জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল কোন গোপনে মন ভেসেছে ( Kon Gopone Mon Vesechhe )। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় অফিসের প্রথম দিনেই অনিকেতের সাহায্যে শ্যামলী অনেক বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায়, সকলে তার রান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে এবং অফিসে তাদের কাজটা পুরো পাকাপাকি হয়ে যায়। কিন্তু শ্যামলীর মনে সংশয় দানা বাঁধে, সে বারবার ভাবতে থাকে সে এত বড় ভুল কী করে করল? সে তো খাবারে নুন কম দিয়েছিল এতটা নুন তো হতে পারে না!
কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ২৩ সেপ্টেম্বর/kon gopone mon veseche today full episode 23 September-
পর্বের শুরুতেই দেখতে পাওয়া যায় মন্দার শ্যামলীকে বলে তুই এত মন দিয়ে রান্নাটা করলি, কার এত দরদ উঠলে উঠল বলতো যে, রান্নায় এতখানি নুন ফেলে দিল? শ্যামলী বলছে তোরও মনে হয়েছে কথাটা, এই জানিস তো আমারও মনে হয়েছে। আমার যতই চিন্তা থাক, নুন একটু কম বেশি হতে পারে, কিন্তু এরকম নুনে পোড়া হওয়া সম্ভব নয়। আমি প্রথমদিন এসে কাকে আবার শত্রু বানিয়ে ফেললাম? ওদিকে সুদর্শনা ভাবতে থাকে, এত অল্প সময়ের মধ্যে শ্যামলী কী করে সবটা ঠিক করল বুঝতেই পারছি না!

সুদর্শনাকে অফিসের অন্য একজন পুরুষ সহকর্মী এসে বলে, কিরে তুই যে বলেছিলিস আজকে অফিসের ক্যান্টিনের খাবার নাকি মুখেই তোলা যাবে না! খাবার তো এত ভালো হয়েছে যে ওদের টেন্ডার পুরো ফাইনাল হয়ে গেছে, তোর বয়ফ্রেন্ডের আর এখানে টেন্ডার পাওয়া হলো না! এরই মধ্যে অনন্যা ম্যাম এসে বলে, বিশ্বকর্মা পুজোর কার্ড গুলো সকলকে দিয়ে দিতে এবং শ্যামলীদেরকেও দিয়ে দিতে। সুদেষ্ণা বলে, ওরা তো এই সদ্য এসেছে এখনই? অনন্যা তখন বলে, হ্যাঁ এটা কোম্পানির সিওর অর্ডার। শ্যামলীদের অফিসে এতটা বাড় বাড়ন্ত এবং ভালো আদর যত্ন দেখে রাগে জ্বলতে থাকে সুদর্শনা।
অন্যদিকে অফিসে বসে এক মনে কাজ করছে অনিকেত। সেই সময় তীর্থঙ্কর বলে, যদি কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম সাহায্য লাগে তাহলে বলতে পারেন! অনিকেত তখন বলে, না এই কাজটা একটু গোপনীয়! তীর্থঙ্কর বলে, এই তো অফিসে এলেন? এর মধ্যেই কাজের গোপনীয়তা শুরু? অনিকেত বলে, নাহ, সেরকম কিছু নয়, আমি আসলে কাজটা নিজের মতো করে করতে চাইছি! তীর্থঙ্করের বিষয়টা ভালো লাগে না। অন্যদিকে অনিকেত ভাবতে থাকে, এক কাপ কফি হলে ভালো হতো কিন্তু যেহেতু শ্যামলী আছে তাই সে গিয়ে চাইতে পারে না।
অন্যদিকে অনিকেত কাজ করছে দেখে শ্যামলী অনিকেতকে কফি দিয়ে আসে, অনিকেত তখন বলে আমি কী আপনাকে চেয়েছি? শ্যামলী বলে আজকে আপনি আমাদের সাহায্য করেছেন, তাই আমাদের তরফ থেকে এটা একটা সামান্য উপহার, আপনার জন্য আমি এনেছি, আপনার মন হলে খাবেন, না মন হলে খাবেন না। অন্যদিকে অফিসের সিকিউরিটি গার্ড অনিকেতের ঘরের দিকে নজর রাখলে মন্দার সেটা ধরে ফেলে। শ্যামলী বেরিয়ে এলে মন্দারের সাথে হাসাহাসি করতে থাকে অনিকেত তখন বলে এই মন্দারের সাথে মিশেই আপনার এরকম হয়েছে!
ওদিকে বাড়িতে ফিরে অপরাজিতার হাতে গিয়ে মোচা ধরিয়ে দেয় মন্দার যেটা দেখে অপরাজিতা রেগে যায়। শ্যামলী অফিসের সব ঘটনা বাড়িতে বলে।অনিকেতের বাবা তখন বলে তোর অফিসে যাওয়ার দরকার নেই আর কাল থেকে, তুই কষ্ট পাবি এটা আমি চাই না। শ্যামলী বলে, তার নতুন করে কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই। সে তখন বলে সে ঠিক করেছে বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে সে খিচুড়ি করবে অফিসে, যেটা শুনে সবাই খুশি হয়ে যায়। অন্যদিকে অনিকেত এসে দেখে অহনা আগের দিনের মতো আজকেও পার্টি করছে।
আরও পড়ুন: পিয়াল পায়েলের সম্পর্ক কাঁটা হয়ে দাঁড়াল রুদ্র! ফুলকি কি পারবে পিয়ালকে বাঁচাতে?
অহনাকে অনিকেত তখন জিজ্ঞেস করে আবার এসব কেন শুরু করেছ? তখন অহনা বলে, তোমাকে সারপ্রাইজ দেবো বলেই এসব করলাম! অনিকেত তখন ঘরে চলে যায় আর বুঝতে পারে অহনাকে পছন্দ করা তার জীবনের সবথেকে বড় ভুল। তবে কি এইবার নিজের ভুল শুধরে নেবে অনিকেত?
