গোটা নবাবগঞ্জ জুড়ে এখন বইছে খুশির হাওয়া। ফুলকি দেশের জন্য সোনার মেডেল জিতেছে, তাই এখন আনন্দে মাতোয়ারা রায়চৌধুরী পরিবার সহ সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুর। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা গেছে, ফুলকি বাড়িতে ফেরা মাত্রই তাঁকে নিয়ে নানা হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে। দেখা যাচ্ছে সম্বর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
আর এইসব দেখে অবাক হয়ে যায় ফুলকি। তখন ফুলকি তাঁর স্যারকে বলে, সে বিশ্বাসই করতে পারছে না তাঁর জন্য এতকিছু আয়োজন করা হয়েছে। এই শুনে রোহিত বলে, ‘তুমি দেশের জন্য সোনার পদক জিতেছ। আর এটা তো খুবই সামান্য আয়োজন। আরও বড়ো আয়োজনের যোগ্য তুমি’।

এরপরই শুরু হয়ে যায় সম্বর্ধনা সভা। প্রথমে, পাড়ার লোকেরাই অনুষ্ঠান শুরু করলেও পরে সঞ্চালিকা হিসাবে দায়িত্ব পালন করে লাবণ্য। এরপর, লাবু তাঁর কাকুমণিকে স্টেজে ডেকে নেয়। প্রথমে, কাকুমণি রোহিতকে বিশেষ সম্বর্ধনা দেয় আর বলে, ‘রোহিত কোনোদিন ভাবতে পারিনি আমি তোকে সম্বর্ধনা দেবো’।
এরপর, জেঠিমণির হাত থেকে বিশেষ সম্বর্ধনা পায় ফুলকি। আর তারপরেই সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হয় ফুলকি। এমনকি, সাংবাদিকরা রুদ্রর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেও ফুলকি সেইসব কিছুর উত্তর ধানুকে দেওয়ার জন্য বলে। এরপরেই শুরু হয়ে যায় নাচ-গানের অনুষ্ঠান।
এরপর তমাল স্টেজে রোহিত কে দেখে নেয় ফুলকির জন্য বিশেষ কিছু বলার জন্য। কিন্তু, রোহিত বলে ফুলকিকে নিয়ে বলতে শুরু করলে এক লাইনে কখনোই শেষ হবে না। তাই, রোহিত তার উদ্দেশ্যে একটা গান গাওয়ার কথা বললেন। আর, রোহিতের গানে আবার মগ্ন হয়ে উঠল ফুলকি।
আরও পড়ুনঃ মৃত্যুর মুখোমুখি রায়ান! পারুলের বুদ্ধিতে অসম্পূর্ণ রয়ে গেল তূর্যর প্ল্যান! ফাঁ’স আজকের পর্ব
রোহিতের গানের শেষেই অনুষ্ঠানে এসে হাজির হয় ফুলকির বাবা। এরপর, ফুলকি তার আনন্দকে উদযাপন করার সবার অনুমতি নিয়ে বাবার সঙ্গেই বেরিয়ে পড়ে মাল ডেলিভারি করার জন্য। কিন্তু, এদিকে মার ডেলিভারি করতে গিয়ে বিপদের সম্মুখীন হয় ফুলকি ও তার বাবা। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, বাড়ি ফেরা মাত্রই ফুলকি রোহিতকে সবটা খুলে বলছে। এর থেকেই অনুমান করা যায়, রায় চৌধুরী বাড়ির শত্রুপক্ষ আবার কিছু ঘটাতে চলেছে।
