জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকিতে (phulki) দেখা যায় যে পারমিতা আর অংশুমানের বিয়ে হয়ে গেছে বলে জেঠিমনি খুব রেগে ছিল। এরমধ্যে বাড়িতে খাবার না খেয়ে বাইরে থেকে ভোগ আনিয়ে খাওয়া নিয়ে ঝামেলা হয় জ্যাঠা মশায়ের সাথে এরপর জেঠিমনি হৈমন্তী বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং রুদ্রর অফিসে গিয়ে ওঠেন।
ফুলকি আজকের পর্ব ৯ সেপ্টেম্বর/phulki today episode 9 September
আজকের পর্বে শুরুতে দেখা যায় যে লাবু রুদ্র অফিসে গিয়ে দেখতে পায় তার মাকে আর সেই তার মাকে বলে যে কেন সে এরকম ছেলে মানুষী করছে! রুদ্র তখন হৈমন্তীকেই সাপোর্ট করে বলে তুমি মায়ের কষ্টটা বোঝো। লাবু তখন বলে কিন্তু বাবার তো বয়স হচ্ছে বাবার বিষয়টা তো তোমাদের ভাবা উচিত। যত যাই হোক মায়ের বেরিয়ে আসা উচিত হয়নি এতে বাবার শরীর আরও খারাপ হবে ।

এরপর দেখা যায় তমাল, পিয়াল,ধানু, কাকুমনি ফুলকি রোহিত সবাই চলে এসেছে রুদ্রর অফিসে। কাকুমনি গিয়ে বলে বৌদি তুমি চলে এসেছো, দাদা তো শরীরটা খারাপ হয়েছে! হৈমন্তী তখন বলে সমস্ত ওষুধপত্র টেবিলে রাখা আছে তোমার দাদাকে নিয়ে নিতে বল আমি এখন বাড়ি ফিরব না। এরপর ধানুরা বলে তুমি বাড়িতে নেই, খাওয়া-দাওয়া সেরকমভাবে ভালো হচ্ছে না, তুমি তো বলে দাও কী হবে না হবে!
হৈমন্তী তখন বলে এইসব কথা তোমাদের বলতে কে শিখিয়ে দিয়েছে ফুলকি! লাবু তখন বলে তুমি সব বিষয়ে কেন ফুলকিকে ভুল বোঝো! বাড়ির সবাই মিলে জেঠিমনিকে বাড়িতে ফিরে যেতে অনুরোধ করে কিন্তু রুদ্র ইশারায় মানা করে দেয় আর সেটা শুনে হৈমন্তী যায় না আর রুদ্র যে মানা করছে সেটা আবার ফুলকি দেখে নেয়। সে সকলকে বলে দেয় সে দেখতে পেয়ে গিয়েছিল জামাইবাবু মানা করেছে জেঠিমাকে।
রুদ্র বলে, মা কটা দিন আমার কাছে থাক মায়ের মন ভালো হলে ফিরে যাবে। এরপর সবাই পারমিতার বাড়ি যায় পারমিতার হাতের মুড়ি মাখা খায় আর ফুলকি লাবু বলে তুমি এক কাজ করো, তোমার বাড়িতে একটা খাওয়া দাওয়ার অনুষ্ঠান করো, আমরা সবাই সেখানে যাব। জেঠিমাকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত করে দাও জেঠিমা বুঝুক, জেঠিমা ছাড়া আমাদের কোন কাজ হয় না।
আরও পড়ুন: ন্যায়ের পথে থেকে অন্যায়ের বিরোধিতা করছে শ্যামলী! স্বামীর ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সে!
এদিকে বাড়ি ফিরে আসার পর আবার রান্নাঘরে ঢুকে পড়ে ফুলকি, সেটা দেখার পর তমাল ধানুরা বলে, ঈশিতাকেও রান্না ঘরে ঢোকাতে হবে সব দায়িত্ব ফুলকির কাঁধে ফেললে হবে না। এরপর ঈশিতা রান্না ঘরে এলে বুদ্ধি করে তমাল, ধানুরা বলে দেখি রায়চৌধুরী বাড়ির দুই বউয়ের মধ্যে কে ভালো লুচি করতে পারে! এটা শুনে ঈশিতা খুব সুন্দর করে লুচি করতে শুরু করে দেয় আর ফুলকি একেবারে লুচির ময়ান মাখতে পারেনা।
