Bangla Serial

ফুলকির জীবনে জোড়া বিপদ! শয়তান রাণীর তোয়াক্কা না করে বড় রাজার খুনের তদন্তে রোহিত-ফুলকি! ফাঁ’স আজকের পর্ব

ছোটো রাণী রায়চৌধুরী বাড়িতে ফোন করে নালিশ ঠুকলো ফুলকির নামে। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ধানুকে বুঝিয়ে শুনে বাড়িতে রেখে ফিরছে ফুলকিরা। কিন্তু, যতই হোক দাদার মন মানে না। ফুলকিকে বারংবার বলছে ওই বাড়িতে ধানুকে রেখে আসা কি আদৌ ঠিক হল?

এমন সময়, চৌধুরী মহলে ছোট রাজা এবং ছোট রানী মা আলোচনা করছে এই ফুলকিই হচ্ছে তাদের পথের কাঁটা। এই ফুলকির কারণে ধানু এমন কান্ড ঘটিয়েছে। এই শুনে ছোট রাজা বাবু বলে, হয়তো এবার হারহাইনেসের ভাবমূর্তি রাজমহলের সবার সামনে নষ্ট হতে চলেছে। এই শুনে, সবকিছু হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগে ছোট রানী মা ফোন করে চৌধুরী বাড়িতে।

ওদিকে রোহিতের মা হারহাইনেসের থেকে সমস্ত ঘটনা শোনা মাত্রই ভাবে ফুলকি কেন এমন কাজটা করেছে? ইতিমধ্যেই রোহিতরা বাড়িতে এসে পৌঁছায় আর সঙ্গে সঙ্গে ফুলকিকে রোহিতের মা জিজ্ঞাসা করে কেন সেই জামাইকে থাপ্পড় মেরেছে? কিন্তু, ওদিকে যে ধানুকে রোহিতরা কথা দিয়েছে বাড়িতে কাউকে কিছু বলবে না। তাইজন্যই শত প্রশ্ন করার পরেও ফুলকিরা চুপ রয়েছে।

Tollywood,Zee Bangla, serial Phulki, entertainment, Dibyani Mondal, Abhishek Bose, অভিষেক বোস, টলিউড, জি বাংলা,সিরিয়াল, ধারাবাহিক, ফুলকি, বিনোদন, দিব্যানী মন্ডল

এমন সময় কথায় কথায় ফুলকিরা জানতেই পারে হারহাইনেস ফোন করে ফুলকির নামে নালিশ করেছে। এমন সময়, লাবু বলে ওঠে আদিত্য কি তাহলে আরেকটা রুদ্ররূপ সান্যাল? এরপর, ফুলকিকে বারবার জিজ্ঞাসা করে রোহিত বলে ওঠে, ‘নিশ্চয়ই এমন কিছু ঘটেছিল যাতে আদিত্যকে চর মারতে হয়েছে’। এরপর স্বাভাবিকভাবেই রোহিতের মা ধানুকে নিয়ে খুবই চিন্তিত হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, ঘরে ধানু শুয়ে কাঁদছে এবং তার সঙ্গে যা যা ঘটেছে তাই মনে করছে। এমন সময় হঠাৎই তাঁকে ফোন করে ফুলকি এবং জিজ্ঞাসা করে সব ঠিক আছে কিনা? খেয়েছে কিনা? ফোনে কথা বলার সময় ঘরে হঠাৎ এসে পড়ে আদিত্য। তবে, ভানুর সঙ্গে কিছু কথা না বলেই নিজের জিনিস নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় আদিত্য।

অন্যদিকে, ফুলকি-রোহিত ফোন কেটে দিলেও ধানুকে নিয়ে ভাবতে থাকে। এমন সময়, হঠাৎ করেই ফুলকির আবার মনে পড়ে যায় তার স্বাগতা দিদির কথা। ফুলকি বলে, তাকিয়ে যে করেই হোক বড় রাজার রহস্যময় মৃত্যুর কথা জানতেই হবে। ফুলকি রানী মা কে কথা দিয়েছে সে বড় রাজার কোনো না কোনো খবর নিয়ে আসবে।

পরদিন সকাল হতেই ফুলকি ফোন করে স্বাগতাকে এবং বড় রাজার অস্বাভাবিক মৃত্যুর কথা বলে। ফুলকি তার থেকে জানতে চায় প্রায় 24 বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার যদি কোনো তথ্য পাওয়া যায় তাহলে খুব ভালো হবে। অন্যদিকে আবার, ছোট কুমারকে জেলের পোশাক পরিয়ে আর পাঁচটা সাধারণ কয়েদিদের মতো ঢুকিয়ে দেয় কারাগারে। এমন সময়, রুদ্র তার সঙ্গে নানা কথার মাধ্যমে উস্কানি দেয় এবং বলে সে জেল থেকে ছাড়া পাবে না।

আরও পড়ুনঃ ফুলকির হাতে মার খেলো আদিত্য! মহা বিপদে ধানু? কী হতে চলেছে ফুলকি ধারাবাহিকে?

কথায় কথায় এও জানায়, এই এস্টাটের আসল মালিক তার দাদা নয় বরং অন্য কেউ। ছোটকুমার তার নাম জানতে চাইলো রুদ্র বলে না। এদিকে রুদ্র মনে মনে ভাবে সে ছোট রানীমার যতই শত্রু হোক না কেন এই চৌধুরী মহলের আসল উত্তরাধিকারের নাম জানার জন্য সে ঠিকই তাঁকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে।

ধারাবাহিকের আগামী এপিসোডে দেখা যাবে ভুল কি এবং রোহিত পৌঁছে গেছে রাজমহলের পুলিশ স্টেশনে। থানায় গিয়ে স্বাগতা দিদি বলে, তাদের রাজাবাবু মারার যাওয়ার সময় লরি চালকের তিন বছর জেল হয়েছিল। এরপর সেই লরির নাম্বার নিয়েই তারা বেরিয়ে পড়ে সেই নাম্বারের লরিটা খুঁজতে। অবশেষে সেই লরির মালিকের নাম জানতে পারে সতীরাম।

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন