দিনে দিনে যেচে নিজের বিপদ ডেকে আনছে ফুলকি। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ধানসিড়িকে বরণ করে ঘরে তোলার সময় আলতা পাওয়া প্রথম বাড়িতে রাখার সময় হারহাইনেস তাঁকে কড়া ভাষায় কটা কথা বলে। ছোট রানী মা তাকে জানায়, আজ থেকে সে এক নতুন পরিচয় পরিচিতি পাবে সকলের কাছে। এই রাজমহলের বৌরানী হলেন তিনি, তাই সমস্ত কিছু নতুন করে শিখে নিতে হবে।
হারহাইনেসের থেকে এই কথা শোনা মাত্রই, মনে মনে খানিক ভয় পেয়ে ওঠে ধানু। এমন সময় আদিত্য তার মাকে বলে, হঠাৎ করেই ধানসিঁড়িকে যদি এইসব বলতে থাকে সে ঘাবড়ে যাবে। কিন্তু, তখনই রানী মা তার ভয়ে কাটিয়ে বলে সে কেবলই আদিত্যকে পরীক্ষা করছিল যে, স্ত্রীকে সবকিছু থেকে কতটা রক্ষা করতে পারবে? কিংবা সবসময় তার পাশে কতটা থাকতে পারবে?

এরপর, ধানু-আদিত্য নৃসিংহদেবের মন্দিরে পুজো দিতে চলে গেলেও ফুলকি সারা বাড়ি ঘোরার ছলে বড় রানীমার ঘরে ঢুকতে চায় কিন্তু তখনই হারহাইনেস তাঁকে বাধা দেয় বলে, ‘এখন দিদির ঘরে ঢোকা যাবেনা কারণ তার চিকিৎসা চলছে প্রচন্ড জ্বর হয়েছে’। এই কথা শুনেও ফুল্কি তবুও তার ঘরে ঢুকতে চায় এদিকে,
হারহাইনেস রেগে গেলেও তাকে কিছু বলতে পারছে না। ছোট রানী মা ফুল কিসে শুধু জিজ্ঞাসা করে ‘তোমার বড় জেদ না?’ তা তো হবেই। আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় জেদ না থাকলে চলে। কিন্তু এখানে এসব জেদ চলবে না’।
হারহাইনেস তাকে স্পষ্ট জানাই বড় রানীমার সঙ্গে পরে দেখা করা যাবে, এখন নয়। ছোট রানী মা মনে মনে ভাবে, ফুলকির জন্য তার ব্যবসায় অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এই মেয়েটাকে চোখে চোখে রাখতে হবে। এরপর ফুলকি ধানুর ঘরে যাওয়ার সময় আড়াল থেকে শুনতে পায় হারহাইনেস কর্মচারীদের বলছে বড় রানী মাকে যেন পালা করে পাহারা দেয়া হয়, কেউ যেন তার ঘরে ঢুকতে না পায়। এই শুনে মনে মনে সন্দেহ বাড়তেই থাকে ফুলকির।
অন্যদিকে ফুলকি চলে যায় ধানুর ঘরে। আর গিয়ে দেখে তাঁদের বউরাণীকে ব্যস্ত সবাই। এরপর, দুজনে একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে নেয়। এরপর, দুজনেই শুয়ে পড়লে ফুলকির ঘুম আসে না কিছুতেই। অন্যদিকে রোহিত ভেবে যাচ্ছে, ফুলকি একবারও কেন তাকে ফোন করছে না? এই ভাবতে ভাবতে সেই নিজে ফোন করে ফুলকিকে। এরপর কথা বলতে যাওয়ার সময়, ঘরের জানালা দিয়ে দেখে ঘরের বাইরে কারোর একটা ছায়া। দরজা খুলে দেখে আদিত্য দাঁড়িয়ে রয়েছে।
এরপর ফুলকি তাদেরকে কথা বলার জন্য একটু সুযোগ করে দেয় আর অন্যদিকে রোহিতের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে থাকে। আদিত্য এসেছে ধানোর সঙ্গে একটু কথা বলার জন্য এবং তাকে একটা উপহার দেওয়ার জন্য। রাজমহলে আসার পর থেকে ফুলকি সংস্কৃতি ঘটনা ঘটেছে তা সবই বলে রোহিতকে। এই শুনে অবাক হয়ে যায় রোহিত আর বলে এমন যেন সে কিছু না করে যাতে ধানুকে কথা শুনতে হয়। এরপর ফুলকি ঘরে যাওয়ার সময় সবার চোখের আড়ালে বড় রানী মার ঘরে ঢুকে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ ছোটো রাণীমা’র প্রতি সন্দেহ বাড়ছে ফুলকির! রাজবাড়ীতেই লুকিয়ে রয়েছে এক ভয়ংকর রহস্য! ফুলকি পারবে তো সেই রহস্যের উদ্ঘাটন করতে?
এই সিরিয়ালের আগামী পর্বে দেখা যাবে, শত বারণ থাকার সত্বেও লুকিয়ে ফুলকি ঢুকে পড়েছে বড় রানী মার ঘরে। এরপর চুপিসারে বড় রানী মাকে ঘর থেকে বের করে নৃসিংহ দেবের মন্দিরে নিয়ে যায় আর তাকে জিজ্ঞাসা করে, বড় রাজাবাবু কিভাবে মারা গেছিল তোমার কিছু মনে পড়ে? এই শুনে বড় রানীমা বললেন, কে জানে? হঠাৎ খবর এল। এমন সময় হারহাইনেস পিছন থেকে বড় রানীকে দিদি বলে ডাকলেন।
