শশুর বাড়ির দিকে নজর দিতে। এমনকি, তিনি ধানুকে জিজ্ঞাসা করে সে এই বিয়েটাকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে?

এরপর, আদিত্য মায়ের প্রতিটা কথাকে সমর্থন করে। এমন সময়, ধানের মধ্যে থাকা প্রতিবাদী সত্তা বহিঃপ্রকাশ প্রায় সকলের সামনে। এর ফলে, উত্তেজিত হয়ে গিয়ে আদিত্য থাপ্পড় মারে ধানুকে। আর, রেগে গিয়ে সবাই ঘরে চলে যায়। এমন সময়, ধানসিড়ি বসার ঘরে বসেই কাঁদতে থাকে। আর, এই সময়টি এসে পড়ে রোহিত ফুলকি। ধানু কেন কাঁদছে? জিজ্ঞাসা করাতে সে বলে আদিত্য তাকে মেরেছে।

রোহিত এই কথা শোনা মাত্রই বেজায় রেগে যায় এবং চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে ডাকতে থাকে। রোহিতের গলা শুনে বাইরে বেরিয়ে আসে আদিত্য। এরপর, ফুলকি আদিত্যকে নানা প্রশ্ন করে, সে কেন এমন কান্ড ঘটিয়েছে? এরপর, ফুলকিও রেগে গিয়ে আদিত্যকে থাপ্পড় মারে। এই দেখে আবার হারহাইনেসও রেগে যায় আর রোহিতকে বলে নিজের বউকে সামলাতে।

আরও পড়ুনঃ অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে মুখের ওপর না বলে দিল ধানু! খুলে গেলো রাণীমার মুখোশ! ফাঁ’স আজকের পর্ব

এরপর, রোহিতরা ধানুকে নিয়ে বাড়ি চলে যাওয়ার সময় ছোট রানী মা নিজের ভাবমূর্তি ঠিক রাখার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেয় ধানুর কাছে। অন্যদিকে ধানুও আদিত্যের প্রতি ভালোবাসা থাকার জন্য থেকে যায় চৌধুরী মহলে। এমন সময় ধানু ফুলকি রোহিতকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নেয় তারা যেন বাড়িতে গিয়ে কিছু না বলে।

ফুলকিরা বারে মাত্রই রোহিতের মা তাকে জিজ্ঞাসা করে, ‘আমার ধানু কেমন আছে? জামাইকে কেন মারলি?’ এমন সময় লাবণ্য বলছে ‘নিশ্চয়ই আদিত্য কিছু একটা করেছে’ এই শুনে ফুল কি বলে আদিত্য দা অন্যদের মতো মুখোশধারী মানুষ নয় তাই সে তাঁকে আর একটা সুযোগ দিয়েছে।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন