বর্তমানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে যে সমস্ত ধারাবাহিকগুলির সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে সব থেকে বেশি আকর্ষণীয় এবং সর্বজনগ্রাহ্য একটি ধারাবাহিক হচ্ছে ফুলকি (Phulki)। এই ধারাবাহিকে প্রধান নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা অভিনেত্রী দিব্যানি মন্ডল, এবং প্রধান নায়ক রোহিতের চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক বসু। টিআরপিতে বর্তমানে প্রথম স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম।
এই ধারাবাহিকটি টেলিভিশনের পর্দায় যেদিন থেকে শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই দর্শকদের একদিনের জন্যেও প্রতিপক্ষের দিকে নজর সরাতে দেয়নি। ফুলকির মজাদার কাণ্ডকারখানা পাশাপাশি বিপদে পাশে থাকার এবং লড়াই করার মানসিকতা মুগ্ধ করেছে দর্শক মহলকে। তবে বর্তমানে অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হয়েছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। তাদের সর্বকালীন শত্রু আঠার মতন তাদের সাথে লেগেই রয়েছে।
নবাবগঞ্জে এক বিরাট বড় বন্যা হয়। যার ফলে রায়চৌধুরী বাড়িতে আবারো ঢুকে পড়ে শালিনী মিত্র। ব্যাস তারপর থেকে রোহিতের জীবনটা আবারো এলোমেলো করে দিচ্ছে সে। মাঝে শালিনী হারিয়ে যায়। তাকে ফিরে পাওয়ার পর দেখা যায় যে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে এবং একটা শিশুর মতন আচরণ করছে। তবে এই শিশুর ব্যবহার একটু বেশি পরিপক্ক বলে মনে হয় ফুলকির। শালিনী নিজের ঘরে নিজের পুতুলকে জড়িয়ে ধরে বলে, রোহিত তাকে বিয়ে করবে। আর এই গোটা বিষয়টা কেউ একজন ভিডিও করে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল করে দেয়। সেই নেই এখন রোহিত ফুলকির জীবনে ঝড় উঠেছে।
মা কালীকে ভরসা করে এগিয়ে যাচ্ছে ফুলকি
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, রোহিতের মাথায় আর কিছুই ঢুকছে না। সে আর কোন কিছু ভাবতে পারছে না নতুন করে। তাই সে জেঠুমনিকে বলে, রুদ্র যেটা করতে চাইছে বা যেটা ভাবছে তাকে যেন সেটাই করতে দেওয়া হয়। এমনভাবেই রুদ্রের পথ আরো মসৃণ করে তুলছে রোহিত। এই সুযোগটাকেই এবার কাজে লাগাবে রুদ্ররূপ সান্যাল। নিজের চোখের সামনে সমস্ত কিছু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেখেও কিছুই করতে পারছে না ধারাবাহিকের নায়িকা ফুলকি। কারণ এই মুহূর্তে সত্যিই তার হাত-পা বাঁধা।
আরও পড়ুন: ঘটক দিদির চালে ডাকাত কুপোকাত! রাতারাতি সবার প্রিয় বউমা হয়ে উঠল ঘটক দিদি!
অন্যদিকে রুদ্র রয়েছে বেজায় খুশিতে। কারণ একটা একটা করে তার দেওয়া দানগুলো সবকটাই বাজিমাত করেছে। একটু একটু করে কেমন যেন হেরে যাচ্ছে ফুলকি। ফুলকির এই পরাজয় তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে রুদ্র ঈশিতা আর শালিনী। রুদ্র ঈশিতাকে বলে, তুমি কি ঘুঘু দেখেছে কিন্তু ঘুঘুর ফাঁদ দেখেনি। এইবার সেটা তাকে দেখিয়ে দেবে এই রুদ্ররূপ সান্যাল। অন্যদিকে ফুলকি বাড়ির সবাইকে বলে, এই মুহূর্তে মা কালী তার একমাত্র ভরসা। তাই সে তার মায়ের কাছে যাবে। গিয়ে প্রার্থনা করবে। তার বিশ্বাস তার মা তাকে খালি হাতে ফেরাবে না। ফুলকি কি সত্যি পারবে এই রহস্যের উদঘাটন করে রোহিতকে আরো একবার নির্দোষ প্রমাণ করতে?
