রায়চৌধুরী বাড়িতে আবার বাজলো বিয়ের সানাই। এগিয়ে এলো ধানসিঁড়ির বিয়ের তারিখ। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকির এক ঘুষিতে কুপোকাত শিবু গুন্ডা অবশেষে রাজি হয়েছে সমস্ত ঘটনা খুলে বলতে। কিন্তু শিবু এদিকে মনে মনে ভাবছে, সে ঠিক ততটাই বলবে ততটা বললে রানী মার নাম সামনে আসবে না।
এরপর, ক্যামেরার সামনে শিবু গুন্ডা সমস্তটা খুলে বলে এমনকি পাচার করা ব্যক্তিরে কোথায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয় সেই জায়গার খোঁজ দেয়। অন্যদিকে দেখা যায় স্বপ্নের সাগরে ভাসছে ধানু-আদিত্য। প্রথম একান্তে দেখা সাক্ষাতে একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানো থেকে শুরু করে ভানুর উপহারে হীরের আংটি পাওয়া সবটাই উপভোগ করলেন তারা।

এরপর দেখা যায় ক্লান্ত হয়ে ফুলকি বাড়ি ফিরে আসতেই ঘরে বসেই তার স্যারের কথা খুব মনে পড়ছে। এরপর, তমাল-পিয়াল-লাবু সবাই একসঙ্গে মিলে হঠাৎই এসে হামলা করে ফুলকির ঘরে আর জানায় ধানুর বিয়ের তারিখ এগিয়ে এসেছে, আগামী কালই নাকি ধানুর বিয়ে। ফুলকি এই খবর শোনা মাত্রই অবাক হয়ে যায় আর মনে মনে ভাবে একদিকে তার বাবা কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না অন্যদিকে ধানু দিদির বিয়ে এগিয়ে এসেছে। সবটা নিয়েই চিন্তিত হয়ে আছে ফুলকি। এরপর ভানু দৌড়ে এসে ফুলকিকে পাওয়া উপহার দেখায়।
অন্যদিকে দেখা যায় এসপি ফোন করেছে ফুলকিকে। পুলিশ অফিসার তাকে জানাই, শিবু গুন্ডা যে ফোন নাম্বার দিয়েছিল সেটা ভুল। তাই, তাঁদেরকে মুুড়িপুকুরে গিয়েই খোঁজ করতে হবে। তাই, পরদিন বিয়ের ভোর হতে না হতেই ধানু তৈরি হয়ে চলে আসে ফুলকির ঘরে আর বিয়ের নিয়ম-কানুন পালন করার জন্য তাকে ডাকাডাকি করতে শুরু করে। এমন সময় কথায় কথায় ভানু ফুলকির থেকে জানতে পারি সে আজকে সবাইকে না জানিয়ে তার বাবাকে খুঁজতে বেরিয়ে যাবে।
এরপর, ফুলকি বেরিয়ে পড়ে তার বাবাকে খুঁজতে। এদিকে বাড়িতে চলছে বিয়ের তোড়জোড়। কিন্তু ধানু আবার ফুলকিকে কথা দেয়, সে যতক্ষণ বাড়িতে না আসছে ধানু বিয়ের পিঁড়িতে বসবেই না। বিয়ের সন্ধ্যাতে তৈরী হওয়ার সময় হঠাৎই বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় হাড়হাইনেস। নৃসিংহ দেবের আশীর্বাদের থালা দিয়ে কথায় কথায় তিনি ভানুর থেকে ফুলকির ব্যাপারে জানতে চাইলে ভানু তাঁকে বলে, সকাল থেকেই ফুলকি বাড়িতে নেই। বাবার খোঁজ পেয়েছে বলে সে বেরিয়ে গেছে।
আরও পড়ুনঃ বাবার খোঁজে দিশাহারা ফুলকি! শিবু গুণ্ডাকে শায়েস্তা করতে নতুন পথ বেছে নিল সে! ফাঁ’স আজকের পর্ব
চৌধুরী মহলের ছোট রানী মা এই কথা শুনে রীতিমত চিন্তা করতে থাকে ফুলকি কি তাহলে মুড়ি পুকুরের গোপন ডেরার কথা জেনে গেল? আর এরপরেই ঘর থেকে চলে যায় হারহাইনেস। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, বিয়েবাড়ি থেকে এই ছোট রাণীমা তার ছোট ছেলেকে ফোন করে বলছে কোনভাবে যেন তারা ধরা না পড়ে। এদিকে, ফুলকি একদল পুলিশ নিয়ে হাজির মুড়ি পুকুরে। অবশেষে এক মাল বোঝাই গাড়ি থেকে উদ্ধার করল তার বাবাকে।
