রায়চৌধুরী পরিবারে বিয়ের মন্ডপেই চলছে ভরপুর নাটক। ভালোবাসা বাঁচাবার স্বার্থে ঈশিতা নাকি নিজের গায়ে বোম্ব বেঁধে এসেছে। জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, ঈশিতা গায়ে বোম্ব বেঁধে এসে তমাল ঝিনুকের বিয়েতে বাধা দিচ্ছে।
এই দেখে ফুলকির ঈশিতাকে সন্দেহভাজন মনে করায় তাঁর কাছে গিয়ে সপাটে কয়েকটা থাপ্পড় মারে। এরপর, ফুলকি তাঁকে বলে তাঁর মতন আরাম প্ৰিয় মানুষ এমন কাজ করতেই পারে না, সবটাই ঈশিতার নাটক।

এরপর, ফুলকি আবারো তাকে মারতে যাওয়ায় বাধা দেয় ঈশিতা নিজেই। এরপর, ফুলকিকে জিজ্ঞাসা করে তাঁর এত বড়ো সাহস হয়ে কীকরে সে ঈশিতার গায়ে হাত তুলছে। এরপর পরিস্থিতি বুঝতে না পেরে ঈশিতা কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। এমন সময় এসে পরে পারমিতা ও অংশুমান।
অংশ এসে বলে পান্তা পিকনিকের দিনই তাঁকে থানায় দেওয়া তাঁর উচিত ছিল। তাই, এই বিয়ে বাড়িতেই বাধ্য হয়ে অংশুকে পুলিশ ডাকতে হয়। এমন সময় পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে বুঝতে পেরে ঈশিতা মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীর নাটক করতে থাকে। তমালের কাছে গিয়ে বলে, সে যদি তাঁকে বিয়ে না করে তাহলে পাগল হয়ে যাবে। আর তার জন্য দায়ী থাকবে তমাল। ঈশিতার এই বাড়াবাড়ি দেখে এবার তমালের পাশে এসে দাঁড়ায় ঝিনুক।
ঝিনুক ঈশিতাকে বলে, তার এতদিন সব অন্যায় সহ্য করে নিয়েছে, কিন্তু এখন আর নয়। এখন থেকে তমালের পাশে ঝিনুক থাকবে, তাঁকে রক্ষা করবে। এই সমস্তটাই দূর থেকে দেখতে পায় রুদ্রর বোন। তবে, রুকু সুযোগ বুঝে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর হাত লেগে ফুলদানি পরে যাওয়ায় সবাই দেখে ফেলে তাঁকে। এমন সময় লাবু বলে ওঠে, ‘ওহ তুমিও এই কাণ্ডে জড়িত’। আর, এরপরেই মনের রাগে অনেক কথা শোনাতে থাকে রোহিত-ফুলকিদের।
এই সময় চলে আসে পুলিশ আর ঈশিতাকে ধরে নিয়ে যেতে গেলেও ফুলকি চায় তমাল ঝিনুকের বিয়েটা ঈশিতা যেনো সামনে থেকে বসে দেখে। তাই আর দেরী না করে ঈশিতাকে চেয়ারে বসিয়ে দড়ি দিয়ে বাঁধে আর তার পরেই শুরু হয় বিয়ের বাকি আচার-অনুষ্ঠান। এই সময় মনে মনে ঈশিতা ভাবে, সে কিংবা রুদ্র কখনোই এই ফুলকিকে ছেড়ে দেবে না। এরপর, ঈশিতাকে মিষ্টি মুখ করিয়ে সংশোধনাগারের দিকে পাঠিয়ে দেয় ফুলকিরা।
আরও পড়ুনঃ বসু বাড়িতে রায়ানের সঙ্গে ফিরল পারুল! জিতে গেলো ন্যারা গোয়ালের মেয়ে! কি হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে?
অশান্তি বিদায় হতেই আবার সবার মুখে হাসি ফুটে ওঠে। শুরু হয়ে যায় বিয়ে বাড়ির আনন্দ। বাসর ঘরে নতুন বর-বউ একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে দেয় আর তারপরে নাচ গান সহযোগী জমে উঠে বাসর রাত। ই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে পর্বে দেখা যাবে, রায়চৌধুরী বাড়ির সবাই ফিরছে জীবনের নিত্য ছন্দে। জেঠিমণি ফুলকিকে তাঁর বক্সিং নিয়ে বলে, ” এইবার আমি তোর ম্যাচ দেখতে যাব, যদি তুই ফাইনালে উঠিস”। এই শুনে খুবই আনন্দিত হয়ে যায় ফুলকি। জেঠিমণি আরো বলে, “ওই জায়গায় তথার মৃত্যু হয়েছে জেনেও যাবো। সেটা রুদ্রর মুখের ওপর একটা যোগ্য জবাব দেওয়া হবে”।
