জি বাংলার ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিক চলছে এখন শত্রু বিনাশের লড়াই। সত্যের সঙ্গে লড়াইয়ে বরাবরই হার হয়েছে মিথ্যের, এই ধারণা নিয়ে প্রতিনিয়ত মনের জোর বাড়াচ্ছে রায়চৌধুরী পরিবারের সদস্যরা। এই ধারাবাহিকের গত পর্বে দেখা গেছে, দিল্লির ক্যাফে থেকে অজানা এক দল ছেলে বেরিয়ে যাওয়া মাত্রই ফুলকির কথা শুনে টনক নড়ে রোহিতের।
ফুলকির কথা শুনে রোহিত মনে মনে ভাবে ২০২০ সালের সিসি টিভি ফুটেজ থেকে কোনো প্রমাণ পেলেও তাঁরা পেতে পারে। এরপরেই, পান্ডেজিকে ফোন করে ডাকে ফুলকিরা। আর, পান্ডেজি আসা মাত্রই তিনি আশীষ চতুর্বেদীর নামে এক ব্যক্তির থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যেতে পারে।

আর, এই শুনে রোহিতরা চলে যায় আশীষ চতুর্বেদীর বাড়ি। এদিকে, রায়চৌধুরী বাড়ির সবাই চিন্তায় ব্যস্ত হয়ে উঠছে ফুলকিরা ঠিক আছে কিনা কিংবা দিল্লিতে আদৌ কোনো তাঁরা প্রমাণ পেল কিনা এই ভেবে।
ফুলকিরা আশীষ বাবুকে খুঁজতে চলে গেছে এপার্টমেন্টে। কিন্তু, রোহিতরা গিয়ে জানতে পারে সেদিনই সে বেরিয়ে গেছে USA যাওয়ার উদ্দেশ্যে। এই শুনে তাঁরা প্রায় হতাশাগ্রস্ত হয়েও রওনা দেয় এয়ারপোর্টের দিকে। এদিকে, অনবরত রোহিতদের ফলো করতে থাকে রুদ্রর লোকেরা অর্থাৎ জামাল ভাই। এমনকি, এইসব খবর রুদ্র শোনা মাত্রই সে জামাল ভাইকে বলে কয়েক দিনের জন্য আটকে রাখতে।
আরও পড়ুনঃ দিল্লি অভিযানে ফুলকি-রোহিত! হেস্ত নেস্ত করেই ছাড়বে ফুলকি! ঘনিয়ে আসছে রুদ্রর শেষ দিন!
এদিকে, রায়চৌধুরী বাড়িতে তমাল আর ফুলকির দিদির কথা আড়াল থেকে শুনছে। আর, অন্যদিকে থানার বড়োবাবুর সঙ্গে রুদ্রর ঘনিষ্ঠতার কথা সবটাই ফোন মারফত অংশু জানায় রোহিতদের। এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, সিসিটিভি ফুটেজে রুদ্রর তথাগতকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার প্রমাণ পায়। এই দেখে ফুলকি বলে, ‘এবার রুদ্র রূপ সান্যালের শাস্তি হওয়া কেউ আটকাতে পারবেনা। কেউ না, জয় মা কালী’।
