Bangla Serial

মিঠিঝোরার পোস্টকে ঘিরে বিক্ষোভ, অনির্বাণ নাকি আবার রাইয়ের প্রকৃত বন্ধু! হাসালো জি বাংলা, বলছে দর্শক

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি কাহিনী দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল দর্শকদের। বড় দিদি রাইপূর্ণার জীবনের লড়াইয়ের গল্প মন ছুঁয়ে গিয়েছিল দর্শকদের। বাবার অকাল প্রয়াণের পর সংসারের দায়ভার কাঁধে তুলে নেয় বড় দিদি রাই। ভালোবাসার মানুষ শৌর্য্যর হাত ছেড়ে দিয়ে বড় মেয়ের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় সে। এরপরই কর্মসূত্রে তার জীবনে আসে অনির্বাণ।

অনির্বাণের অফিসে কাজের ইন্টারভিউ দিয়ে যায় রাই। রাইয়ের ব্যবহার মন ছুঁয়ে যায় অনির্বাণ। তারপর যত সময় এগিয়েছে ততই গাঢ় হয়েছে রাই-অনির্বাণের সম্পর্ক। সম্প্রতি সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে রাইকে বিয়ে করছে অনির্বাণ। কিন্তু তারপরই বদলে যায় সবকিছু। নীলুর পাঠানো কয়েকটা ছবির ওপর ভরসা করে রাইকেই অবিশ্বাস করে বসে অনির্বাণ। ফুলসজ্জার রাতে স্ত্রীকে ফেলে রেখে চলে যায় সে।

mithijhora

এমনকি মায়ের কথায় ডিভোর্স পেপারেও সই করে দেয় অনির্বাণ। শৌর্য্য নিজে এসে সবটা বললেও সেই কথা বিশ্বাস করেনি অনির্বাণ। এরপরই প্রমাণ সহ অনির্বাণকে সবটা দেখিয়ে সে শৌর্য্য। তখন সবটা দেখে রাইকে ফিরিয়ে আনার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সে। কিন্তু মা যেন অনির্বাণকে বলে এইসবটাই আসলে রাইয়ের সাজানো, সেকথা শুনেই ফের রাইকে অবিশ্বাস করে বসে অনির্বাণ।

আরও পড়ুন: বিপাকে রুদ্র! জামাইবাবুর কুকীর্তি ফাঁস করতে অনেক বড় ঝুঁকি নিল ফুলকি!

অনির্বাণের এই চরিত্রগুণ থুড়ি ত্রুটিগুলো দেখে ইতিমধ্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন দর্শকরা। অনির্বাণের মতো একজন ছেলে কীকরে ধারাবাহিকে বায়িক চরিত্র হতে পারে সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকেই। তবে তারই মাঝে জি বাংলার একটি পোস্ট দেখে রীতিমতো হেসে লুটিয়ে পড়েছেন দর্শকরা। অনেকেই আবার করেছেন ট্রোল। কিন্তু কি এমন দেখা গেছে সেই পোস্টে?

কি দেখা গেছে মিঠিঝোরার পোস্টে?

rai and anirban

সম্প্রতি জি বাংলার অফিসিয়াল পেজে পোস্ট করা হয় অনির্বাণ এবং রাইয়ের একটি ছবি। রাইয়ের কাঁধে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনির্বাণ। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা আছে “বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাসের মজবুত ভিতের ওপর সম্পর্কের দেওয়াল গাঁথা।” রাই অনির্বাণের ছবিতে এরূপ ক্যাপশন দেখে রীতিমতো হেসে গড়িয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। রাই নাকি অনির্বাণের প্রকৃত বন্ধু! রাই আর অনির্বাণের সম্পর্কে নাকি আছে বিশ্বাস! এই কথাটি দেখেই ট্রোলিং শুরু করেছেন অনেকে। আপনাদের কি মনে হয় সত্যিই কি অনির্বাণ রাইয়ের প্রকৃত বন্ধু?

Aarvi

আরভি সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিনোদন ক্ষেত্রে তার অবাধ গতি। আমার লেখা আরও পড়ুন