বসু বাড়িতে ফিরতে না ফিরতেই রায়ান ফুলকির মধ্যে দেদার ঝগড়া শুরু হয়েছে। রায়ানকে জীবনের সঠিক পথে আনতে করা পদক্ষেপ নিচ্ছে পারুল। জি বাংলার ‘পরিণীতা’ (Parineeta) ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, অনেক ঝামেলা অশান্তির পর রায়ানের হাত ধরে ফ্ল্যাটে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় শিরিন। এমন সময় শিরিনের হাত থেকে রায়ানের হাত ছাড়িয়ে নেয় পারুল।
পারুল সেদিনকে বারবার অশান্তি বাধাতে বারণ করলেও সে কোন কথাই শোনে না। এমন সময় ঠাম্মি পর্যন্তও সিঁড়িঙ্গে তার বাবা মায়ের কাছে ফিরে যেতে বলে। কিন্তু, নাছোড়বান্দা শিরিন রায়ানকে নিয়ে যাওয়ার সময় পারুল বাধা দিলে তাকে ঠেলে ফেলে দেয়। তাই, পারুল প্রচন্ড রেগে গিয়ে শিরিনকে থাপ্পড় মারে। এমন সময় পারুল নিজের স্ত্রীয়ের অধিকার ফলায় রায়ানের ওপরে। এরপর দাদুও তার কথার মাধ্যমে শিরিনকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে।

এরপর শিরিন বাড়ি থেকে চলে গেলে রায়ান সবার উপরে রাগারাগি করতে থাকে। আর এর জন্যই পারুলের সঙ্গে রায়ান আবার ঝগড়া শুরু করে দেয়। পারুল বলে, এতদিন তাকে কেউ সঠিকভাবে শাসন করেনি বলে আজ তার এত বারবাড়ন্ত হয়েছে। রায়ান পারুলকে বলতে চাইছে, সে শান্ত মাথায় শিরীনকে বোঝাচ্ছিল কিন্তু তার মধ্যে সব বিগড়ে দিল কেন? এরপরেও রায়ান একাধিক অভিযোগ করে তার পরিবারের বিরুদ্ধে। শিরিন যেহেতু যার ছোটবেলাকার বন্ধু তাই তার সঙ্গে একটা অন্য যোগাযোগ রয়েছে, এটার রায়ান কখনোই নষ্ট হতে দেবে না।
রায়ান বলে, এরকম বাধা-ধরার মধ্যে থাকার চেয়ে জেল অনেক ভালো ছিল। পারুল বলে ওঠে, ‘ঠিক আছে নয় আজ থেকে এই বাড়িটাকেই জেলখানা বলে মনে কর দাদুর নাতি’। পারুল এবং দাদু মিলে এইভাবে শিরিনকে তাড়িয়ে দেওয়াতে বসু বাড়ির কেউ কোনো প্রতিবাদ করল না, এই দেখে আরো রেগে যায় রায়ান এবং ঘরে চলে যায়।
রায়ান ঘরে চলে যাওয়ার পরেই পারুল মৈনাককে বলে সারাদিন যেন সে রায়ানের ওপর নজর রাখে সারাদিন কি করছে বা না করছে। এরপর দাদু পারুলের এই রূপ দেখে খুবই প্রশংসা করে এবং বলে এতদিন বসু বাড়ির সবাই যা করে উঠতে পারেনি তা পারুল করে দেখিয়েছে।
অন্যদিকে শিরিন বাড়ি ফিরে গেলেও মনে মনে পাগলির বিরুদ্ধে সে রাগ বসে রেখেছে। এমন সময় রায়ান শিরিনকে ফোন করতে গেলেও মৈনাক কিছুতেই তাকে ফোন করতে দেয় না। ফোন দিয়ে টানাটানি করতে গিয়ে জলে পড়ে যায় ফোনটা।
আরও পড়ুনঃ ফের ঈশিতার হাজতবাস! রুদ্রর মুখের ওপর যোগ্য জবাব দিতে গেমস ভিলায় জেঠিমণি! ফাঁ’স ধারাবাহিকের আগামী পর্ব
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, পারুল রায়ানকে বলছে, ‘শিরিন তার বাবা-মায়ের কাছে পারুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেছিল বলে, পাতা কেটে দিয়েছে’। এই শুনে রায়ান সজোরে পারুলের গলা চেপে ধরে তোমার এত বড় সাহস তুমি বাড়ির বউ এর গায়ে হাত তোলো’। এরই সঙ্গে দেখা যায়, কলেজে গিয়ে পারুল তূর্যকে নিমন্ত্রণ জানায় তার বাড়িতে যাওয়ার জন্য। এমন সময় তূর্য মনে মনে ভাবে, তার দাদুকে যে খুন করেছিল সেও একজন সোনার দোকানের মালিক ছিল।
