একটি গ্রামের মেয়ের হঠাৎ করে শহরের ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়ে কলকাতায় এসে পড়াশোনার জন্য কলেজে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার পর জীবনে বদল ঘটে। এটি জি বাংলার পরিণীতা সিরিয়ালের গল্প। গত প্রায় ৩মাস হল এই সিরিয়ালটি শুরু হয়েছে এর মধ্যেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে ‘পরিণীতা’।
এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র দেখতে পাওয়া যাচ্ছে উদয় প্রতাপ সিং এবং ঈশানী চট্টোপাধ্যায়। এর মধ্যেই সিরিয়ালের জন্য এসেছে সবচেয়ে বড়ো সুখবর। মাত্র দু মাসের মধ্যেই বাংলার টপার স্থান ছিনিয়ে নিলো ‘পরিণীতা’ ধারাবাহিক। এমনিতেও প্রতি সপ্তাহতে বিভিন্ন সিরিয়ালের কলাকুশলী সহ প্রযোজক এবং পরিচালকের মধ্যে চলতে থাকে এক দারুন দুশ্চিন্তা। প্রতি সপ্তাহে পিআরপির ফলাফল ওঠা-নামার মাধ্যমেই ছোট পর্দায় টিকে থাকার লড়াই চলতে থাকে প্রতিটা ধারাবাহিকের। তার মধ্যে তিন মাস বেরোতে না পেরেতেই একটা নতুন সিরিয়ালের জন্য এরকম এক সুখবর খুবই অপ্রত্যাশিত ছিল ‘পরিণীতা’র টিমের কাছে।
এই খবর পাওয়া মাত্রই নবাগতা অভিনেত্রী ঈশানী বলে, ” আজকে সিটি প্রায় কেউই নেই। সবাই মিলে একসঙ্গে মজা করতে পারছি না। তবে দারুণ খুশি মিষ্টি খাওয়া হবে নিশ্চয়ই। তবে শুধু সাফল্যকে মনে রাখলে হবে না। আমাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে, যাতে দর্শকের একইভাবে ভালোবাসা পাওয়া যায়।”
আরও পড়ুনঃ হৈমন্তীর সামনে এলো রুদ্রর শ’য়তানি চেহারা! স্নেহের পর্দা সরিয়ে সত্যিটাকে মানতে পারবে তো হৈমন্তী?
অভিনেত্রী আরও জানান, “প্রথম দিকে যা ট্রোলিং হচ্ছিল, ভেবেছিলাম দর্শকেরা হয়তো আমাকে মেনে নেবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে দর্শকেরা পারুলকে ভালবাসতে শুরু করে। আমি হয়তো একটু হলেও ফুটিয়ে তুলতে পারছি এই চরিত্রটা এবং অবশ্যই সকলে দারুণ কাজ করছেন। তাই পারুলকে ভরসা করতে শুরু করেন দর্শকেরা। আশা করি পরবর্তী সময়েও পারুলকে বিশ্বাস করবেন তাঁরা”। এমন কি দর্শকেরা এই খবর পাওয়া মাত্রই অনেকেই খুশি হয়েছেন।
