জি বাংলার ( Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি ( Phulki )। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে অংশুমান ও পারমিতার বিয়ের পর রায় চৌধুরী বাড়ির সকলে খুশি থাকলেও রেগে গিয়েছে হৈমন্তী এবং সে বাড়ির সকলকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে। নিজের বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে তার জামাই রুদ্রের বাড়িতে গিয়ে উঠেছে, সেখানে হৈমন্তীকে তার মেয়ে লাবুও বোঝাতে থাকে কিন্তু হৈমন্তী রুদ্র ছাড়া কারোর কথা শোনে না।
ফুলকি আজকের পর্ব ১০ সেপ্টেম্বর/phulki today full episode 10 September
এই ধারাবাহিকের শুরুতেই দেখা যায় যে ঈশিতা আর ফুলকির মধ্যে রুটি বানানোর কম্পিটিশন চলছে। ঈশিতা খুব ভালো রুটি বানালেও ফুলকি বানাতে পারেনা। তখন রোহিত বলে, এতদিন ধরে বৌদির সাথে থেকে কী শিখলে বলতো? অন্যদিকে ফুলকির অবস্থা দেখে ঈশিতা হাসতে থাকে। তখন রোহিত একটা বড় বাটি নিয়ে আসে আর সেটা দিয়ে কেটে কেটে গোল বানাতে থাকে যেটা দেখে ঈশিতা বলে এটা কিন্তু চিটিং হচ্ছে তুমি হেরে গেছো এটাই বড় কথা।

এরপর পিয়ালের বন্ধু পায়েল এসে বলে, আমার সাইকেলের টায়ারটা পাংচার হয়ে গেছে আমি তাই ভাবলাম তোর সাথে পরীক্ষা দিতে যাব এটা শুনে তো পিয়াল খুব খুশি হয়ে যায় আর পায়েল কে বলে, কোথায় টায়ার পাংচার হয়েছে চল তো দেখি? এই বলে হাত ধরে নিয়ে চলে যায় আর পুরো বিষয়টা ঈশিতা দেখে সে তখন তমালকে বলে পায়েলকে নিয়ে তোমার ভাই যা করছে, তাতে আমি নিশ্চিত তোমার ভাই পায়েলকে লাইন মারছে। ওতো ছোট তাই তোমাকে বলে দিলাম।
এরপর তমাল ধানু আর ফুলকিকে জিজ্ঞেস করে বিষয়টা কী বলতো? ধানু বলে, না না, এসব কিছু নয়। তখন রোহিত বলে পিয়ালের তো বেশ ভালোই উৎসাহ দেখলাম, যাই হোক ওর ফিলিংসটাকে একটু কন্ট্রোল করতে বলো, আর কিছু বলার নেই। অন্যদিকে পিয়ালের বন্ধুর জন্য কিছু খাবার বানাতে পারল না ফুলকি, এই কারণে সে মন খারাপ করে। ধানুকে সে নিজের মন খারাপের কথা বললে ধানু বলে আস্তে আস্তে সব শিখে নিবি।
অন্যদিকে রুদ্রকে দিয়ে বাজার করিয়ে সকাল সকাল রান্না করতে শুরু করেছে লাবু। হৈমন্তী জিজ্ঞেস করে কী হচ্ছে? তখন লাবু বলে যে, সে অংশুমান পারমিতা ও বাড়ির সবাইকে নেমন্তন্ন করেছে খাওয়াবে বলে, যেটা শুনে রেগে যায় হৈমন্তী। এরপর রুদ্র এসে হৈমন্তীকে বলে, মা ওরা যা করছে করুক, তুমি ওদিকে পাত্তা দিও না। তুমি এখন এখানেই থাকো, মাস্টার মশাইকে একটু শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।- রুদ্রর এই কথা শুনে নেয় ফুলকি আর সে লাবুকে বলে এইসব জামাইবাবু কী বলছে জেঠিমাকে! জামাইবাবুর তো উচিত জেঠিমাকে বোঝানো।
আরও পড়ুন: বাস্তব থেকে পালিয়ে যাচ্ছে দর্শক! বাস্তব সম্মত ধারাবাহিকগুলির টিকে থাকাই দায়!
রুদ্র তখন বলে ফুলকি দাস চলে এসেছে লাবুর কান ভাঙাতে! ফুলকি তখন বলে আমি কিছু ভুল বলিনি, আমি যা বলেছি একদম সত্যি কথা বলেছি। তখন লাবু রুদ্রকে বোঝাতে থাকে যে সে যেটা করছে সেটা একদম ঠিক নয়। তাহলে চাপে পড়ে কি রুদ্র হৈমন্তীকে ফুলকিদের সাথে বাড়িতে পাঠিয়ে দেবে?
