একজন নিরপরাধ মানুষকে সমস্ত আইনি জটিলতা এবং জেলের চার দেয়ালের বন্দী জীবন যাপনের হাত থেকে মুক্তি দিতে উঠে পড়ে লেগেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকা। শুরু থেকেই প্রত্যেকটি দর্শককে একেবারে মাতিয়ে রেখেছে এই নাবাগত নায়িকা। টিআরপি তালিকাতে ১ থেকে ৫ এর মধ্যেই অবস্থান করছে এই মেগা। এখন ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব হয়ে উঠেছে আরো অনেক বেশি আকর্ষণীয়।
কিছুদিন আগে ফুলকি খুব অদ্ভুতভাবে পরিচিত হয় ছন্দক মজুমদারের সাথে। যেন এই প্রকৃতিই তাকে সুযোগ করে দিয়েছে ইশিতা আর রুদ্ররূপ সান্যালের মুখোশ সবার সামনে টেনে ছিড়ে ফেলার। এই সুযোগটাকে সে কিছুতেই হাত ছাড়া করতে চায়নি। ফুলকি খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছে যেখানে চিংড়ি দিদি আর জামাইবাবু একসাথে রয়েছে সেখানে কোন ভালো কাজ হতে পারে না। তাই এবার আসল সত্যিটা তাকে খুঁজে বের করতেই হবে।
এর মাঝেই, ফুলকি অনেক প্রমাণ জোগাড় করে ফেলেছে। তাদের নানা রকম ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে রুদ্র আর ইশিতা কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। উল্টে ফুলকির জেদ আরো হাজার গুণ বেড়ে গিয়েছে। সে পূর্ববর্তী কেশের সমস্ত প্রমাণ, ছন্দকের স্ত্রীয়ের আসল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সব জোগাড় করে ফেলেছে। ইশিতা আর রুদ্র ঠিক যে যে বিষয়ে ভয় পাচ্ছিল সেই সবই এখন ফুলকির হাতের মুঠোয়।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, শুরু হয়ে গিয়েছে শুনানি। ইতিমধ্যেই বক্তব্য রেখেছে বিপক্ষের উকিল। বিপক্ষে থাকা উকিল বেশ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাই কিছুটা ভয় পেয়ে আছে ধানসিঁড়ি। কিন্তু ফুলকির সহযোগিতায় সে চেষ্টা করছে নির্ভীক ভাবে গোটা বিষয়টাকে পরিচালনা করার। এদিকে রুদ্র চেষ্টা করে চলেছে ফুলকিদের জোগাড় করা প্রমাণ গুলোকে কোনভাবে মিথ্যে প্রমাণিত করার।
তদন্ত শুরু করলো ফুলকি
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, ফুলকি সব দিক বিচার বিবেচনা করে ধানসিঁড়িকে বলে, “এখনো আমাদের অনেক কিছু খুঁজে বের করতে হবে। সবার আগে জানতে হবে ছন্দক দাদা আর জয়িতা দিদির কাছের মানুষজন কারা ছিল। তাহলেই বোঝা যাবে কে ওদেরকে ভুল বোঝাচ্ছিল।” ফুলকির বলা কথাগুলোকে সমর্থন জানায় ধানসিঁড়ি। এবার তারা আর সময় অপচয় না করে সেই ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে।
