কুলোর বাতাসে বিদায় হল অলক্ষ্মী। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকে গত পর্বে দেখা গেছে, তমাল ঝিনুকে জিজ্ঞাসা করছিস কি কেন এত দেরি করে এসেছে? এমন সময় এদের দুজনের সম্পর্কের সমীকরণ দেখে বিয়ে দেবার ফন্দি আঁটতে থাকে ফুলকিরা। আর, এরপরই শুরু হয়ে যায় পান্তা পিকনিক।
নাচে-গানে-হইহুল্লোরে মেতে ওঠে রায়চৌধুরী পরিবার। ছোট থেকে বড় সবার মধ্যেই রয়েছে অফুরন্ত আনন্দ। কিন্তু এত আনন্দের মধ্যেও ঝামেলা সৃষ্টি করে ঈশানি। যেই না শোনে ঈশানী ঝিনুক তমালের বিয়ের কথা তখনই রীতিমতো রে রে করে তেড়ে আসে।

নানান তর্ক বিতর্কের মাধ্যমে ঈশানি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে কোন মতেই তমালকে বিবাহ বিচ্ছেদ দেবে না। এরপর বিভিন্ন কথার মধ্য দিয়ে তমাল জানতে পারে রুদ্র কেস চলাকালীন রায় চৌধুরী বাড়ির সমস্ত কথা ঈশানী জানাত রুদ্রকে। এই শোনার পরে বেজায় রেগে যায় তমাল।
অন্যদিকে আবার, ঈশানী নাটক করে অজ্ঞান হয়ে যায়। এমন সময় ফুলকি নিজের দুষ্টু বুদ্ধি খাটিয়ে একটা ছুটির মধ্যে গোবর লাগিয়ে ঈশানিকে শোকালেই তাঁর আসল সত্যিটা বেরিয়ে আসে। কিন্তু এদিকে আবার দেখা যায়, তমাল ঝিনুকের কাছে এসে বলে সে যেন কখনোই তার হাত ছেড়ে না যায়।
এরপর দেখা যায় থাক বাড়ির সব মহিলারা ঝাড়ু হাতে নিয়ে ঈশানীকে সাষাতে থাকে যাতে সেই ডিভোর্স পেপারে সই করে দেয়। বাধ্য হয়ে ঈশানী ডিভোর্স পেপারে সই করে দিল মনে মনে সে রাগ চেপে রাখে এবং ভাবে এই অপমানের বদলা সে নেবেই। এরপর কুলোর বাতাস দিয়ে ঈশানীকে খেয়ে বাড়ি থেকে চিরতরে তাড়িয়ে দেয় ফুলকিরা।
ঈশানী বাড়ি থেকে চলে যেতেই আবার হইচই করতে থাকে বাড়ির সবাই। এমনকি, সেই মুহূর্তেই বাড়ির ছোট সদস্যরা তমালকে বলে ঝিনুককে বিয়ের প্রস্তাব দিতে। প্রাথমিকভাবে খানিকটা ভ্যাবাচ্যাকা খেলেও পরবর্তীতে তমাল ঝিনুককে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।
আরও পড়ুনঃ নিজের অজান্তেই খু’নের মতন গুরুতর অপরাধে ফেঁসে গেল রায়ান! এই অবস্থায় পারুল পারবে তো রায়ানকে বাঁচাতে?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, তমালের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ঝিনুকের বাবা-মায়ের কাছে গেছে রায়চৌধুরী পরিবারের সবাই। দিন ঠিক হলো আশীর্বাদের। আর, অন্যদিকে জেল বন্দি হয়ে অন্য আসামীদের হাতে মার খাচ্ছে রুদ্র।
