জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে, ধারাবাহিকের নায়ক অনিকেতের প্রাক্তন প্রেমিকা অহনা অনিকেতের কাছে আসার চেষ্টা করে এবং শ্যামলী সেটাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। তারপর অন্যান্য নায়িকাদের মত সে কান্নাকাটি করে না বরং অহনাকে মারতে থাকে।
পরিবারের লোক যখন তাকে জিজ্ঞেস করে যে, কেন সে অহনাকে মারছে? তখন সে প্রথম দিকে লজ্জার কারণে চুপ থাকে কিন্তু তার শাশুড়ি মা অপরাজিতা যখন বলে শুধুমাত্র সহ্য করতে পারে না বলেই অহনাকে সে মারছে! তখন সে লজ্জার কথা না ভেবে সবাইকে সব সত্যি বলে দেয়। শ্যামলী বলে, শ্যামলী নেই জেনে ও অনিকেত ঘরে একা আছে ভেবে অহনা ঘরে ঢুকে ছিল এবং অনিকেত ভেবে শ্যামলীকেই জড়িয়ে ধরেছিল।

এই সত্যিটা জানবার পর অনিকেত শুধুমাত্র অহনাকে একটাই কথা বলে সেটা হল পারমিশন ছাড়া কেন তার ঘরে গিয়েছিল? পরে আর কখনও যেন পারমিশন ছাড়া তার ঘরে না ঢোকে। কিন্তু এরপর শ্যামলীকে অনিকেত বলে অহনা যাই করুক না কেন তাকে মারবার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে শ্যামলীকে। কিন্তু শ্যামলী খুব দৃঢ়ভাবে বলে সে ক্ষমা চাইবে না। সে কোনও অন্যায় করেনি।
উল্টে শ্যামলী অনিকেতকে বলে অনিকেতের প্রশ্রয়ে আজ অহনার এত বাড় বেড়েছে। অনিকেতের অহনাকে বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া উচিত। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, অপরাজিতা যখন শ্যামলীকে জিজ্ঞেস করে শ্যামলী কেন অনিকেতের ঘরে ছিল? অনিকেত তো শ্যামলীকে বউ হিসেবে মানে না। শ্যামলী তখন ঘুরিয়ে অনিকেতকে প্রশ্ন করে আর বলে তার নিজের মনের মধ্যে এবার সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে।
তাই সে অনিকেতকে পরিষ্কার জিজ্ঞেস করে যে আপনি সকলের সামনে বলে দিন আপনি আমাকে স্ত্রী হিসেবে মানেন কি মানেন না? এই যে শ্যামলী ন্যাকা কান্না না কেঁদে পরিষ্কারভাবে নিজের বক্তব্যটা তুলে ধরে এই বিষয়টা নিয়ে অনেকেই প্রশংসা করেছেন।উপরন্তু এই ধারাবাহিকের প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে যে অন্যান্য নায়িকাদের মত সংসার করবার লোভে নায়কের অপরাধ জানা সত্ত্বেও নায়কের হাতে পায়ে ধরে শ্যামলী ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেনি।
আরও পড়ুনঃ হৈমন্তীকে নিয়ে নতুন ছক কষছে রুদ্র! নোংরা প্ল্যানে জল ঢেলে বাজিমাত করল ফুলকি!
শ্যামলী পরিষ্কার বলছে যেদিন অনিকেত নিজের ভুলটা বুঝতে পারবে সেদিন শ্যামলী অনিকেতকে আর ঘরে তুলবে না। ধারাবাহিকের এই কনসেপ্ট দেখে দর্শক বলছেন প্রত্যেকটি ধারাবাহিকের নায়িকাদের এমনই হওয়া উচিত নায়কের পরকীয়া চুপচাপ সহ্য না করে শ্যামলীর মতো ঠাটিয়ে চড় মারা উচিত এবং প্রতিবাদ করা উচিত।
