অনেকদিন ধরে এতকিছু পরিকল্পনা করার পরেও কোনোভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকাকে। শত চেষ্টা করেও বারবার বিফল হয়েছে শালিনী। তাই এইবার ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করলো সে। বর্তমানে জি বাংলার এই ধারাবাহিক টিআরপি (TRP) তালিকায় বেঙ্গল টপারের জায়গা দখল করে রেখেছে।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, শালিনী আর রুদ্র দুজনেই নিজেদের পরিকল্পনায় বিফল হয়েছে। কেউ কোন দিক থেকে ফুলকির কোন ক্ষতি করতে পারেনি। উল্টে যত দিন যাচ্ছে ফুলকির প্রতিপত্তি আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। রায়চৌধুরী বাড়িতে তার জায়গাটা আরো শক্ত হচ্ছে। অন্যদিকে বক্সিংয়েও ধীরে ধীরে সফলতা লাভ করছে সে। আর এসব মেনে নিতে পারছে না রুদ্র।
ফুলকি আজকের পর্ব ২৩ জুন (Phulki Today Episode 23 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মেদিনীপুরের বক্সিং ক্লাবের কর্মকর্তারা চায় রোহিত একটা বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন খুলুক যেখানে সে শিক্ষা দাতা হিসেবে কাজ করবে। জমি বাড়ি সবকিছুুর ব্যবস্থা তারাই করে দেবে। ফুলকি রোহিত হয়ে হ্যাঁ বলে দেয়। এটা ছিল শালিনী স্বপ্ন। কিন্তু এত সহজে সেটা রোহিত পেয়ে গেছে দেখে আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারে না সে। শালিনী চলে যায় রুদ্রর কাছে। এরপর দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। শালিনী কথা দেয়, এবার সে রোহিত আর ফুলকিকে আলাদা করেই ছাড়বে।
লাবুর স্পর্ধা দেখে ভয় পেল রুদ্র
এদিকে লাবু চলে আসে রুদ্রর অফিসে। রুদ্র তখন টেবিলের উপর পা তুলে ফুলকির মুন্ডুপাত করছে আর মদ খাচ্ছে। এমন সময় লাবু এসে তাকে ঘরে ফিরতে বলে। রুদ্র তাকে কিছু বলতে গেলে লাবু বলে, “আমি আমার মতন সময় নিয়ে রান্না করেছি আর তুমি সেটাই খাবে। আমি ঠিক করেছি আর আমি তোমাকে কোন ভাবেই ভয় পাব না। এই বুড়ো বয়সে এসে আমি আমার মা-বাবাকে কষ্ট দিতে পারবো না তাই আর বাপের বাড়িতে থাকলাম না।” লাবুর কথা শুনে রীতিমতো ভয় পেয়ে যায় রুদ্র। আস্তে আস্তে একটা একটা করে সমস্ত মানুষকে গ্রাস করছে ফুলকি আর এটা একেবারেই সহ্য করতে পারছে না সে।
শালিনীর কথা শুনে অবাক রোহিত
এদিকে শালিনী চলে আসে রোহিতের কাছে। সে রোহিতকে বলে, “আমার মনে হয় তুমি ফুলকিকে আর ছাড়তে পারবে না। ও তোমার সঙ্গে যেভাবে জড়িয়ে পড়েছে তাতে তোমার ওকে ছেড়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আর সবথেকে বড় কথা সেটা উচিতও হবে না। তাই আমি ঠিক করেছি, আমিই চলে যাব। শুধু আমার একটা আবদার আছে, রাখবে?” এরপর শালিনী যে আবদার করে সেটা শুনে রীতিমতো চমকে যায় রোহিত। সে শালিনীকে বলে, তার পক্ষে এটা কোন ভাবেই করা সম্ভব নয়। কিন্তু শালিনী কান্নাকাটি করে বারবার অনুরোধ করতে থাকে আর তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। শালিনীর কথাগুলো রোহিতের মনে অনেক বেশি করে প্রভাব ফেলে। এরপর ফুলকি এসে রোহিতকে বারবার কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করলেও রোহিত কিছুই বলতে চায় না। উল্টে রেগে গিয়ে তাকে ঘর থেকে বার করে দেয়।
