বুদ্ধি থাকলে সব সম্ভব। এইবার বুদ্ধি দিয়ে আর সাহসকে কাজে লাগিয়ে থানার মধ্যে ঢুকে থানার পুলিশ অফিসারদের ঘোল খাইয়ে তাদের নাকের ডগা দিয়ে নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো ঠিকই হাতে নিলো জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকা। গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী একদম শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিকের নাম। সম্প্রতি একেবারে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব।
বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ফুলকি রুদ্র আর ইশিতার মুখোশ খুলে দিতে একেবারেই উঠে পড়ে লেগেছে। রুদ্রও কম যায় না। আগে থেকেই থানায় কথাবার্তা বলে ব্যবস্থা করে রেখেছে যাতে তাদের তরফ থেকে রোহিত ফুলকি কোনো রকমের সাহায্য না পায়। কিন্তু এই ধারাবাহিকের নায়িকা হাল ছাড়ার মেয়ে নয়। কেউ একটা পরিকল্পনা করে ফেলেছে থানায় ঢোকার এবং সবকিছু খুঁজে বের করার।
ফুলকি আজকের পর্ব ১৫ মে (Phulki Today Episode 15 may)
লাবুকে সবটা বুঝিয়ে বলল ফুলকি
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, লাবু এসে ফুলকির কীর্তনে যোগ দিতে চায়। উপায় না পেয়ে ফুলকি লাবুকে সবটা খুলে বলে। সে বলে, “আসলে জামাইবাবু চায় না ধানু দিদি এই কেসটা নিয়ে কাজ করুক। তাই আমরা একটু লুকিয়ে সবকিছু করছি। এটা যদি জামাইবাবু জানতে পারে তাহলে খুব সমস্যা হবে।” লাবু বলে, রুদ্রকে কিচ্ছু জানাবে না। এটা শুনে একটু স্বস্তি পায় সকলে। এরপর তাড়াতাড়ি তৈরি হতে থাকে ছদ্মবেশে কীর্তনে বেরোনোর জন্য।
খিচুড়িতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে কাজ সারলো ফুলকি
সবাই কীর্তনের জন্য ছদ্মবেশ করে চলে যায় পুলিশ স্টেশনে। সেখানে গিয়ে প্রথমে আশে পাশের মানুষদের খিচুড়ি খাওয়ায় তারা। তারপর সোজা ঢুকে যায় থানায়। তারা এত দূর কীর্তন করতে করতে এসেছে জানতে পেরে পুলিশ অফিসার অবাক হয়ে যায়। এরপর থানার সবাইকে শালপাতার বাটি করে খিচুড়ি পরিবেশন করে ফুলকি। সবাই একেবারে চেটেপুটে খিচুড়ি খায়। খেতে খেতে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। তখন ফুলকি রোহিত আর ধানু তিনজনে মিলে ছন্দকের কেস ফাইলটা বের করে আর সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে। সেখানেই চাবি দেখতে পায় তারা। ফুলকি আবিষ্কার করে সেই চাবিতে সাবান লেগে আছে। এর পেছনে কারণ কি সেটা ফুলকি বুঝতে পারলেও ধানু আর রোহিত কিছুতেই বুঝতে পারে না।
আরও পড়ুনঃ কৌশাম্বীর ছবিতে তার শাশুড়ির মন্তব্য দেখে চক্ষু চড়কগাছ ভক্তদের! বিয়ের পর কেমন জমলো শাশুড়ি বৌমার জুটি?
ভয় পেয়ে গেল ইশিতা রুদ্র
এদিকে ইশিতা বেশ ভয় ভয় থাকে সবসময়। রুদ্র তাকে জিজ্ঞাসা করে, কেন এত ভয় পাচ্ছে সে? ভয় পাওয়ার কোন কারণই অবশিষ্ট নেই। যার কারণ ছিল সব পুড়িয়ে ছারখার করে ফেলা হয়েছে। আর থানা থেকেও রোহিতকে কোন সাহায্য করা হয়নি। ইশিতা তখন বলে বাড়ির প্রত্যেকে নাকি অশোকনগরে কীর্তন শুনতে গেছে। কিন্তু সে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছে অশোকনগরে কোন কীর্তনই হচ্ছে না। তাহলে কোথায় গেল রোহিত ফুলকি? ইশিতার কথা এবার রুদ্রও বেশ ভয় পেয়ে যায়। সে বলে, এইবার চিন্তা করতে করতেই পাগল হয়ে যাবে সে।
