রায়চৌধুরী পরিবারে বইছে এখন খুশির হাওয়া। দীর্ঘ বহুদিন পর ‘ফুলকি’ (phulki) রোহিতের পরিবার দেখল সুখের মুখ। জি বাংলার ফুলকি ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, জেঠিমণির কেস চলছে আদালতে। আর, এই কেসের জন্যই ধানু সাক্ষী হিসাবে ডেকেছে একজন সাংবাদিককেও।
দুই তরফের উকিল সেই সাংবাদিককে নানান জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে যথারীতি উকিলদের মধ্যে কেস জেতার লড়াই চলতে থাকে। আর, এই সবকিছুর মধ্যেই হঠাৎ জেঠিমণি নিজের কিছু মন্তব্য জজ সাহেবকে বলতে অনুরোধ জানান। এই শুনে, ফুলকিরা মনে করে জেঠিমণি বেফাঁস কিছু বলে ফেলে তাহলে খুব মুশকিল হবে।

আর, এরপরেই জেঠিমণি কেন রুদ্রকে মেরেছে তাঁর আসল কারণ জানায় জজ সাহেবকে। জেঠিমণি এও জানায় যে, সে কোনদিনও হাতে আগে পিস্তল ধরেনি বলে ঠিক করেই গুলি চালাতে পারেনি। ফলে, রুদ্র বেঁচে যায়, খানিক আক্ষেপের সুরেই বলে হৈমন্তী। এরপর কাঁদতে কাঁদতে কাঠগড়াতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
এরপর জজ সাহেব আর কোন পক্ষের উকিলের কথা না শুনেই সোজাসুজি রায় দান করে ফেলেন। তিনি বলেন, সব মামলা কি আদালত এক চোখে দেখতে পারেনা। একটি মায়ের কাছে তাঁর সন্তানের মৃত্যু ভীষণই যন্ত্রণাদায়ক এবং হৈমন্তী দেবী এই যন্ত্রণা থেকেই মানসিক অবস্থা ঠিক রাখতে না পেরে হঠকারিতা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। সবশেষে জজ সাহেব জেঠিমণিকে বেকসুর খালাস করে দেন।
এদিকে, রোহিতের মা বরণ করে বাড়িতে আহ্বান জানায় হৈমন্তীকে। এরপর, বাড়ির সবাই মিলে পরিকল্পনা করতে থাকে কিভাবে তারা খুশির খবরকে উদযাপন করবে? এর মধ্যে ফুলকি বলে পান্তা পিকনিক হবে। আর, ফুলকির কথা মতই সবাই সেজেগুজে ব্যস্ত হয়ে যায় পান্তা তৈরিতে। এদের সঙ্গে এসে যোগ দেয় অংশুমান ও পারমিতা।
আরও পড়ুনঃ বেকসুর খালাস জেঠিমণি! খুশির হাওয়া বইছে রায় চৌধুরী পরিবারে! কী হতে চলেছে আগামী দিনে ‘ফুলকি’র পরিবার?
বাড়িতে সবাই থাকলেও তমালের নজর খুঁজতে থাকে ঝিনুককে। এমনকি, তমাল-ঝিনুকের বিয়ের পরিকল্পনা করতে থাকে। এই সবটাই, আড়াল থেকে শুনতে পায় ঈশানি এবং মনে মনে ভাবে তাকে যে করেই হোক এই বাড়িতেই টিকে থাকতে হবে। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, বাড়িতে চলছে মহোৎসব। নাচ গান হই হুল্লোরে মাতোয়ারা রায় চৌধুরী বাড়ির প্রতিটা সদস্য। আর এর মধ্যেই রোহিত আবারও বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় ফুলকিকে।
